ইকরামের উপার্জন ইসলামের দৃষ্টিতে হারাম, সমাজজীবনে এর বিভিন্ন ক্ষতিকর প্রভাব লক্ষণীয়।
প্রতারণার মাধ্যমে বা কাউকে ঠকিয়ে উপার্জন করা ইসলামি শরিয়তে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। চুরি, লুণ্ঠন, জোর-জবরদস্তি কিংবা অন্যের হক নষ্ট করে সম্পদ উপার্জন হারাম হিসেবে বিবেচিত হবে। একইভাবে অনুমতি ব্যতীত কারও জমির সীমানায় চাষ করে অর্থোপার্জন করলে সেটিও হারাম হিসেবে বিবেচিত হবে। ইকরামের উপার্জনে এমনটাই লক্ষণীয়।
উদ্দীপকের ইকরাম জমি চাষ করে উপার্জন করেন। কিন্তু চাষের সময় অন্যের জমির সীমানা ঠিক রাখেননা। অন্যের জমিতে চাষ করে উপার্জন করায় তার এ উপার্জন অবৈধ। কারণ এতে জমির মালিকের হক নষ্ট হয়। ইকরামের এরূপ কর্মকাণ্ডের ফলে সমাজজীবনে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে অনুমতি ব্যতীত কারও জমিতে অন্যায়ভাবে চাষ করার ফলে একে অপরের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। ভ্রাতৃত্ববোধ, সহযোগিতা ও সহমর্মিতার সুদৃঢ় বন্ধনে ভাঙন ধরে। ঝগড়া-বিবাদের ফলে সমাজে মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়। আবার সমাজে এমন কিছু লোক থাকে, যারা এরূপ দ্বন্দ্বে ইন্ধন যোগানোর কাজে লিপ্ত থাকে। তারা একজনের কথা অপরজনকে বলে সমাজে এক অস্থির পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। ফলে ঝগড়া-বিবাদ লেগেই থাকে এবং কল্যাণময় ইসলামি সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা বিঘ্নিত হয়।
সর্বোপরি হারাম উপার্জন ইবাদতকে নষ্ট করে। তাই আমাদের উচিত উপার্জনের ব্যাপারে খুবই সতর্ক থাকা।