উদ্দীপকে বর্ণিত জনাব মহিবুল্লাহ সাহেব ইসলামের দাওয়াত দিতে চান। এ ক্ষেত্রে তিনি যে বৈশিষ্ট্যগুলো অর্জন করবে বলে আমি মনে করি তাহলো-দাঈর আবশ্যকীয় গুণাবলি হলো- ১. দাওয়াতদানকারীকে অবশ্যই সুগভীর ইমানের অধিকারী হতে হবে। আল্লাহ, রাসুল, কিতাব, ফেরেশতা, পরকাল, ভাগ্যের ভালোমন্দ আল্লাহ প্রদত্ত ও মৃত্যুর পর আল্লাহর দরবারে হাজির হওয়া ইত্যাদি বিষয়ে নিশ্চিত ইমান রাখতে হবে। ২. দাওয়াতদানকারীর দ্বিতীয় গুণ হলো-মহান আল্লাহর সাথে তার সুদৃঢ় সম্পর্ক থাকতে হবে। দাওয়াতের কাজে বিশুদ্ধ নিয়ত থাকতে হবে। সে শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে মানুষকে তার দিকে ডাকবে। ৩. পণ্ডিত এবং প্রজ্ঞাবানরাই দাওয়াতের প্রকৃত ধারক-বাহক।একজন দাঈকে অবশ্যই প্রজ্ঞা এবং পান্ডিত্যের অধিকারী হতে হবে। যিনি দাওয়াত দিবেন দাওয়াতের বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিচার-বিশ্লেষণের মাধ্যমে তাঁকে আস্থাবান হতে হবে। ৪. নবি-রাসুলগণ সকলেই ছিলেন উত্তম চরিত্র এবং মহৎগুণের অধিকারী। ফলে নবির ওয়ারিস হিসেবে যারা দাওয়াতের দায়িত্ব পালন করবে তাদেরকে উত্তম চরিত্রের অধিকারী হতে হবে। ইসলামি দাওয়াত মূলত উন্নত চরিত্র গঠনেরই দাওয়াত। ৫. দাওয়াতের ব্যাপারে দাঈকে একাগ্রচিত্ত, সচেতন ও মনোযোগী হতে হবে। সমকালীন প্রেক্ষাপটে দাওয়াতের প্রয়োজনীয়তা দাবি এবং চাহিদা সম্পর্কে দাঈর মনোযোগ নিবন্ধ থাকবে। ৬. সকল মুসলমানের প্রতি ভালো ধারণা পোষণ করা দাঈর অন্যতম গুণ।দিনের দাওয়াত দিতে চাইলে উপরিউক্ত বৈশিষ্ট্যগুলো থাকা আবশ্যক। তাই জনাব মহিবুল্লাহ সাহেবকে এ বৈশিষ্ট্যগুলো অর্জন করতে হবে বলে আমি মনে করি।