“সমাজের সকলে সচেতন না হলে উক্ত সমস্যাটি সমাধান করা সম্ভব নয়”— উক্তিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো ।
উত্তর: “সমাজের সকলে সচেতন না হলে উক্ত সমস্যাটি সমাধান করা সম্ভব নয়”- উক্তিটি যথার্থ বলে মনে করি । নারীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে সামাজিক প্রতিরোধ গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হিসেবে কাজ করে। সমাজের মানুষই যেহেতু যেকোনো সামাজিক সমস্যার ভুক্তভোগী সেহেতু সম্মিলিত সামাজিক প্রতিরোধই নির্দিষ্ট সামাজিক সমস্যা নির্মূল করার মূল হাতিয়ার। আমাদের সমাজে নারীরা যেসব সামাজিক নিরাপত্তাহীনতাজনিত সমস্যার মুখোমুখি হন, সেগুলো দূর করতে হলেও সামাজিক প্রতিরোধের কোনো বিকল্প নাই । রাষ্ট্র যতোই নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আইন প্রণয়ন করুক না কেন, সমাজের মানুষ যদি সচেতন না হয় তাহলে কোনোভাবেই এ গুরুতর সমস্যা দূর করা সম্ভব হবে না। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, এমন অনেক সমাজ আছে যেখানে নারীর প্রতি নানা ধরনের অশোভনীয় আচরণের জন্য আচরণকারীকে দোষী না ভেবে প্রকারান্তরে ওই নারীকেই দোষী সাব্যস্ত করা হয়। এমনকি অনেক সময় অশোভনীয় আচরণকারীর বিষয়ে বলা হয়, এটা বয়সের দোষ। বয়স বাড়লে ঠিক হয়ে যাবে। এমনকি অনেক সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাত থেকেও অপরাধীকে বাঁচিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ ধরনের সামাজিক অবস্থান সমাজে নারীর নিরাপত্তাহীনতাকে অনেক গুণ বাড়িয়ে দেয়। বিপরীত দিকে কোনো সমাজের মানুষ সিদ্ধান্ত নেয় যে, নারীর নিরাপত্তা লঙ্ঘিত হয় এমন ধরনের আচরণ কেউ করলে তার বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে তাহলে নিশ্চিতভাবেই সে সমাজে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়। ইতোপূর্বে বাংলাদেশে সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনায় এর নজির পাওয়া গেছে। উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, নারীর সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে সামাজিক প্রতিরোধের কোনো বিকল্প নেই।
HSC Sociology 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Sociology 2nd Paper · সৃজনশীল
“সমাজের সকলে সচেতন না হলে উক্ত সমস্যাটি সমাধান করা সম্ভব নয়”— উক্ত…
উদ্দীপক
বিএএফ শাহীন কলেজ, ঢাকা · 2024
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর