প্রশ্নোক্ত বক্ত্যটি একটি হাদিসের অংশবিশেষ। রাসুল (সা.) বলেছেন, “আল্লাহ যার কল্যাণ চান, তাকে দ্বীনের ইলম দান করেন।” অর্থাৎ আল্লাহ যাকে কল্যাণ দান করার ইচ্ছা করেন তাকে শরিয়তের বিধানের আলেম ও বিচক্ষণ বানান। এই বাক্যটি দ্বারা ফিকহশাস্ত্রের গুরুত্ব বোঝানো হয়েছে। আর ইসলামি শরিয়তের ব্যবহারিক দিকের প্রধান ভিত্তি হলো ফিকহশাস্ত্র। ফিকহ ব্যক্তির জীবন শৃঙ্খলা ও শান্তিপূর্ণ করতে পারে। ইসলামের বিধান অনুশীলনের মাধ্যমে মহান আল্লাহর প্রিয়পাত্রে পরিণত হয় এবং ইহকালীন ও পরকালীন কল্যাণ লাভ হয়। আল্লাহ তায়ালা বলেন, “আর যাকে হিকমত বা ফিকহের জ্ঞান দান করা হয়েছে তাকে দেওয়া হয়েছে অশেষ কল্যাণ।" (সূরা আল-বাকারা : ২৬৯) নবি (সা.) বলেন, “আল্লাহ তায়ালা যে ব্যক্তির কল্যাণ সাধনের ইচ্ছা করেন, তিনি তাকে দ্বীন সম্পর্কে সূক্ষ্ম জ্ঞান দান করেন।” (বুখারি ও মুসলিম) হাদিসটিতে জ্ঞানের মাহাত্মকে প্রকাশ করে তা অর্জনের প্রতি উৎসাহ করা হয়েছে।