শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে যে ধরনের রাষ্ট্রের কথা বলা হয়েছে, সে ধরনের রাষ্ট্রের কী কী বৈশিষ্ট্য থাকে তা উল্লেখ কর।

উত্তর: ইসলামি রাষ্ট্র সাধারণ রাষ্ট্রব্যবস্থা থেকে অনেকটা আলাদা বৈশিষ্ট্যের অধিকারী । ইসলামি রাষ্ট্রের বেশকিছু উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য রয়েছে । ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্টসমূহ হলো- ইসলামি রাষ্ট্র একটি ধর্মভিত্তিক আদর্শিক এবং নিয়ন্ত্রিত গণতান্ত্রিক জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র, কেননা যে রাষ্ট্র ইসলামের মূল উৎস কুরআন-সুন্নাহর বিধিবিধান দ্বারা পরিচালিত হয় তাই হলো ইসলামি রাষ্ট্র। ইসলামি রাষ্ট্রের শাসনতন্ত্রের মূলভিত্তি হবে আল্লাহ ও তার রাসুলের আদেশ-নিষেধ সংবলিত বিধান। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে— إِنِ الْحُكْمُ إِلَّا لِلَّهِ অর্থাৎ, “নিশ্চয়ই, হুকুম দেওয়ার অধিকারী একমাত্র আল্লাহ।” (সূরা আনআম ; ৫৭) তিনি আরও বলেন, الا لَهُ الْخَلْقُ وَالْأَمْرُ অর্থাৎ, “সাবধান! সৃষ্টি যার আইন তার।” (সূরা আল-আরাফ : ৫৪) ইসলামি রাষ্ট্রের শাসনকার্য পরিচালনা হয় আল্লাহর দেওয়া বিধান অনুযায়ী। ইসলামি রাষ্ট্রের মৌলিক বৈশিষ্ট্য হলো সেখানে মানুষের মনগড়া খেয়াল-খুশি অনুযায়ী আইন প্রণয়নের কোনো সুযোগ নেই। আল্লাহর দেওয়া বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের সকল প্রশাসন পরিচালিত হবে। সাধারণ ও আধুনিক রাষ্ট্রের যে চারটি উপাদান রয়েছে ইসলামি রাষ্ট্রেরও সে চারটি মৌলিক উপাদান আছে; যথা-- জনসমষ্টি, নির্দিষ্ট ভূখণ্ড, সরকার ও সার্বভৌমত্ব। তবে ইসলামি রাষ্ট্রের এ উপাদানগুলোর সংজ্ঞা আলাদা। যেমন জনসমষ্টি বলতে এমন জনসমষ্টিকে বোঝায় যারা আল্লাহর নির্দেশ মেনে চলে। নির্দিষ্ট ভূখণ্ড বলতে এমন ভূখণ্ড যেখানে আল্লাহর দেওয়া বিধান কার্যকর হয়। সরকার বলতে এমন সরকার বোঝায়, যে সরকার আল্লাহর বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করে। সার্বভৌমত্ব বলতে বোঝায় সকল প্রকার সার্বভৌমত্বের মালিক একমাত্র আল্লাহ তায়ালা। ইসলামি রাষ্ট্র এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা যা বংশ, ভাষা এবং ভৌগোলিক জাতীয়তার পরিবর্তে শুধু নীতি ও আদর্শের ওপর প্রতিষ্ঠিত। ইসলামি রাষ্ট্রের প্রশাসন পরিচালিত হবে সততা, বিশ্বস্ততা, পক্ষপাতমুক্ত নিৰ্ভীক ইনসাফ ও সুবিচারের ভিত্তিতে। উদ্দীপকে বর্ণিত হয়েছে, একমাত্র ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই ইসলাম তথা আল্লাহর আইনের বাস্তবায়ন, মানবতার কল্যাণ এবং ইমানি দাবি পূরণ করা সম্ভব। আর এগুলো ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্যের অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং বলা যায়, ইসলামি রাষ্ট্রের উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যসমূহ রয়েছে।

HSC Islamic Studies 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic Studies 1st Paper · সৃজনশীল

উদ্দীপকে যে ধরনের রাষ্ট্রের কথা বলা হয়েছে, সে ধরনের রাষ্ট্রের কী ক…

উদ্দীপক

মহান আল্লাহ তায়ালা মানুষকে তাঁরই খলিফা হিসেবে সৃষ্টি। করেছেন। তাদেরকে এ পৃথিবী পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছেন। শরিয়তের আইন কার্যকরী করার জন্য ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। একটি অপরিহার্য কর্তব্য। মহানবি (সা.) সর্বপ্রথম মদিনায় ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে এর সূত্রপাত করেন। জীবনের এমন কোনো দিক নেই, যা ইসলামি শরিয়তে কোনো নির্দেশ পাওয়া যায় না। একমাত্র। ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই ইসলাম তথা আল্লাহর আইনের বাস্তবায়ন, মানবতার কল্যাণ এবং ইমানি দাবি পূরণ করা সম্ভব।

উত্তর

সাধারণত রাষ্ট্রের চারটি উপাদানই ইসলামি রাষ্ট্রের উপাদান- যথা— ১. জঁনসমষ্টি, ২. ভূখণ্ড, ৩. সরকার ও ৪. মহান আল্লাহর সার্বভৌমত্ব।

উত্তর

ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা কোনো মানুষের আবিষ্কার বা যুগের চাহিদামাফিক বক্তব্য নয়। বরং ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থার মূল উৎস হচ্ছে পবিত্র কুরআন ও রাসুল (সা.)-এর আদর্শ। রাজনৈতিক পরিস্থিতি যেহেতু স্থিতিশীল কোনো বিষয় নয় বরং তা যুগ ও সময়ের সাথে চলমান, তাই কুরআন ও হাদিসে কেবল ইসলামি রাজনীতির মূলনীতিসমূহ দেওয়া হয়েছে। বাকি খুঁটিনাটি বিষয় রচনা করার ভার সমসাময়িক যুগের বিশেষজ্ঞদের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। তারা ইসলামি রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে যুগের চাহিদা মোতাবেক কুরআন ও সুন্নাহর ভিত্তিতে রচনা করবেন। কাজেই দেখা যায়, ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থার মূল উৎস হচ্ছে ৪টি। যথা- ১. কুরআন, ২. সুন্নাহ, ৩. উম্মতের ইজমা ও ৪. কিয়াস।

উত্তর

সকল রাষ্ট্রের-ই গঠনপ্রণালি থাকে। উদ্দীপকে উল্লিখিত ইসলামি রাষ্ট্রেরও নির্দিষ্ট গঠনপ্রণালি রয়েছে। ইসলামি রাষ্ট্রে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত একজন আমির বা রাষ্ট্রপ্রধান থাকবেন। রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচিত করতে হবে এমন সক্ষম পুরুষকে যিনি যোগ্য, সৎ, খোদাভীরু ও খাঁটি মুসলমান। ইসলামি রাষ্ট্রের শাসনতন্ত্র হবে কুরআন ও হাদিসের আলোকে। এ দুটির সমন্বয়ে রাষ্ট্রের প্রতিটি বিধিবিধান প্রণীত ও পরিচালিত হবে। রাষ্ট্রপ্রধানকে রাষ্ট্র পরিচালনায় যাবতীয় কর্মকাণ্ডে পরামর্শ দেওয়ার জন্য একটি মজলিস-উশ-শূরা বা পরামর্শ সভা থাকবে। জনগণের পূর্ণ সমর্থন ও রাষ্ট্রপ্রধানের সম্মতিক্রমে মজলিস-উশ-শুরার সদস্যবৃন্দ নির্বাচিত হবেন। রাষ্ট্রপ্রধান ও মজলিস-উশ-শুরা যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন, তা ইসলামি মূল্যবোধ মোতাবেক ও কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক হতে হবে। এখানে ব্যক্তিগত স্বার্থ বা কৃতিত্ব অর্জনের জন্য ইসলামি বিধান বহির্ভূত কিছু করতে পারবে না। সরকার পরিচালনা, শান্তি- শৃঙ্খলা রক্ষা, জনগণের উন্নতি ও অগ্রগতি সবকিছুতেই ইসলামি শরিয়ত প্রতিষ্ঠা করাই হচ্ছে ইসলামি রাষ্ট্রের উদ্দেশ্য। অতএব এটি নিঃসন্দেহে বলা যায় যে, উদ্দীপকে উল্লিখিত ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থায় কুরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী, আইন জারি ও প্রতিষ্ঠা করাই । মূল লক্ষ্য। মানুষের গড়া কোনো আইন সেখানে স্থান পাবে না। এরূপ রাষ্ট্রই ইহ ও পরকালীন শান্তি ও মুক্তি দিতে পারে।

