জাহিদ খাদ্যে ভেজাল সৃষ্টি করে, যা প্রতারণার অন্তর্ভুক্ত আর প্রতারণা নিফাকির অন্তর্ভুক্ত। তার কর্মকাণ্ড সম্পর্কে মাওলানা কেরামত সাহেবের মন্তব্যটি সঠিক ও যথার্থ।
রাসুল (সা.) বলেছেন, যে প্রতারণা করল সে আমাদের দলভুক্ত নয় । (তিরমিযি) অন্যদিকে, তার এ ব্যবসায়ে উপার্জিত আয় হারাম হবে। কারণ সে প্রতারণার মাধ্যমে আয় করছে। যার কারণে তার ইবাদাত কবুল হবে না এবং সে জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে।
এ প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন-
قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : لا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ لَحْمُ ثَبَتَ مِنْ سُحْتِ وَكُل لعملية من الشعو كانت النار أولى به
অর্থ : "যে গোশত হারাম থেকে গঠিত, তা বেহেশতে প্রবেশ করবে না। যেসব গোশত হারাম মাল থেকে গঠিত তার জন্য দোযখই শ্রেষ্ঠ স্থান।” (মুসনাদে আহমদ ও দারেমি)
জাহিদ চিকন চালের সাথে মোটা চাল মিশিয়ে অধিক মুনাফা করে। তার এ কাজটি প্রতারণা। জাহিদের এ প্রতারণার বিষয়টি জেনে মাওলানা কেরামত সাহেব বলেন, “এজন্য তাকে পরকালে কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে।
উপরিউক্ত আলোচনার এটিই প্রতীয়মান হয়, জাহিদ তার কাজের জন্য জাহান্নাৰে কঠিন শাস্তি ভোগ করবে। তার সম্পর্কে মাওলানা কেরামত সাহেবের মন্তব্য অত্যন্ত সঠিক।