শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের আলোকে মুমিনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক কেমন হবে? ব্যাখ্যা কর ।

উত্তর: মুমিনদের পারস্পরিক সম্পর্ক একই দেহের ন্যায় । ইসলামে সকল মুসলমান ভাই ভাই। মুসলমানগণ বিশ্বের যে প্রান্তেই থাকুক, সে কালো হোক বা সাদা। ধনী হোক কিংবা গরিব সকলেই ভাই-ভাই । আল্লাহ তায়ালা বলেন- “মুমিনগণতো পরস্পর ভাই ভাই।” (সূরা আল-হুজুরাত, আয়াত ১০) রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “এক মুসলমান অপর মুসলমানের ভাই।” (বুখারি) বিশ্বের সকল মুসলমান ভ্রাতৃত্ব বন্ধনে আবদ্ধ। তারা পরস্পরের প্রতি ভ্রাতৃত্বসুলভ আচরণ করবে। এটাই ইসলামের শিক্ষা। একটি হাদিসে মহানবি (সা.) মুসলমানদের এ ভ্রাতৃত্বের স্বরূপ তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, “তুমি মুমিনগণকে পারস্পরিক করুণা প্রদর্শন, সম্প্রীতি, ভালোবাসা ও সহানুভূতি প্রদর্শনের ব্যাপারে একটি দেহের মতো দেখতে পাবে। যখন দেহের একটি অঙ্গ কষ্ট পায় তখন গোটা দেহই কষ্ট পায়।” (বুখারি ও মুসলিম) ইসলামি ভ্রাতৃত্বের দাবি হলো একজন মুসলিম অপর মুসলিম ভাইয়ের সুখে সুখী এবং দুঃখে দুঃখী হবে । তার প্রয়োজনে সর্বাত্মক সহযোগিতা' করবে। অপর মুসলিম ভাইয়ের সর্বাঙ্গীণ কল্যাণ কামনা করবে। ঠিক তেমনিভাবে উদ্দীপকেও আমরা দেখতে পাই; ফিলিস্তিনের মুসলিমদের ওপর অত্যাচার করার খবরে পাশের দেশের মুসলিমরা সমবেত হয়ে প্রতিবাদ জানায় । এটাই হলো ভ্রাতৃত্বের অন্যতম দাবি। মুসলমানদের এ পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব হলো ইসলামি ভ্রাতৃত্ব। ফলে দুনিয়ার দূরতম প্রান্তে কোনো মুসলমান কষ্টে পতিত হলে অন্য মুসলমানও তার সমব্যথী হয়, তার সাহায্যে এগিয়ে আসে ।

HSC Islamic Studies 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic Studies 2nd Paper · সৃজনশীল

উদ্দীপকের আলোকে মুমিনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক কেমন হবে? ব্যাখ্যা কর ।

উদ্দীপক

ফিলিস্তিনের মুসলিমদের ওপর অত্যাচার করার খবরে পাশের দেশের মুসলিমরা সমবেত হয়ে প্রতিবাদ জানায়। সেখানে বক্তারা বলেন, চার মুসলিমরা একে অপরের ভাই। সে তার ভাইকে সুরক্ষা দেবে এবং প্রয়োজন পূরণ করবে। রসুল (সা.) বলেন, “মুমিনগণ তাদের পারস্পরিক সহানুভূতি প্রদর্শনের ব্যাপারে একই দেহের মতো।”

নটরডেম কলেজ · 2023

উত্তর

মুত্তাফাকুন আলাইহি অর্থ যার ওপর ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বুখারি ও মুসলিম শরিফের সম্মিলিত বর্ণনাকে মুত্তাফাকুন আলাইহি বলা হয়।

উত্তর

হিংসা গুরুতর পাপ কাজ, যা ইসলামে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু রাসুল (সা.) দুটি উদ্দেশ্যে হিংসা করা যাবে বলে অনুমোদন দিয়েছেন। আর তা হলো-১. এমন ব্যক্তির ব্যাপারে হিংসা করা যাবে, যাকে আল্লাহ তায়ালা ধনসম্পদ দিয়েছেন— আর তিনি তা সৎ পথে ব্যয় করেন। ২. এমন ব্যক্তির ব্যাপারে হিংসা করা যাবে, যাকে আল্লাহ তায়ালা জ্ঞান দিয়েছেন- তিনি তা দ্বারা বিচার করেন এবং লোকদের শিক্ষা দেন। নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে দেখলে এ দুটো হিংসা নয় বরং ভালো কাজে অগ্রগামী হওয়ায় তীব্র আকাঙ্ক্ষা হিসেবে ধরে নেওয়া যায়। এজন্য এ দুধরনের লোকের ব্যাপারে হিংসা তথা ঈর্ষা করা অনুমতি আছে।