উত্তর

ইসলামি রাষ্ট্র সাধারণ রাষ্ট্রব্যবস্থা থেকে অনেকটা আলাদা বৈশিষ্ট্যের অধিকারী । ইসলামি রাষ্ট্রের বেশকিছু উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য রয়েছে । ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্টসমূহ হলো- ইসলামি রাষ্ট্র একটি ধর্মভিত্তিক আদর্শিক এবং নিয়ন্ত্রিত গণতান্ত্রিক জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র, কেননা যে রাষ্ট্র ইসলামের মূল উৎস কুরআন-সুন্নাহর বিধিবিধান দ্বারা পরিচালিত হয় তাই হলো ইসলামি রাষ্ট্র। ইসলামি রাষ্ট্রের শাসনতন্ত্রের মূলভিত্তি হবে আল্লাহ ও তার রাসুলের আদেশ-নিষেধ সংবলিত বিধান। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে— إِنِ الْحُكْمُ إِلَّا لِلَّهِ অর্থাৎ, “নিশ্চয়ই, হুকুম দেওয়ার অধিকারী একমাত্র আল্লাহ।” (সূরা আনআম ; ৫৭) তিনি আরও বলেন, الا لَهُ الْخَلْقُ وَالْأَمْرُ অর্থাৎ, “সাবধান! সৃষ্টি যার আইন তার।” (সূরা আল-আরাফ : ৫৪) ইসলামি রাষ্ট্রের শাসনকার্য পরিচালনা হয় আল্লাহর দেওয়া বিধান অনুযায়ী। ইসলামি রাষ্ট্রের মৌলিক বৈশিষ্ট্য হলো সেখানে মানুষের মনগড়া খেয়াল-খুশি অনুযায়ী আইন প্রণয়নের কোনো সুযোগ নেই। আল্লাহর দেওয়া বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের সকল প্রশাসন পরিচালিত হবে। সাধারণ ও আধুনিক রাষ্ট্রের যে চারটি উপাদান রয়েছে ইসলামি রাষ্ট্রেরও সে চারটি মৌলিক উপাদান আছে; যথা-- জনসমষ্টি, নির্দিষ্ট ভূখণ্ড, সরকার ও সার্বভৌমত্ব। তবে ইসলামি রাষ্ট্রের এ উপাদানগুলোর সংজ্ঞা আলাদা। যেমন জনসমষ্টি বলতে এমন জনসমষ্টিকে বোঝায় যারা আল্লাহর নির্দেশ মেনে চলে। নির্দিষ্ট ভূখণ্ড বলতে এমন ভূখণ্ড যেখানে আল্লাহর দেওয়া বিধান কার্যকর হয়। সরকার বলতে এমন সরকার বোঝায়, যে সরকার আল্লাহর বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করে। সার্বভৌমত্ব বলতে বোঝায় সকল প্রকার সার্বভৌমত্বের মালিক একমাত্র আল্লাহ তায়ালা। ইসলামি রাষ্ট্র এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থা যা বংশ, ভাষা এবং ভৌগোলিক জাতীয়তার পরিবর্তে শুধু নীতি ও আদর্শের ওপর প্রতিষ্ঠিত। ইসলামি রাষ্ট্রের প্রশাসন পরিচালিত হবে সততা, বিশ্বস্ততা, পক্ষপাতমুক্ত নিৰ্ভীক ইনসাফ ও সুবিচারের ভিত্তিতে। উদ্দীপকে বর্ণিত হয়েছে, একমাত্র ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই ইসলাম তথা আল্লাহর আইনের বাস্তবায়ন, মানবতার কল্যাণ এবং ইমানি দাবি পূরণ করা সম্ভব। আর এগুলো ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্যের অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং বলা যায়, ইসলামি রাষ্ট্রের উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যসমূহ রয়েছে।
HSCIslamic Studies 1st Paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর ইয়াকুব হোসেন ইসলামি শিক্ষার ক্লাসে আলোচনার এক পর্যায়ে বলেন, মানুষ পরস্পর ভাই-ভাই, তাদের আদি উৎস আদম ও হাওয়া (আ)। তাইতো আল্লাহপাক বলেন, 'মানুষ একই উম্মাহর অন্তর্ভুক্ত'।Q. একজন দাঈর বৈশিষ্ট্য হলো-
i. বয়ঃবৃদ্ধ হওয়া
ii. আমলদার হওয়া
iii. উপস্থিত বুদ্ধি থাকানিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর ইয়াকুব হোসেন ইসলামি শিক্ষার ক্লাসে আলোচনার এক পর্যায়ে বলেন, মানুষ পরস্পর ভাই-ভাই, তাদের আদি উৎস আদম ও হাওয়া (আ)। তাইতো আল্লাহপাক বলেন, 'মানুষ একই উম্মাহর অন্তর্ভুক্ত'।Q. উদ্দীপকে প্রফেসর ইয়াকুব কীসের প্রতি ইঙ্গিত করেন?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর মিজানুর রহমান বিখ্যাত গ্রিক পণ্ডিত এরিস্টটলের অনুকরণে একটি গ্রন্থ রচনা করেন। উক্ত গ্রন্থে তিনি জগৎ ও প্রকৃতির সাথে মানুষের সম্পর্ক ও বস্তুর চিরন্তনতা বিষয়ে আলোচনা করেন। তবে তিনি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন একাদশ-দ্বাদশ শতাব্দীর সেইসব মুসলিম বিজ্ঞানীদের যারা বস্তুর আয়তন, পরিধি ও সমীকরণ বিষয়ে ব্যাপক গবেষণা করেন ও এ ক্ষেত্রে নতুন নতুন শাখা উদ্ভাবন করেন।Q. উদ্দীপকে উল্লিখিত একাদশ-দ্বাদশ শতাব্দীর গবেষণার ফলে-
i. দর্শনে ব্যাপক উন্নতি হয়
ii. জ্যামিতি শাস্ত্রে ব্যাপক উন্নতি হয়
iii. ক্যালকুলাস ব্যাপক সমৃদ্ধ হয়নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর মিজানুর রহমান বিখ্যাত গ্রিক পণ্ডিত এরিস্টটলের অনুকরণে একটি গ্রন্থ রচনা করেন। উক্ত গ্রন্থে তিনি জগৎ ও প্রকৃতির সাথে মানুষের সম্পর্ক ও বস্তুর চিরন্তনতা বিষয়ে আলোচনা করেন। তবে তিনি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন একাদশ-দ্বাদশ শতাব্দীর সেইসব মুসলিম বিজ্ঞানীদের যারা বস্তুর আয়তন, পরিধি ও সমীকরণ বিষয়ে ব্যাপক গবেষণা করেন ও এ ক্ষেত্রে নতুন নতুন শাখা উদ্ভাবন করেন।Q. উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রফেসর মিজানুর রহমানের গ্রন্থের সাথে নিচের কোন গ্রন্থের মিল রয়েছে?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.মদিনা সনদের স্বাক্ষরকারী পক্ষগুলো হলো-

