শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টি প্রণয়নে কী লাভ হয়েছে তা বিশ্লেষণ কর।

উত্তর: উদ্দীপকে উল্লিখিত মদিনা সনদ সম্পাদনের মাধ্যমে মদিনায় শান্তি প্রতিষ্ঠা লাভ করে এবং এর রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধান হন হযরত মুহাম্মদ (সা.)। মদিনা সনদে উল্লিখিত নীতিমালার মাধ্যমে হযরত মুহাম্মদ (সা.) যে রাষ্ট্রব্যবস্থার পত্তন করেছিলেন তার প্রত্যক্ষ প্রভাব তদানীন্তন বিশ্বের সর্বত্র প্রতিফলিত হয়েছিল। হযরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনা সনদের মাধ্যমে মদিনার প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করেছিলেন। তিনি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠারও দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছিলেন। তিনি মুসলিম ও অমুসলিমদের ধর্মে পূর্ণ স্বাধীনতা ও নিশ্চয়তা বিধান করেছিলেন। ধর্মীয় ক্ষেত্রে এ সহিষ্ণুতার নীতি বিশ্বের ইতিহাসে বিরল। মদিনা সনদ মুসলিম ও অমুসলিমদের ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবন্ধ করে তাদের মন থেকে হিংসা-বিদ্বেষ দূর করে। ফলে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক কলহের অবসান ঘটে।মদিনা সনদ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকদের মধ্যে গোত্রশক্তির ধারণা তিরোহিত করে তাদেরকে এক রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় সমবেত করে। ফলে তাদের মধ্যে রাজনৈতিক ঐক্য স্থাপিত হয় এবং তারা একটি সুসংহত জাতিতে পরিণত হয়। মদিনা সনদের ঘোষণার পর বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকেরা তারা একত্রে মিলেমিশে বসবাস করার সুযোগ পায়। ফলে যৌথশক্তির ধারণার সৃষ্টি হয় এবং তা বিস্তার লাভ করে। ফলশ্রুতিতে মদিনায় বিশৃঙ্খল রাজনৈতিক পরিস্থিতির অবসান ঘটে এবং সেখানে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের উদ্ভব হয়। মদিনা সনদের এ সাফল্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বৃহত্তর সনদ স্বাক্ষরের সম্ভাবনার পথকে সুগম করে। উদ্দীপকেও বর্ণিত হয়েছে যে, দ্বিধাবিভক্ত ও আত্মকলহে লিপ্ত মদিনাবাসীর মধ্যে শান্তি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠার পেছনে মদিনা সনদের ভূমিকা অত্যন্ত ব্যাপক। পরিশেষে বলা যায়, মদিনা সনদ প্রণয়নের ফলে মদিনাবাসীদের মাঝে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয় এবং মুহাম্মদ (সা.) অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে আবির্ভূত হন।

HSC Islamic Studies 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic Studies 1st Paper · সৃজনশীল

উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টি প্রণয়নে কী লাভ হয়েছে তা বিশ্লেষণ কর।

উদ্দীপক

ইসলাম যে মানবকল্যাণের ধর্ম, মদিনা সনদ তার উজ্জ্বল উদাহরণ। এটি মানব ইতিহাসের প্রথম লিখিত সংবিধান হিসেবে সর্বজন স্বীকৃত। ৬২২ খ্রিস্টাব্দে মদিনায় বসবাসকারী বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সর্বসম্মত কয়েকটি নীতিমালার ভিত্তিতে যে ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, ইতিহাসে এটিই মদিনা সনদ হিসেবে পরিচিত। দ্বিধাবিভক্ত ও আত্মকলহে লিপ্ত মদিনাবাসীর মধ্যে শান্তি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠার পিছনে এ সনদই সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে।

উত্তর

মদিনা সনদের শুরুতে 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম' লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

উত্তর

মদিনা সনদ বিশ্বের ইতিহাসে প্রথম লিখিত শাসনতন্ত্র। হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আবির্ভাবের পূর্বে তৎকালীন বিশ্বের কোনো শাসকই জনগণকে কোনো লিখিত ও বিধিবদ্ধ শাসনতন্ত্র প্রদান করেননি। আইনের শাসন সর্বপ্রথম হযরত মুহাম্মদ (সা.) জনগণের কল্যাণার্থে প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকদের সক্রিয় সহযোগিতা ও সদিচ্ছার গুরুত্ব অনুধাবন করেন। তিনি মনে করতেন, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ব্যতীত মদিনাতে ইসলামি রাষ্ট্রগঠন ও এর শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করার পরিকল্পনা ফলপ্রসূ হবে না। তাই তিনি একটি শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করেন, যা বিশ্বের ইতিহাসে প্রথম লিখিত শাসনতন্ত্র।