উত্তর

ইসলাম গ্রহণ করার কারণে মুসলিমদের মধ্যে এক আদর্শিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। এ সম্পর্ক হলো ইমানি ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দের 3 সম্পর্ক। তাই মুসলিমরা ভাই ভাই । মুসলমানগণ পরস্পর ভাই ভাই। তারা সকলে একই আদর্শে বিশ্বাসী, একই জীবনাদর্শের অনুসারী। ফলে পৃথিবীর যেকোনো স্থানেই 1 মুসলমান থাকুক না কেন সকলেই ইসলামি ভ্রাড়ত্বের বন্ধনে আবদ্ধ। এতে দেশ, কাল, জাতি, বর্ণ ইত্যাদির কোনো ভেদাভেদ নেই । ধনী- গরিব, সাদা-কালো, আরব-অনারব সকল মুসলমানই পরস্পর ভাই- 7 ] ভাই। সুতরাং এক মুসলমানকে অন্য মুসলমানের প্রতি বেশকিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করতে হয়। যেমন— কোনো মুসলমান ভাইয়ের প্রতি কোনোরূপ অন্যায়-অত্যাচার করা যাবে না ও জুলুম- নির্যাতন করা যাবে না। বরং সর্বাবস্থায় তার সাহায্যে এগিয়ে আসতে হবে। তার জান, মাল, ইজ্জত-সম্মান রক্ষা করতে হবে। শত্রুর মোকাবিলায় তাকে সাহায্য করতে হবে। তার শত্রুকে সাহায্য করা যাবে না। ছোট-বড় যেকোনো প্রয়োজনে অপর মুসলমান ভাইকে সাধ্যমতো সাহায্য করতে হবে। সামর্থ্য থাকলে ধন-সম্পদ ব্যয় করে তার সাহায্যে এগিয়ে আসতে হবে। অন্যথায়, বুদ্ধি, পরামর্শ ও সৎ উপদেশের মাধ্যমে সাহায্য করতে হবে। এমনকি প্রয়োজনে দৈহিক পরিশ্রমের মাধ্যমেও তাকে সাহায্য করতে হবে। বস্তুত নিজের সামর্থ্যানুযায়ী আন্তরিকভাবে অপর মুসলমান ভাইয়ের বিপদে এগিয়ে আসতে হবে। এতে আল্লাহ তায়ালা সন্তুষ্ট হন। তিনি স্বয়ং সাহায্যকারীকে সাহায্য করেন। তার সকল প্রয়োজন পূরণ করে দেন।

উত্তর

মুমিনদের পারস্পরিক সম্পর্ক একই দেহের ন্যায় । ইসলামে সকল মুসলমান ভাই ভাই। মুসলমানগণ বিশ্বের যে প্রান্তেই থাকুক, সে কালো হোক বা সাদা। ধনী হোক কিংবা গরিব সকলেই ভাই-ভাই । আল্লাহ তায়ালা বলেন- “মুমিনগণতো পরস্পর ভাই ভাই।” (সূরা আল-হুজুরাত, আয়াত ১০) রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “এক মুসলমান অপর মুসলমানের ভাই।” (বুখারি) বিশ্বের সকল মুসলমান ভ্রাতৃত্ব বন্ধনে আবদ্ধ। তারা পরস্পরের প্রতি ভ্রাতৃত্বসুলভ আচরণ করবে। এটাই ইসলামের শিক্ষা। একটি হাদিসে মহানবি (সা.) মুসলমানদের এ ভ্রাতৃত্বের স্বরূপ তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, “তুমি মুমিনগণকে পারস্পরিক করুণা প্রদর্শন, সম্প্রীতি, ভালোবাসা ও সহানুভূতি প্রদর্শনের ব্যাপারে একটি দেহের মতো দেখতে পাবে। যখন দেহের একটি অঙ্গ কষ্ট পায় তখন গোটা দেহই কষ্ট পায়।” (বুখারি ও মুসলিম) ইসলামি ভ্রাতৃত্বের দাবি হলো একজন মুসলিম অপর মুসলিম ভাইয়ের সুখে সুখী এবং দুঃখে দুঃখী হবে । তার প্রয়োজনে সর্বাত্মক সহযোগিতা' করবে। অপর মুসলিম ভাইয়ের সর্বাঙ্গীণ কল্যাণ কামনা করবে। ঠিক তেমনিভাবে উদ্দীপকেও আমরা দেখতে পাই; ফিলিস্তিনের মুসলিমদের ওপর অত্যাচার করার খবরে পাশের দেশের মুসলিমরা সমবেত হয়ে প্রতিবাদ জানায় । এটাই হলো ভ্রাতৃত্বের অন্যতম দাবি। মুসলমানদের এ পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব হলো ইসলামি ভ্রাতৃত্ব। ফলে দুনিয়ার দূরতম প্রান্তে কোনো মুসলমান কষ্টে পতিত হলে অন্য মুসলমানও তার সমব্যথী হয়, তার সাহায্যে এগিয়ে আসে ।
HSCIslamic Studies 2nd Paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.হাদিসে ফরজের পরে ফরজ বলা হয়েছে কোন ইবাদতকে?

Dhaka, chittagong, barisal · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.الطعان لَيْسَ الْمُؤْمِنُ بِالطَّعَانِ হাদিসে بِالطَّعَانِ হচ্ছে-

Dhaka, chittagong, barisal · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.সর্বাধিক হাদিস বর্ণনাকারী সাহাবি কে ছিলেন?

Dhaka, chittagong, barisal · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: নামাজ শেষে ইমাম সাহেব কুরআনের তাফসীর করছিলেন। তিনি আদম (আ.) এর সৃষ্টি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে এই আয়াতটি তেলাওয়াত করেন, "তারা বলল, আপনি মহান, পবিত্র। আপনি আমাদেরকে যা শিক্ষা দিয়েছেন তাছাড়া আমাদের কোনো জ্ঞান নাই।" তখন আব্দুল্লাহ নামে একজন শ্রোতা শয়তানের সৃষ্টি নিয়ে প্রশ্ন করলে ইমাম সাহেব নিচের আয়াতটি তিলাওয়াত করেন।وَإِذْ قُلْنَا لِلْمَلَائِكَةِ اسْجُدُوا لِآدَمَ فَسَجَدُوا إِلَّا إِبْلِيسَ أبي وَاسْتَكْبَرَ .Q. উদ্দীপকে আব্দুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে উদ্বৃত আয়াতে বলা হয়েছে-
i. তোমরা আদম (আ.) কে সিজদা কর
ii. ইবলিশ ছাড়া সবাই সিজদা করল
iii. সে সেখান থেকে দ্রুত পলায়ন করলনিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka, chittagong, barisal · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: নামাজ শেষে ইমাম সাহেব কুরআনের তাফসীর করছিলেন। তিনি আদম (আ.) এর সৃষ্টি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে এই আয়াতটি তেলাওয়াত করেন, "তারা বলল, আপনি মহান, পবিত্র। আপনি আমাদেরকে যা শিক্ষা দিয়েছেন তাছাড়া আমাদের কোনো জ্ঞান নাই।" তখন আব্দুল্লাহ নামে একজন শ্রোতা শয়তানের সৃষ্টি নিয়ে প্রশ্ন করলে ইমাম সাহেব নিচের আয়াতটি তিলাওয়াত করেন।وَإِذْ قُلْنَا لِلْمَلَائِكَةِ اسْجُدُوا لِآدَمَ فَسَجَدُوا إِلَّا إِبْلِيسَ أبي وَاسْتَكْبَرَ .Q. ইমাম সাহেবের উদ্ধৃত প্রথম আয়াতের বস্তা কে?

