প্রতারণা করার কারণে গোস্ত বিক্রেতাকে উদ্দেশ্য করে রহমান সাহেব 'এর হিসাব অবশ্যই আল্লাহর কাছে দিতে হবে' উক্তিটি যথার্থ।
প্রতারণা মিথ্যারই এক বিশেষ রূপ। এর অর্থ ঠকানো, ফাঁকি দেওয়া, ধোঁকা দেওয়া, বিশ্বাস ভঙ্গ করা ইত্যাদি। ইসলামি পরিভাষায়, প্রকৃত অবস্থা গোপন রেখে ফাঁকি বা ধোঁকার ওপর ভিত্তি করে নিজ স্বার্থ হাসিল করাকে প্রতারণা বলা হয়। প্রতারণা নানাভাবে হতে পারে। আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, 'ধ্বংস তাদের জন্য যারা মাপে কম দেয়' (সুরা মুতাফিফিন: ১)। প্রতারণার ব্যাপারে হুশিয়ারি করে মহানবি (স) বলেছেন, 'যে প্রতারণা করে সে আমার দলভুক্ত নয় (মুসলিম)'।
উদ্দীপকে দেখা যায়, রহমান সাহেব বাজার থেকে দু'কেজি গোস্ত কিনে তার এক পরিচিত মুদি দোকানে মেপে দেখলেন প্রায় ২০০ গ্রাম কম। অর্থাৎ গোস্ত বিক্রেতা প্রতারণার মাধ্যমে অধিক অর্থ উপার্জন করেন। প্রতারণার কারণে পরকালে তাকে কঠিন শাস্তি পেতে হবে। কেননা প্রতারণা অত্যন্ত গর্হিত ও ঘৃণিত কাজ। যে প্রতারণা করে সে প্রকৃত মুমিন নয়। প্রতারণাকারী দুনিয়াতেও ঘূণিত, লজ্জিত ও অপদস্থ হয়। আর আখিরাতে তার জন্য রয়েছে দুর্ভোগ ও ধ্বংস। অর্থাৎ প্রতারণাকারীকে ইহকালে লাঞ্ছনা, অপমান আর পরকালে জাহান্নামের কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে। তাই প্রতারণা সম্পর্কে রহমান সাহেব বলেছেন, এর হিসাব অবশ্যই আল্লাহর কাছে দিতে হবে।