উত্তর

আন্তঃকলহ দূর করে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে একটি শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্র গঠনের জন্যই মূলত মদিনা সনদ প্রণয়ন করা হয়েছিল। হযরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর নির্দেশে ৬২২ খ্রিস্টাব্দে মদিনায় হিজরত করেন। মদিনায় এসে দেখেন যে, মদিনার অধিবাসীদের মধ্যে নানা গোত্র, উপগোত্র, ধর্মমত ও বিশ্বাসের মানুষ রয়েছে। এরা পাঁচ সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত ছিল। যথা- ১. মদিনার আদিম পৌত্তলিক সম্প্রদায়, ২. ইহুদি সম্প্রদায়, ৩. খ্রিষ্টান সম্প্রদায়, ৪. নবদীক্ষিত মুসলিম সম্প্রদায় এবং ৫. • মক্কা থেকে আগত মুসলিম সম্প্রদায়। মদিনার এ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকদের মধ্যে তখন সম্ভাব ছিল না। তাদের মধ্যে আদর্শের মিল তো ছিলই না; তদুপরি তাদের মধ্যে বিরাজ করছিল দলগত হিংসা-বিদ্বেষ। ফলে মদিনার রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি খুবই জটিল ও শোচনীয় হয়ে পড়ে। মদিনার বিরাজমান পরিবেশ ও পরিস্থিতিতে হযরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনায় একটি ইসলামি সাধারণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার সংকল্প করেন। তাঁর এ সংকল্পের সফল বাস্তবায়নের জন্য তিনি প্রথমেই উপলব্ধি করেন যে, দ্বিধাবিভক্ত ও আত্মকলহে লিপ্ত মদিনাবাসীর মধ্যে ঐক্য ও সম্ভাব স্থাপন করা প্রয়োজন। তিনি আরও উপলব্ধি করেন যে, জতি- ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সমান অধিকার ও কর্তব্য নির্ধারণ এবং স্বদেশত্যাগী মুহাজিরিনদের মদিনায় বাসস্থান ও জীবিকা উপার্জনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। হযরত মুহাম্মদ (সা.) বিশ্বাস করতেন যে, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকদের মধ্যে সম্প্রীতি ও ঐক্য না থাকলে দেশের কল্যাণ হয় না। তাঁর মতে, যে দেশে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী লোক বাস করে সে দেশে পরমতসহিষ্ণুতার প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি।'নিজে বাঁচ এবং অপরকে বাঁচতে দাও'- নাগরিক জীবনের এ নীতির গুরুত্ব অনুধাবন করে হযরত মুহাম্মদ (সা.) বিভিন্ন সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দকে আহ্বান করে এক বৈঠকে বসেন এবং তাদেরকে আন্তঃসাম্প্রদায়িক ঐক্য ও সম্প্রীতির আবশ্যকতা বুঝিয়ে দেন। এরপর তিনি একটি সনদ বা চুক্তিপত্র প্রস্তুত করেন। এ সনদে পরস্পরের দায়িত্ব ও কর্তব্য উল্লেখ করা হয়, সকলেই এ সনদ মেনে নিয়ে স্বাক্ষর করেন। আরবি ভাষায় লিখিত এ সনদে ৪৭টি ধারা ছিল। এ সনদের ফলে মদিনায় আন্তঃকলহ দূর হলো এবং নিজেদের। মধ্যে সুসম্পর্ক তৈরি হলো। সুতরাং বলা যায়, সকল শ্রেণি, গোত্র, জাতি ও ধর্মের লোকদের ঐক্যের সূত্রে আবদ্ধ করে একটি শান্তিপূর্ণ উম্মাহ গঠন করাই ছিল মদিনা সনদ প্রণয়নের মূল উদ্দেশ্য।

