উদ্দীপকে বাংলা বিভাগের অনুরূপ ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগেও স্বর্ণপদক প্রদানের সিদ্ধান্তটি ইসলামের আইন কিয়াসের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। আর এ আইন পাশ হওয়ার জন্য বিভাগীয় চেয়ারম্যানের উক্তিটি যৌক্তিক ও যথার্থ।
কোনো নতুন প্রশ্নের মীমাংসার জন্য অনুরূপ কোনো ব্যাপারে কুরআন অথবা সুন্নাহ প্রদত্ত মীমাংসাকে ভিত্তিরূপে গ্রহণ করে যুক্তি প্রয়োগের বিধান স্থির করার যে পদ্ধতি রয়েছে তাকে ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় কিয়াস বলে, শরিয়তের বিধিবিধানের ক্ষেত্রে যেমন কিয়াসের আশ্রয় নেওয়া যায় ঠিক তেমনি ব্যবহারিক জীবনের নানা সমস্যাও কিয়াস দ্বারা সমাধান করা সম্ভব।
আলোচ্য উদ্দীপকে দেখা যায়, একই বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে এম এ পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত একজন ছাত্রকে স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়। অনুরূপ পদক ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে চালু করার জন্য ছাত্রছাত্রীরা আবেদন জানালে তাদেরকেও পদক প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। উপাচার্য কর্তৃক এ সিদ্ধান্তটি কিয়াসের ভিত্তিতে গৃহীত হয়েছে। কেননা বাংলা ও ইসলামিক স্টাডিজ একই বিশ্ববিদ্যালয়ে দুটি বিভাগে স্বর্ণপদক প্রদান করলে দোষের কিছু নেই।
উপাচার্যের উদ্যোগকে ধন্যবাদ জানিয়ে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান বলেন, “এতে তাঁর বিভাগটিতে গতিশীলতা এনে দিবে।” কথাটি যথার্থ। কারণ, স্বর্ণপদক ঘোষণার পর শিক্ষার্থীদের মাঝে অধ্যয়নের আকাঙ্ক্ষা আরও বেশি বাড়বে। ফলে তারা জ্ঞানের প্রসার ও প্রচারে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।