উদ্দীপকে উল্লিখিত আলিম সাহেবের উক্তিটি যথার্থ।
পবিত্র কুরআনে মদকে হারাম করা হয়েছে। মদকে হারাম বলার কারণ হলো মদের মাধ্যমে মানুষের চেতনা বিলুপ্ত হয় বা জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। ফলে সে আবোল তাবোল কথা বলে। এ একই কারণ গাঁজা ও ইয়াবায় বিদ্যমান থাকায় কিয়াসের বিধানমতে গাঁজা ও ইয়াবা হারাম হবে। আর মদ হারাম হওয়া সম্পর্কে পবিত্র কুরআনের বক্তব্য হয়েছে- "হে মুমিনগণ! নিশ্চয় মদ, জুয়া, মূর্তি ও ভাগ্য নির্ধারক তীর শয়তানের অপবিত্র কাজ। কাজেই তোমরা এগুলো থেকে বিরত থাক।" পাঠ্যপুস্তকে মাদক সম্পর্কে যে হাদিস রয়েছে তাহলো- "হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, আল্লাহ অভিসম্পাত করেছেন মদকে, এর পানকারীকে, যে ব্যক্তি পান করান তাকে, এর বিক্রেতাকে, এর ক্রেতাকে, যিনি এটি তৈরি করেন তাকে, এটি যে অর্ডার করে তাকে, এর বহনকারীকে, যার কাছে এটি বহন করা হয় তাকে।" (আবু দাউদ ও ইবনে মাজাহ)।
উদ্দীপকে বর্ণিত হয়েছে, জাহিদ তার বন্ধু হাসানকে নেশাদ্রব্য গ্রহণ করা ছেড়ে দিতে বলে। হাসান যুক্তি দেয়, কুরআন হাদিসের কোথাও গাঁজা কিংবা ইয়াবা নিষেধের কথা নেই। এ বিষয়ে তারা একজন আলিমের নিকট গেলে তিনি বলেন, "সকল নেশাদ্রব্যই হারাম।" হাদিসে মদকে হারাম করার কারণ হলো মানুষের জ্ঞান বিলুপ্তি হওয়া। আর মদের অনুরূপ হলো- হেরোইন, কোকেন, ইয়াবা, ফেনিসিডিল, গাঁজা, তাড়ি প্রভৃতি। এজন্য আলিম সাহেব বলেছেন, সকল নেশাদ্রব্যই হারাম। সুতরাং আলিম সাহেবের উক্তিটি যথার্থ।