Dhaka, chittagong, barisal · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: রেজাউল সাহেব নামাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। তিনি রাস্তার মাঝখান থেকে এক টুকরো কাঁচ সরিয়ে দিলেন এবং বন্ধু হাসনাতকে তাফসীরুল কুরআন শুনার দাওয়াত দিলেন। হাসনাত সাহেব প্রতিশ্রুতি দিলেন এবং তা ভঙ্গ করলেন।Q. উদ্দীপকে হাসনাত সাহেবের কর্মকাণ্ডে বিপর্যয় ঘটবে-
i. কথা বলার
ii. মানসিকতার
iii. ঐক্যবদ্ধতারনিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka, chittagong, barisal · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: রেজাউল সাহেব নামাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। তিনি রাস্তার মাঝখান থেকে এক টুকরো কাঁচ সরিয়ে দিলেন এবং বন্ধু হাসনাতকে তাফসীরুল কুরআন শুনার দাওয়াত দিলেন। হাসনাত সাহেব প্রতিশ্রুতি দিলেন এবং তা ভঙ্গ করলেন।Q. রেজাউল সাহেবের কর্মকাণ্ডটি কোন পর্যায়ের?

Dhaka, chittagong, barisal · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.যার উপর কিয়াস করা হয়, তাকে কী বলে?

Dhaka, chittagong, barisal · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.ইজমার ক্ষেত্রে আধিমত ও রুখসাত কী?

Dhaka, chittagong, barisal · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:বেলাল ও হাসান হাদিসের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করছিল। বেলাল বলল, হাদিসও এক ধরনের ওহি। কেননা আল্লাহ وَمَا يَنْطِقُ عَنِ الْهَوَى إِنْ هُوَ إِلَّا وَحَىٰ يُوحَى তখন হাসান বলল, আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়ার জন্হাদিসের অনুসরণ অপরিহার্য।Q. উদ্দীপকে হাসানের বক্তব্য যথার্থ, কারণ-
i. হাদিস ছাড়া কুরআন বোঝা সম্ভব নয়
ii. ইহা ইসলামের দ্বিতীয় স্তম্ভ
iii. এটা ছাড়া আল্লাহর ইবাদত করা অসম্ভবনিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka, chittagong, barisal · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:বেলাল ও হাসান হাদিসের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করছিল। বেলাল বলল, হাদিসও এক ধরনের ওহি। কেননা আল্লাহ وَمَا يَنْطِقُ عَنِ الْهَوَى إِنْ هُوَ إِلَّا وَحَىٰ يُوحَى তখন হাসান বলল, আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়ার জন্য হাদিসের অনুসরণ অপরিহার্য।Q. উদ্দীপকে উল্লেখিত 'ওহি' কোন প্রকারের হাদিস?

Dhaka, chittagong, barisal · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: কামাল সাহেব মৃত্যুর পূর্বেই তার পুকুরটি মসজিদের জন্য দান করেন। এতে জনগণ খুব খুশি হয়। অপরদিকে জামান সাহেব একটি মদের কারখানায় কাজ করেন। গ্রামের লোকেরা তার সমালোচনা কর। এতে তিনি হতাশায় ভুগেন।Q. উদ্দীপকে জামান সাহেবের কর্মের পরিণতি কী?
i. আল্লাহর অভিসম্পাত
ii. শারীরিক ও মানসিক প্রশান্তি
iii. সামাজিক অশান্তি।নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka, chittagong, barisal · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

হাদিসে ফরজের পরে ফরজ বলা হয়েছে কোন ইবাদতকে?الطعان لَيْسَ الْمُؤْمِنُ بِالطَّعَانِ হাদিসে بِالطَّعَانِ হচ্ছে-সর্বাধিক হাদিস বর্ণনাকারী সাহাবি কে ছিলেন?উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: নামাজ শেষে ইমাম সাহেব কুরআনের তাফসীর করছিলেনউদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: নামাজ শেষে ইমাম সাহেব কুরআনের তাফসীর করছিলেনউদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: রেজাউল সাহেব নামাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। তিনি উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: রেজাউল সাহেব নামাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। তিনি যার উপর কিয়াস করা হয়, তাকে কী বলে?ইজমার ক্ষেত্রে আধিমত ও রুখসাত কী?নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:বেলাল ও হাসান হাদিসের গুরুত্ব নিয়ে আলোনিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:বেলাল ও হাসান হাদিসের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: কামাল সাহেব মৃত্যুর পূর্বেই তার পুকুরট

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।