উত্তর

উদ্দীপকে উল্লিখিত মদিনা সনদ সম্পাদনের মাধ্যমে মদিনায় শান্তি প্রতিষ্ঠা লাভ করে এবং এর রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধান হন হযরত মুহাম্মদ (সা.)। মদিনা সনদে উল্লিখিত নীতিমালার মাধ্যমে হযরত মুহাম্মদ (সা.) যে রাষ্ট্রব্যবস্থার পত্তন করেছিলেন তার প্রত্যক্ষ প্রভাব তদানীন্তন বিশ্বের সর্বত্র প্রতিফলিত হয়েছিল। হযরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনা সনদের মাধ্যমে মদিনার প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করেছিলেন। তিনি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠারও দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছিলেন। তিনি মুসলিম ও অমুসলিমদের ধর্মে পূর্ণ স্বাধীনতা ও নিশ্চয়তা বিধান করেছিলেন। ধর্মীয় ক্ষেত্রে এ সহিষ্ণুতার নীতি বিশ্বের ইতিহাসে বিরল। মদিনা সনদ মুসলিম ও অমুসলিমদের ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবন্ধ করে তাদের মন থেকে হিংসা-বিদ্বেষ দূর করে। ফলে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক কলহের অবসান ঘটে।মদিনা সনদ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকদের মধ্যে গোত্রশক্তির ধারণা তিরোহিত করে তাদেরকে এক রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় সমবেত করে। ফলে তাদের মধ্যে রাজনৈতিক ঐক্য স্থাপিত হয় এবং তারা একটি সুসংহত জাতিতে পরিণত হয়। মদিনা সনদের ঘোষণার পর বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকেরা তারা একত্রে মিলেমিশে বসবাস করার সুযোগ পায়। ফলে যৌথশক্তির ধারণার সৃষ্টি হয় এবং তা বিস্তার লাভ করে। ফলশ্রুতিতে মদিনায় বিশৃঙ্খল রাজনৈতিক পরিস্থিতির অবসান ঘটে এবং সেখানে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রের উদ্ভব হয়। মদিনা সনদের এ সাফল্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বৃহত্তর সনদ স্বাক্ষরের সম্ভাবনার পথকে সুগম করে। উদ্দীপকেও বর্ণিত হয়েছে যে, দ্বিধাবিভক্ত ও আত্মকলহে লিপ্ত মদিনাবাসীর মধ্যে শান্তি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠার পেছনে মদিনা সনদের ভূমিকা অত্যন্ত ব্যাপক। পরিশেষে বলা যায়, মদিনা সনদ প্রণয়নের ফলে মদিনাবাসীদের মাঝে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয় এবং মুহাম্মদ (সা.) অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে আবির্ভূত হন।
HSCIslamic Studies 1st Paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর ইয়াকুব হোসেন ইসলামি শিক্ষার ক্লাসে আলোচনার এক পর্যায়ে বলেন, মানুষ পরস্পর ভাই-ভাই, তাদের আদি উৎস আদম ও হাওয়া (আ)। তাইতো আল্লাহপাক বলেন, 'মানুষ একই উম্মাহর অন্তর্ভুক্ত'।Q. একজন দাঈর বৈশিষ্ট্য হলো-
i. বয়ঃবৃদ্ধ হওয়া
ii. আমলদার হওয়া
iii. উপস্থিত বুদ্ধি থাকানিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর ইয়াকুব হোসেন ইসলামি শিক্ষার ক্লাসে আলোচনার এক পর্যায়ে বলেন, মানুষ পরস্পর ভাই-ভাই, তাদের আদি উৎস আদম ও হাওয়া (আ)। তাইতো আল্লাহপাক বলেন, 'মানুষ একই উম্মাহর অন্তর্ভুক্ত'।Q. উদ্দীপকে প্রফেসর ইয়াকুব কীসের প্রতি ইঙ্গিত করেন?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • মানবাধিকার
  • ইসলামি ভ্রাতৃত্ব
  • আদর্শিক ভ্রাতৃত্ব
  • বিশ্বভ্রাতৃত্ব

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর মিজানুর রহমান বিখ্যাত গ্রিক পণ্ডিত এরিস্টটলের অনুকরণে একটি গ্রন্থ রচনা করেন। উক্ত গ্রন্থে তিনি জগৎ ও প্রকৃতির সাথে মানুষের সম্পর্ক ও বস্তুর চিরন্তনতা বিষয়ে আলোচনা করেন। তবে তিনি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন একাদশ-দ্বাদশ শতাব্দীর সেইসব মুসলিম বিজ্ঞানীদের যারা বস্তুর আয়তন, পরিধি ও সমীকরণ বিষয়ে ব্যাপক গবেষণা করেন ও এ ক্ষেত্রে নতুন নতুন শাখা উদ্ভাবন করেন।Q. উদ্দীপকে উল্লিখিত একাদশ-দ্বাদশ শতাব্দীর গবেষণার ফলে-
i. দর্শনে ব্যাপক উন্নতি হয়
ii. জ্যামিতি শাস্ত্রে ব্যাপক উন্নতি হয়
iii. ক্যালকুলাস ব্যাপক সমৃদ্ধ হয়নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর মিজানুর রহমান বিখ্যাত গ্রিক পণ্ডিত এরিস্টটলের অনুকরণে একটি গ্রন্থ রচনা করেন। উক্ত গ্রন্থে তিনি জগৎ ও প্রকৃতির সাথে মানুষের সম্পর্ক ও বস্তুর চিরন্তনতা বিষয়ে আলোচনা করেন। তবে তিনি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন একাদশ-দ্বাদশ শতাব্দীর সেইসব মুসলিম বিজ্ঞানীদের যারা বস্তুর আয়তন, পরিধি ও সমীকরণ বিষয়ে ব্যাপক গবেষণা করেন ও এ ক্ষেত্রে নতুন নতুন শাখা উদ্ভাবন করেন।Q. উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রফেসর মিজানুর রহমানের গ্রন্থের সাথে নিচের কোন গ্রন্থের মিল রয়েছে?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • কিতাব আশ-শিফা
  • কানুন ফিত তিব্ব
  • সুরাতুল আরদ
  • শাহনামা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.মদিনা সনদের স্বাক্ষরকারী পক্ষগুলো হলো-

