রাশেদ সাহেবের উপার্জন কীরূপ? হাদিসের আলোকে ব্যাখ্যা কর ।
উত্তর: রাশেদ সাহেবের উপার্জন হালাল বা বৈধ । মানুষের প্রথম ফরজ কাজ হচ্ছে ইমান আনা। ইমান পোষণের আগে ইসলামের কোনো কোনো বিধান পালন করা মানুষের জন্য ফরজ নয়। ইমান এনে মুমিন হওয়ার পর ব্যক্তির ওপর ইসলামের বিভিন্ন হুকুম মানা ফরজ হয় । সালাত, জাকাত, সাওম, হজ প্রভৃতি হচ্ছে উল্লেখযোগ্য ফরজ ইবাদাত। এ ইবাদাতগুলো কবুল হওয়া বা না হওয়া নির্ভর করে ব্যক্তির উপার্জনের ধরনের ওপর। ব্যক্তির উপার্জন যদি হালাল হয়, তাহলে তার ইবাদাত কবুলযোগ্য হবে। অবৈধ উপার্জনকারীর ইবাদাত কবুল হয় না । যেজন্য হালাল উপার্জন করা অন্যান্য ফরজের মতো শুধু ফরজ মাত্র নয়, বরং এটি ফরজের চেয়েও বেশি কিছু। আল্লাহ্ তায়ালা মানুষকে কেবল হালাল জীবিকা গ্রহণেরই নির্দেশ দিয়েছেন । তিনি বলেন, 'তোমরা উত্তম ও পবিত্র বস্তু আহার কর, যা আমি তোমাদের জীবিকারূপে দিয়েছি' (সুরা আল-বাকারা : ১৭২)। হালাল রিজিক অন্বেষণ করা জিহাদে নিয়োজিত থাকার মতো। মহানবি (স) বলেন, 'যে ব্যক্তি হালাল উপার্জন দিয়ে তার পরিবার প্রতিপালনের চেষ্টায় থাকে, সে আল্লাহর পথে মুজাহিদের মতো।' (ইবনে মাজাহ) ইবাদাত কবুলের মাপকাঠি হিসেবে হালাল উপার্জন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফরজ। প্রদত্ত উদ্দীপকের রাশেদ সাহেবের হারাম গ্রহণের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তিনি হালাল উপার্জনকে বেছে নিয়েছেন। আমাদেরও উচিত রাশেদ সাহেবকে অনুসরণ করা।
HSC Islamic Studies 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Islamic Studies 2nd Paper · সৃজনশীল
রাশেদ সাহেবের উপার্জন কীরূপ? হাদিসের আলোকে ব্যাখ্যা কর ।
উদ্দীপক
Barisal · 2021
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর