শেয়ারFacebookWhatsApp

উক্ত রাষ্ট্রের নাগরিকদের কর্তব্যসমূহ বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: ইসলামি রাষ্ট্রের নাগরিকেরা হলো ইসলামি রাষ্ট্রের অতন্দ্রপ্রহরী। তারা রাষ্ট্রকে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত রাখার জন্য সর্বদা সতর্ক পথ চলে। তারা রাষ্ট্রের প্রতি তাদের কর্তব্যগুলো যথাযথভাবে পালন করে। ইসলামি রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকের যেসব কর্তব্য রয়েছে তা হলো- ১. রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকের সর্বপ্রথম ও প্রধান কর্তব্য আনুগত্য করা। আল্লাহ ও রাসুলের আনুগত্যের সাথে সাথে রাষ্ট্রেরও আনুগত্য করা আবশ্যক। ২. রাষ্ট্র তথা জনগণের কল্যাণের জন্য প্রণীত রাষ্ট্রের আইন মেনে চলা নাগরিকের কর্তব্য। ৩. নাগরিকগণ নিজেরা রাষ্ট্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি থেকে বিরত থাকবে এবং অন্যদেরও বিরত রাখবে। ৪. দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করা নাগরিকের অন্যতম কর্তব্য। প্রয়োজনে জানমাল সবকিছু কুরবান করতে হবে। সাহাবিগণ (রা.) সর্বস্ব ত্যাগ করতে প্রস্তুত থাকতেন। ৫. কল্যাণ রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা, উন্নয়ন ইত্যাদি খাতে অর্থ ব্যয় করতে হয়। রাষ্ট্রের তথা জনগণের সার্বিক কল্যাণে যে কর ধার্য করা হয়, তা এবং জাকাত, সাদকাহ ইত্যাদি আদায় করা নাগরিকের কর্তব্য। ৬. প্রত্যেক নাগরিককেই রাষ্ট্রের কল্যাণকামী হতে হবে এবং দেশকে ভালোবাসতে হবে। ৭. ইসলামি রাষ্ট্র যদি রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থে কোনো নাগরিকের কোনো পদে নিযুক্ত করা আবশ্যক মনে করে, তাহলে নাগরিকের ব্যক্তিগত কোনো অসুবিধা থাকা সত্ত্বেও দেশ ও জাতির কল্যাণের জন্য তা গ্রহণ করতে হবে। ৮. রাষ্ট্রের যেকোনো কল্যাণমূলক কাজে সহযোগিতা করা নাগরিকের কর্তব্য। তবে রাষ্ট্র যদি জনস্বার্থ বিরোধী কোনো কাজে সহযোগিতা চায়, তবে তাতে সহযোগিতা করা যাবে না। ৯. নাগরিক রাষ্ট্রের কোনো বেআইনি কার্যকলাপে জড়িত হবে না।যেমন- ঘুষের লেনদেন করা যাবে না। কালোবাজারি, চোরাকারবারি ইত্যাদি গর্হিত কার্যাবলি থেকে বিরত থাকতে হবে।উদ্দীপকে বর্ণিত হয়েছে, ফাহিমা তার বন্ধুকে উদ্দেশ্য করে বলছে যে, সে যে রাষ্ট্রে বসবাস করে, সে রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিক রাষ্ট্রের প্রতি কর্তব্যগুলো যথাযথভাবে পালন করে। পরিশেষে বলা যায়, ইসলামি রাষ্ট্রে মুসলিম নাগরিকের যেরূপ কর্তব্য রয়েছে তেমনি অমুসলিম নাগরিকদেরও কর্তব্য রয়েছে। দেশের সকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে হলে তাদেরকে উপরিউক্ত কর্তব্য পালন করা উচিত।

HSC Islamic Studies 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic Studies 1st Paper · সৃজনশীল

উক্ত রাষ্ট্রের নাগরিকদের কর্তব্যসমূহ বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপক

ফাহিমা তার বিদেশি বন্ধু পিটারকে বলছে, তোমার দেশে নাগরিকরা কি রাষ্ট্রের প্রতি তাদের কর্তব্যগুলো যথাযথভাবে পালন করে থাকে? জবাবে পিটার বলে, না আমার দেশে অনেক ক্ষেত্রেই নাগরিকরা রাষ্ট্রের আইন মেনে চলে না, শৃঙ্খলা রক্ষা করে চলে না। এ কথা শুনে ফাহিমা তার বন্ধুকে বলছে- জান, আমি যে রাষ্ট্রে বাস করি এখানকার প্রতিটি নাগরিক রাষ্ট্রের প্রতি তাদের কর্তব্যসমূহ যথাযথভাবে পালন করে থাকে।

উত্তর

মানব সমাজের সর্বোত্তম সামাজিক সংগঠন হলো ইসলামি রাষ্ট্র।

উত্তর

ইসলামি অর্থব্যবস্থাকে সুষম অর্থব্যবস্থা বলা হয়। কারণ এ অর্থব্যবস্থায় অর্থসম্পদ জনগণের মাঝে সুষমভাবে বণ্টন করা হয়। এ ব্যবস্থায় সম্পদের মালিকানা মহান আল্লাহর ঘোষিত হলেও ব্যক্তিমালিকানা এখানে স্বীকৃত। কিন্তু ব্যক্তি আল্লাহ প্রদত্ত নীতিমালার আলোকে সম্পদের ভোগ, বণ্টন ও পরিচালনা করতে হয়। এজন্য। ধনীদের সম্পদ হতে গরিবদের প্রদানের জন্য জাকাত, সাদাকাহর। বিধান করা হয়েছে। যাতে সম্পদ শুধুমাত্র ধনীর নিকট পুঞ্জীভূত না হয় এবং সবার মাঝে সম্পদের প্রবাহ বিদ্যমান থাকে। আর এজন্যই। এটি সুষম অর্থব্যবস্থা।

উত্তর

ফাহিমা যে রাষ্ট্রে বাস করে সে রাষ্ট্রের নাগরিকেরা রাষ্ট্রের প্রতি তাদের কর্তব্যসমূহ যথাযথভাবে পালন করে। এর থেকে অনুমিত হয়, ফাহিমা ইসলামি রাষ্ট্রে বসবাস করে। কারণ নাগরিকের এরকম বৈশিষ্ট্য ইসলামি রাষ্ট্রেই পরিলক্ষিত হয়। ইসলামি রাষ্ট্রের কতকগুলো নিজস্ব বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্যাবলি নিম্নরূপ- ১. ইসলামি রাষ্ট্রের আদর্শ হলো এর শাসনতন্ত্র, বিধি-বিধান আল্লাহ প্রদত্ত এবং রাসুল (সা.) তাঁর বাস্তব জীবনে পালন করে এর বাস্তব ব্যাখ্যা দিয়েছেন। আল্লাহ প্রদত্ত বিধান ন্যায়বিচার ও ন্যায়নীতিভিত্তিক। ২. ইসলামি রাষ্ট্র কোনো ভৌগোলিক সীমারেখা, ভাষা বা বর্ণভিত্তিক নয়, এটি আদর্শিক চিন্তাভিত্তিক। ৩. ইসলামি রাষ্ট্রে আল্লাহ তায়ালার বিধিবিধানই জারি থাকবে, অন্যকোনো মানুষের নয়। সর্বোত্তম, সর্বশক্তিমান আল্লাহর বিধান সর্বোত্তম, সর্বসুন্দর নিখুঁত ও পূর্ণাঙ্গ। ৪. ইসলামি রাষ্ট্রে সকল মানুষ সমান। বর্ণ, ভাষা বা গোত্রের ভিত্তিতে কারও শ্রেষ্ঠত্ব নেই। শ্রেষ্ঠত্বের মাপকাঠি হলো জ্ঞান, বুদ্ধি, যোগ্যতা এবং সর্বোপরি তাকওয়া ও বিশ্বস্ততা। ৫. ইসলামি রাষ্ট্রের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো দ্বীন প্রতিষ্ঠা করা, সালাত প্রতিষ্ঠা করা, দ্বীনের আহকাম প্রতিষ্ঠা করা। ৬. ইসলামি রাষ্ট্রে সকল নাগরিকের মৌলিক অধিকারের স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ৭. ইসলামি রাষ্ট্রের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, এটি একটি জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র। ৮. ইসলামি রাষ্ট্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো যে, এর সার্বভৌমত্ব একমাত্র আল্লাহ তায়ালার; কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা সরকারের নয়। পরিশেষে বলা যায়, ইসলামি রাষ্ট্রে সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক একমাত্র আল্লাহ। মানুষ আল্লাহর প্রতিনিধি হিসেবে কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক রাষ্ট্র পরিচালনা করবে। নিজের মনগড়া কোনো আইন থাকবে না। এখানে সবকিছুই হবে কুরআন, সুন্নাহ তথা ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক। এগুলোই ফাহিমের রাষ্ট্র তথা ইসলামি রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য।

উত্তর

ইসলামি রাষ্ট্রের নাগরিকেরা হলো ইসলামি রাষ্ট্রের অতন্দ্রপ্রহরী। তারা রাষ্ট্রকে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত রাখার জন্য সর্বদা সতর্ক পথ চলে। তারা রাষ্ট্রের প্রতি তাদের কর্তব্যগুলো যথাযথভাবে পালন করে। ইসলামি রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকের যেসব কর্তব্য রয়েছে তা হলো- ১. রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকের সর্বপ্রথম ও প্রধান কর্তব্য আনুগত্য করা। আল্লাহ ও রাসুলের আনুগত্যের সাথে সাথে রাষ্ট্রেরও আনুগত্য করা আবশ্যক। ২. রাষ্ট্র তথা জনগণের কল্যাণের জন্য প্রণীত রাষ্ট্রের আইন মেনে চলা নাগরিকের কর্তব্য। ৩. নাগরিকগণ নিজেরা রাষ্ট্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি থেকে বিরত থাকবে এবং অন্যদেরও বিরত রাখবে। ৪. দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করা নাগরিকের অন্যতম কর্তব্য। প্রয়োজনে জানমাল সবকিছু কুরবান করতে হবে। সাহাবিগণ (রা.) সর্বস্ব ত্যাগ করতে প্রস্তুত থাকতেন। ৫. কল্যাণ রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা, উন্নয়ন ইত্যাদি খাতে অর্থ ব্যয় করতে হয়। রাষ্ট্রের তথা জনগণের সার্বিক কল্যাণে যে কর ধার্য করা হয়, তা এবং জাকাত, সাদকাহ ইত্যাদি আদায় করা নাগরিকের কর্তব্য। ৬. প্রত্যেক নাগরিককেই রাষ্ট্রের কল্যাণকামী হতে হবে এবং দেশকে ভালোবাসতে হবে। ৭. ইসলামি রাষ্ট্র যদি রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থে কোনো নাগরিকের কোনো পদে নিযুক্ত করা আবশ্যক মনে করে, তাহলে নাগরিকের ব্যক্তিগত কোনো অসুবিধা থাকা সত্ত্বেও দেশ ও জাতির কল্যাণের জন্য তা গ্রহণ করতে হবে। ৮. রাষ্ট্রের যেকোনো কল্যাণমূলক কাজে সহযোগিতা করা নাগরিকের কর্তব্য। তবে রাষ্ট্র যদি জনস্বার্থ বিরোধী কোনো কাজে সহযোগিতা চায়, তবে তাতে সহযোগিতা করা যাবে না। ৯. নাগরিক রাষ্ট্রের কোনো বেআইনি কার্যকলাপে জড়িত হবে না।যেমন- ঘুষের লেনদেন করা যাবে না। কালোবাজারি, চোরাকারবারি ইত্যাদি গর্হিত কার্যাবলি থেকে বিরত থাকতে হবে।উদ্দীপকে বর্ণিত হয়েছে, ফাহিমা তার বন্ধুকে উদ্দেশ্য করে বলছে যে, সে যে রাষ্ট্রে বসবাস করে, সে রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিক রাষ্ট্রের প্রতি কর্তব্যগুলো যথাযথভাবে পালন করে। পরিশেষে বলা যায়, ইসলামি রাষ্ট্রে মুসলিম নাগরিকের যেরূপ কর্তব্য রয়েছে তেমনি অমুসলিম নাগরিকদেরও কর্তব্য রয়েছে। দেশের সকল সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে হলে তাদেরকে উপরিউক্ত কর্তব্য পালন করা উচিত।
HSCIslamic Studies 1st Paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর ইয়াকুব হোসেন ইসলামি শিক্ষার ক্লাসে আলোচনার এক পর্যায়ে বলেন, মানুষ পরস্পর ভাই-ভাই, তাদের আদি উৎস আদম ও হাওয়া (আ)। তাইতো আল্লাহপাক বলেন, 'মানুষ একই উম্মাহর অন্তর্ভুক্ত'।Q. একজন দাঈর বৈশিষ্ট্য হলো-
i. বয়ঃবৃদ্ধ হওয়া
ii. আমলদার হওয়া
iii. উপস্থিত বুদ্ধি থাকানিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর ইয়াকুব হোসেন ইসলামি শিক্ষার ক্লাসে আলোচনার এক পর্যায়ে বলেন, মানুষ পরস্পর ভাই-ভাই, তাদের আদি উৎস আদম ও হাওয়া (আ)। তাইতো আল্লাহপাক বলেন, 'মানুষ একই উম্মাহর অন্তর্ভুক্ত'।Q. উদ্দীপকে প্রফেসর ইয়াকুব কীসের প্রতি ইঙ্গিত করেন?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • মানবাধিকার
  • ইসলামি ভ্রাতৃত্ব
  • আদর্শিক ভ্রাতৃত্ব
  • বিশ্বভ্রাতৃত্ব

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর মিজানুর রহমান বিখ্যাত গ্রিক পণ্ডিত এরিস্টটলের অনুকরণে একটি গ্রন্থ রচনা করেন। উক্ত গ্রন্থে তিনি জগৎ ও প্রকৃতির সাথে মানুষের সম্পর্ক ও বস্তুর চিরন্তনতা বিষয়ে আলোচনা করেন। তবে তিনি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন একাদশ-দ্বাদশ শতাব্দীর সেইসব মুসলিম বিজ্ঞানীদের যারা বস্তুর আয়তন, পরিধি ও সমীকরণ বিষয়ে ব্যাপক গবেষণা করেন ও এ ক্ষেত্রে নতুন নতুন শাখা উদ্ভাবন করেন।Q. উদ্দীপকে উল্লিখিত একাদশ-দ্বাদশ শতাব্দীর গবেষণার ফলে-
i. দর্শনে ব্যাপক উন্নতি হয়
ii. জ্যামিতি শাস্ত্রে ব্যাপক উন্নতি হয়
iii. ক্যালকুলাস ব্যাপক সমৃদ্ধ হয়নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর মিজানুর রহমান বিখ্যাত গ্রিক পণ্ডিত এরিস্টটলের অনুকরণে একটি গ্রন্থ রচনা করেন। উক্ত গ্রন্থে তিনি জগৎ ও প্রকৃতির সাথে মানুষের সম্পর্ক ও বস্তুর চিরন্তনতা বিষয়ে আলোচনা করেন। তবে তিনি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন একাদশ-দ্বাদশ শতাব্দীর সেইসব মুসলিম বিজ্ঞানীদের যারা বস্তুর আয়তন, পরিধি ও সমীকরণ বিষয়ে ব্যাপক গবেষণা করেন ও এ ক্ষেত্রে নতুন নতুন শাখা উদ্ভাবন করেন।Q. উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রফেসর মিজানুর রহমানের গ্রন্থের সাথে নিচের কোন গ্রন্থের মিল রয়েছে?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • কিতাব আশ-শিফা
  • কানুন ফিত তিব্ব
  • সুরাতুল আরদ
  • শাহনামা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.মদিনা সনদের স্বাক্ষরকারী পক্ষগুলো হলো-

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • আউস ও খাজরাজ
  • মুসলিম ও কুরাইশ
  • মুসলিম ও মদিনার বিভিন্ন গোত্র
  • কুরাইশ, ইয়াহুদী ও খ্রিষ্টান

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.নিচের কোনটিতে এক পঞ্চমাংশ কর দিতে হয়?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • খনিজ সম্পদে
  • উশরি জমির ফসলে
  • খারাজি জমির ফসলে
  • পশুর জাকাতে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.প্রকৃতপক্ষে যা নয় তা প্রকাশ করাকে কী বলে?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • সততা
  • শঠতা
  • মিথ্যা
  • অবাস্তব

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: 'ক' নামক শহরে নগর জীবনের ব্যস্ততা ভুলে সর্বশ্রেণির মানুষ পারস্পরিক সহযোগিতা ও উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণ করে। তারা নগরের সমাজবিরোধী কাজ প্রতিরোধ করে, নামাজ, রোজা ও ঈদ উৎসব পালন করে। এক ঈদের খুতবায় খতিব সাহেব বললেন, নগরের টেকসই শান্তির জন্য মসজিদকে কার্যকর করা কর্তব্য।Q . খতিব সাহেবের নির্দেশনা কার্যকর হলে নগরে-
i. সামাজিক অপরাধ হ্রাস পাবে
ii. মসজিদের সংখ্যা বেড়ে যাবে
iii. ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় হবেনিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: 'ক' নামক শহরে নগর জীবনের ব্যস্ততা ভুলে সর্বশ্রেণির মানুষ পারস্পরিক সহযোগিতা ও উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণ করে। তারা নগরের সমাজবিরোধী কাজ প্রতিরোধ করে, নামাজ, রোজা ও ঈদ উৎসব পালন করে। এক ঈদের খুতবায় খতিব সাহেব বললেন, নগরের টেকসই শান্তির জন্য মসজিদকে কার্যকর করা কর্তব্য।Q . 'ক' নামক শহরে কীসের প্রতিফলন লক্ষণীয়?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • ইসলামি সমাজব্যবস্থা
  • বিশ্ব ভাতৃত্ববোধ
  • নাগরিক অধিকার
  • ইমামের কর্তব্যবোধ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.মুসলিম বিজ্ঞানীদের ভূগোল চর্চার ফলে-

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • পৃথিবী বাসযোগ্য হয়
  • জীব বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পায়
  • কিবলা নির্ধারণ সহজ হয়
  • জ্যোতিঃশাস্ত্র উন্নত হয়

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.হযরত খানজাহান আলী (রহ.) ইসলাম প্রচার করেন কোন অঞ্চলে?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • চট্টগ্রাম
  • সিলেট
  • বরিশাল
  • খুলনা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.খিদমতে খালক অর্থ কী?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • আল্লাহর সাহায্য
  • সৃষ্টির অধিকার
  • সৃষ্টির প্রতি দয়া
  • সৃষ্টির সেবা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর ইয়াকুব হোসেন ইসলামি শিক্ষার ক্লনিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর ইয়াকুব হোসেন ইসলামি শিক্ষার ক্লনিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর মিজানুর রহমান বিখ্যাত গ্রিক পণ্নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর মিজানুর রহমান বিখ্যাত গ্রিক পণ্মদিনা সনদের স্বাক্ষরকারী পক্ষগুলো হলো-নিচের কোনটিতে এক পঞ্চমাংশ কর দিতে হয়?প্রকৃতপক্ষে যা নয় তা প্রকাশ করাকে কী বলে?নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: 'ক' নামক শহরে নগর জীবনের ব্যস্ততা ভুলেনিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: 'ক' নামক শহরে নগর জীবনের ব্যস্ততা ভুলেমুসলিম বিজ্ঞানীদের ভূগোল চর্চার ফলে-হযরত খানজাহান আলী (রহ.) ইসলাম প্রচার করেন কোন অঞ্চলে?খিদমতে খালক অর্থ কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।