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • আউস ও খাজরাজ
  • মুসলিম ও কুরাইশ
  • মুসলিম ও মদিনার বিভিন্ন গোত্র
  • কুরাইশ, ইয়াহুদী ও খ্রিষ্টান

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.নিচের কোনটিতে এক পঞ্চমাংশ কর দিতে হয়?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • খনিজ সম্পদে
  • উশরি জমির ফসলে
  • খারাজি জমির ফসলে
  • পশুর জাকাতে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.প্রকৃতপক্ষে যা নয় তা প্রকাশ করাকে কী বলে?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • সততা
  • শঠতা
  • মিথ্যা
  • অবাস্তব

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: 'ক' নামক শহরে নগর জীবনের ব্যস্ততা ভুলে সর্বশ্রেণির মানুষ পারস্পরিক সহযোগিতা ও উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণ করে। তারা নগরের সমাজবিরোধী কাজ প্রতিরোধ করে, নামাজ, রোজা ও ঈদ উৎসব পালন করে। এক ঈদের খুতবায় খতিব সাহেব বললেন, নগরের টেকসই শান্তির জন্য মসজিদকে কার্যকর করা কর্তব্য।Q . খতিব সাহেবের নির্দেশনা কার্যকর হলে নগরে-
i. সামাজিক অপরাধ হ্রাস পাবে
ii. মসজিদের সংখ্যা বেড়ে যাবে
iii. ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় হবেনিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: 'ক' নামক শহরে নগর জীবনের ব্যস্ততা ভুলে সর্বশ্রেণির মানুষ পারস্পরিক সহযোগিতা ও উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণ করে। তারা নগরের সমাজবিরোধী কাজ প্রতিরোধ করে, নামাজ, রোজা ও ঈদ উৎসব পালন করে। এক ঈদের খুতবায় খতিব সাহেব বললেন, নগরের টেকসই শান্তির জন্য মসজিদকে কার্যকর করা কর্তব্য।Q . 'ক' নামক শহরে কীসের প্রতিফলন লক্ষণীয়?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • ইসলামি সমাজব্যবস্থা
  • বিশ্ব ভাতৃত্ববোধ
  • নাগরিক অধিকার
  • ইমামের কর্তব্যবোধ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.মুসলিম বিজ্ঞানীদের ভূগোল চর্চার ফলে-

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • পৃথিবী বাসযোগ্য হয়
  • জীব বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পায়
  • কিবলা নির্ধারণ সহজ হয়
  • জ্যোতিঃশাস্ত্র উন্নত হয়

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.হযরত খানজাহান আলী (রহ.) ইসলাম প্রচার করেন কোন অঞ্চলে?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • চট্টগ্রাম
  • সিলেট
  • বরিশাল
  • খুলনা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.খিদমতে খালক অর্থ কী?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • আল্লাহর সাহায্য
  • সৃষ্টির অধিকার
  • সৃষ্টির প্রতি দয়া
  • সৃষ্টির সেবা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর ইয়াকুব হোসেন ইসলামি শিক্ষার ক্লনিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর ইয়াকুব হোসেন ইসলামি শিক্ষার ক্লনিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর মিজানুর রহমান বিখ্যাত গ্রিক পণ্নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর মিজানুর রহমান বিখ্যাত গ্রিক পণ্মদিনা সনদের স্বাক্ষরকারী পক্ষগুলো হলো-নিচের কোনটিতে এক পঞ্চমাংশ কর দিতে হয়?প্রকৃতপক্ষে যা নয় তা প্রকাশ করাকে কী বলে?নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: 'ক' নামক শহরে নগর জীবনের ব্যস্ততা ভুলেনিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: 'ক' নামক শহরে নগর জীবনের ব্যস্ততা ভুলেমুসলিম বিজ্ঞানীদের ভূগোল চর্চার ফলে-হযরত খানজাহান আলী (রহ.) ইসলাম প্রচার করেন কোন অঞ্চলে?খিদমতে খালক অর্থ কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।

উদ্দীপকে উল্লিখিত বিষয়টি প্রণয়নে কী লাভ হয়েছে তা বিশ্লেষণ কর। | Prosthuti