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.নিচের কোনটিতে এক পঞ্চমাংশ কর দিতে হয়?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.প্রকৃতপক্ষে যা নয় তা প্রকাশ করাকে কী বলে?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: 'ক' নামক শহরে নগর জীবনের ব্যস্ততা ভুলে সর্বশ্রেণির মানুষ পারস্পরিক সহযোগিতা ও উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণ করে। তারা নগরের সমাজবিরোধী কাজ প্রতিরোধ করে, নামাজ, রোজা ও ঈদ উৎসব পালন করে। এক ঈদের খুতবায় খতিব সাহেব বললেন, নগরের টেকসই শান্তির জন্য মসজিদকে কার্যকর করা কর্তব্য।Q . খতিব সাহেবের নির্দেশনা কার্যকর হলে নগরে-
i. সামাজিক অপরাধ হ্রাস পাবে
ii. মসজিদের সংখ্যা বেড়ে যাবে
iii. ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় হবেনিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: 'ক' নামক শহরে নগর জীবনের ব্যস্ততা ভুলে সর্বশ্রেণির মানুষ পারস্পরিক সহযোগিতা ও উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণ করে। তারা নগরের সমাজবিরোধী কাজ প্রতিরোধ করে, নামাজ, রোজা ও ঈদ উৎসব পালন করে। এক ঈদের খুতবায় খতিব সাহেব বললেন, নগরের টেকসই শান্তির জন্য মসজিদকে কার্যকর করা কর্তব্য।Q . 'ক' নামক শহরে কীসের প্রতিফলন লক্ষণীয়?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.মুসলিম বিজ্ঞানীদের ভূগোল চর্চার ফলে-

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.হযরত খানজাহান আলী (রহ.) ইসলাম প্রচার করেন কোন অঞ্চলে?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.খিদমতে খালক অর্থ কী?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর ইয়াকুব হোসেন ইসলামি শিক্ষার ক্লনিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর ইয়াকুব হোসেন ইসলামি শিক্ষার ক্লনিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর মিজানুর রহমান বিখ্যাত গ্রিক পণ্নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর মিজানুর রহমান বিখ্যাত গ্রিক পণ্মদিনা সনদের স্বাক্ষরকারী পক্ষগুলো হলো-নিচের কোনটিতে এক পঞ্চমাংশ কর দিতে হয়?প্রকৃতপক্ষে যা নয় তা প্রকাশ করাকে কী বলে?নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: 'ক' নামক শহরে নগর জীবনের ব্যস্ততা ভুলেনিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: 'ক' নামক শহরে নগর জীবনের ব্যস্ততা ভুলেমুসলিম বিজ্ঞানীদের ভূগোল চর্চার ফলে-হযরত খানজাহান আলী (রহ.) ইসলাম প্রচার করেন কোন অঞ্চলে?খিদমতে খালক অর্থ কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।