পরবর্তীতে এই বিদ্যার খুটিনাটি বিষয়গুলো একত্রিত করার প্রয়োজন অনুভূত হয় । অর্থাৎ এই বিদ্যা হলো ফিক্হশাস্ত্র । রাসুল (সা.)-এর ওফাতের পর যখন ইসলাম দিক-দিগন্তে ছড়িয়ে পড়ে তখনই নানাবিধ সমস্যা পরিলক্ষিত হতে থাকে। এসবের সরাসরি কোনো সমাধান কুরআন কিংবা হাদিসে সরাসরি ছিল না। তখন সামাজিক সুবিচার ও ন্যায়নীতি বিঘ্নিত হওয়ার মারাত্মক জন্য একদল আশঙ্কা দেখা দেয়। আর তখনই এ প্রয়োজন উৎপত্তি লাভ নিবেদিত প্রাণ মুজতাহিদদের নিরন্তর সাধনায় ফিক্হশাস্ত্র করে। তাই ইসলামের এই খুটিনাটি বিষয়গুলোকে একত্রিত করে ফিক্হশাস্ত্রের উৎপত্তির ফলে মুসলিম ঐক্য রক্ষা পায়। অন্তহীন সমস্যার পাওয়া যায় যৌক্তিক ও বুদ্ধিভিত্তিক সমাধান। যা থেকে প্রতীয়মান হয় মুসলিম উম্মাহর জীবনধারায় ফিক্হ-এর বাস্তব প্রয়োজন । একে বাদ দিয়ে সুন্দর ও স্বাভাবিক মুসলিম জীবনের কথা চিন্তা করা যায় না। ইসলামি শরিয়তে বা জীববিধানে সব পর্যায়ের ফিক্হ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই মুজতাহিদগণ ছোট ছোট বিষয় তথা খুটিনাটি বিষয়গুলোকে একত্রিত করে, সম্পাদন, সংকলন গ্রন্থাকারের মাধ্যমে সুন্দর একটি শাস্ত্রের উদ্ভব ঘটান, যা ফিক্হশাস্ত্র