শেষ চিত্রে শূন্যস্থানে প্রতিস্থাপিত বিষয়টি চিহ্নিত করে এর গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে আলেমদের মতামত ব্যক্ত কর ।
উত্তর: শেষ চিত্রে শূন্যস্থানে প্রতিস্থাপিত বিষয়টি হলো ইজমায়ে সুকুতি । বা নীরবতামূলক ইজমা। “যে ইজমার মধ্যে কতিপয় মুজতাহিদ সম্মতিসূচক মন্তব্য করেছেন বা সম্মিলিতভাবে কাজটি করেছেন এবং অন্য মুজতাহিদগণ তদ্বিষয়ে নীরব ছিলেন; এমনকি চিন্তাভাবনা করার সময়কাল অথবা আলোচনার মজলিস অতিবাহিত হয়ে যাওয়ার পরও প্রতিবাদ করেননি, একেই নীরবতামূলক ইজমা বলে। ইজমায়ে সুকুতির গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে আলেমদের মতামত নিম্নরূপ- ক. ইমাম আবু হানিফা (র.) ও ইমাম আহমদ (র.)-এর মতে, এ ধরনের ইজমা অকাট্য। যদিও এটি عِلْمُ الْيَقِينِ তথা দৃঢ় জ্ঞান বা সন্দেহাতীত জ্ঞান এর ফায়দা প্রদান করে না। তাই এর অস্বীকারকারীকে কাফির বলা যাবে না । খ. ইমাম শাফেয়ি (র.) বলেন, এ ধরনের ইজমা অকাট্য নয় এবং এর অস্বীকারকারী কাফির সাব্যস্ত হবে না । ইমাম শাফেয়ি (র.)-এর মতের অনুরূপ মত পোষণ করেন, ঈসা ইবনে আবান এবং ইমাম মালেক (র.)। তারা মনে করেন, এটি ইজমা বা প্রমাণ হিসেবে গণ্য হবে না। গ. বিশিষ্ট মুতাযিলা চিন্তাবিদ আবু আলি আল-জুবাই-এর মতে যেসব মুজতাহিদ নীরব ছিলেন, তাঁদের যুগ অতিবাহিত হওয়ার পর এটি ইজমা হিসেবে গণ্য হবে। কেননা তাঁরা মৃত্যুর পূর্বে যেকোনো সময় নীরবতা ভেঙে উক্ত বিধানের বিপক্ষে অবস্থান নিতে পারেন । ঘ. আবু হাশিম ইবন আবু আলি-এর মতে, ইজমায়ে সুকুতি ইজমা হিসেবে গণ্য হবে না। তবে দলিল বা প্রমাণ হিসেবে গণ্য হবে। ইমাম আল-কারখি, আল-আমিদি ও ইবনুল হাজিব প্রমুখও অনুরূপ মত ব্যক্ত করেছেন। তাঁদের মতে, এটি ধারণাপ্রসূত ইজমা, যা দ্বারা প্রমাণ পেশ করা যায়। ঙ. ইবনে আবু হোরায়রা-এর মতে, যদি উক্ত মতের প্রবক্তা শাসক হয়, তবে তা ইজমা বা প্রমাণ কোনোটাই গণ্য হবে না। অন্যথায় তা ইজমা ও প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হবে।
HSC Islamic Studies 2nd Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Islamic Studies 2nd Paper · সৃজনশীল
শেষ চিত্রে শূন্যস্থানে প্রতিস্থাপিত বিষয়টি চিহ্নিত করে এর গ্রহণযোগ…
Dhaka · 2023
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর