উদ্দীপকে উল্লিখিত জনাব রাহাত ইসলামের চতুর্থ স্তম্ভ সাওমের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন ।
সাওম একটি মৌলিক ফরজ ইবাদাত। প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম নরনারীর ওপর সাওম ফরজ। এ সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে ঘোষণা করা হয়েছে— “তোমাদের ওপর সাওম ফরজ করা হলো, যেমন ফরজ করা হয়েছিল পূর্ববর্তী উম্মতগণের ওপর, যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার।” (সূরা আল-বাকারা : ১৮৩) হাদিসে কুদসিতে বর্ণিত আছে, আল্লাহ পাক বলেছেন, “সাওম আমারই জন্য, আমি এর প্রতিদান দেব।” সাওমের গুরুত্ব অপরিসীম। সাওমের সওয়াব অনেক বেশি। যে ব্যক্তি রোযা রাখে সে অশেষ পুণ্যের অধিকারী হয়। মহানবি (সা.) বলেন, “সকল সৎ কাজের পুণ্য দশ গুণ হতে সাতশ গুণ পর্যন্ত হবে। কিন্তু সাওম একমাত্র আল্লাহরই জন্য বিধায় তার পুণ্য আল্লাহ নিজেই দিবেন।” রোযাদার ব্যক্তি নিজে সকল প্রকার কুরিপুকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয় । নবিজি (সা.) বলেছেন, “সাওম ইমানদারদের
জন্য ঢালস্বরূপ।" এ হাদিসটির মাধ্যমে প্রতীয়মান হয়, সাওম পালনকারী সকল প্রকার কুরিপুকে নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যমে সৎ কাজ ও ২ চিন্তার প্রতিফলন ঘটাতে সক্ষম হয়। যা তাকে আল্লাহর নৈকট্য লাভে সহায়তা করে ।সৎ উদ্দীপকে রাহাত বলেন, সাওমের দ্বারাই মানুষের মাঝে সহানুভূতি, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব সৃষ্টি হয় এবং এটি পাপ ও পুণ্যের মাঝে ঢালস্বরূপ। উক্ত আলোচনা শেষে বলা যায়, উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত ইবাদাতটি হলো সাওম বা রোযা ।