শেয়ারFacebookWhatsApp

খুলাফায়ে রাশেদার আদর্শের আলোকে ইসলামি রাষ্ট্রের খলিফা। ও মজলিসে শূরার সদস্যদের যোগ্যতা ও গুণাবলি ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: ইসলামি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান ও মজলিস-ই-শূরার সদস্য হতে হলে কতিপয় আইনগত যোগ্যতা ও চারিত্রিক গুণের অধিকারী হতে হবে। ইসলামি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান কিংবা মজলিস-ই-শূরার সদস্যপদের জন্য যেসব আইনগত যোগ্যতার অধিকারী হতে তাহলো- ইসলামি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান এবং মজলিস-উশ-শূরার সদস্যকে অবশ্যই মুসলিম হতে হবে। কোনো অমুসলিম ইসলামি রাষ্ট্রের এ পদের উপযুক্ত নয়। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেন, "হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহ ও রাসুলের আনুগত্য কর এবং আনুগত্য কর তোমাদের মধ্য হতে (নির্বাচিত) অমির বা নেতার।" (সূরা আন-নিসা: ৫৯) রাষ্ট্রপ্রধান ও মজলিস-ই-শূরার সদস্যগণকে অবশ্যই পুরুষ হতে হবে। কোনো মহিলা ইসলামি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান বা মজলিস-উশ-শূরার সদস্য হতে পারবে না। মহানবি (সা.) বলেন, "যে জাতি কোনো মহিলাকে তাদের নেতৃত্বে বরণ করে, সে জাতি সফলতা অর্জন করতে পারে না।" (বুখারি, হাদিস: ৪৪২৫) উক্ত পদের জন্য অবশ্যই প্রাপ্ত বয়স্ক হতে হবে। অপ্রাপ্তবয়স্ক কেউ রাষ্ট্রপ্রধান বা মজলিস-ই-শূরার সদস্য হতে পারবে না। আল্লাহ তায়ালা বলেন, "আল্লাহ-তাআলা যে ধনসম্পদকে তোমাদের অস্তিত্ব রক্ষার উপায় বানিয়েছেন, তা তোমরা অধম অযোগ্য মূর্খদের হাতে তুলে দিও না।" (সূরা আন-নিসা: ৫) ইসলামি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান এবং শূরার সদস্য হতে হলে অবশ্যই রাষ্ট্রের স্থায়ী নাগরিক হতে হবে। নাগরিকত্বহীন ব্যক্তি এ পদের উপযুক্ত নন। ইসলামি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান ও শূরার সদস্য হতে হলে আইনগত গুণাবলির সাথে কতিপয় নৈতিক ও চারিত্রিক গুণ বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হতে হবে। তা হলো- রাষ্ট্র পরিচালনার মতো গুরুত্বপূর্ণ পদের জন্য অবশ্যই সর্বোত্তম তাকওয়ার অধিকারী, আল্লাহ ভীরু ও পরহেযগার লোক হতে হবে।তা হলো- রাষ্ট্র পরিচালনার মতো গুরুত্বপূর্ণ পদের জন্য অবশ্যই সর্বোত্তম তাকওয়ার অধিকারী, আল্লাহ ভীরু ও পরহেযগার লোক হতে হবে। আল্লাহ বলেন, "তোমাদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা পরহেজগার ব্যক্তিই আল্লাহর নিকট সম্মানিত।" (সূরা আল-হুজুরাত ১৩) রাষ্ট্রপ্রধান ও শূরার সদস্যপদ লাভের অধিকারী তারাই, যারা সততার অধিকারী, আমানতদার ও জনগণের আস্থাভাজন হন। আল্লাহর বাণী, "নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছেন আমানতসমূহ তাদের প্রাপকদের কাছে পৌঁছে দিতে।" (সূরা আন-নিসা: ৫৮) ইসলামি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান বা শূরার সদস্যবৃন্দ যেহেতু সমাজের শ্রেষ্ঠ নৈতিক আদর্শের অধিকারী বলে জনগণ কর্তৃক নির্বাচিত হবেন, তাই কেউ এখানে পদপ্রার্থী বা পদলোভী হতে পারবে না। তাদের খোলাফায়ে রাশেদিনের মতো আদর্শ চরিত্র ও গুণাবলির অধিকারী হতে হবে।

HSC Islamic Studies 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic Studies 1st Paper · সৃজনশীল

খুলাফায়ে রাশেদার আদর্শের আলোকে ইসলামি রাষ্ট্রের খলিফা। ও মজলিসে শূর…

উদ্দীপক

ইসলামি খেলাফতের স্বর্ণযুগ ছিল খুলাফায়ে রাশেদিনের যুগ। এ সময়ের খলিফাগণ ছিলেন সর্বগুণে গুণান্বিত। তাঁরা তাঁদের দায়িত্ব সম্পর্কে ছিলেন সদা সচেতন।

উত্তর

রাষ্ট্রীয় জীবনে মহান আল্লাহর খলিফারূপে তাঁরই সার্বভৌমত্ব স্বীকার করে তাঁর প্রবর্তিত জীবন বিধান প্রতিষ্ঠা করে রাসুল (সা.)-এর প্রদর্শিত রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার নাম খেলাফত।

উত্তর

ইসলামি খেলাফতের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এটি আল্লাহর আদেশ- নিষেধের ওপর প্রতিষ্ঠিত। মুমিনের সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবন। খেলাফত দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। কল্যাণমুখী শাসন কাঠামো দ্বারা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা খেলাফতের কাজ। অনৈসলামিক মূল্যবোধ থেকে জনগণের সুরক্ষাও এর দায়িত্ব।

উত্তর

ইসলামি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান ও মজলিস-ই-শূরার সদস্য হতে হলে কতিপয় আইনগত যোগ্যতা ও চারিত্রিক গুণের অধিকারী হতে হবে। ইসলামি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান কিংবা মজলিস-ই-শূরার সদস্যপদের জন্য যেসব আইনগত যোগ্যতার অধিকারী হতে তাহলো- ইসলামি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান এবং মজলিস-উশ-শূরার সদস্যকে অবশ্যই মুসলিম হতে হবে। কোনো অমুসলিম ইসলামি রাষ্ট্রের এ পদের উপযুক্ত নয়। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ বলেন, "হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহ ও রাসুলের আনুগত্য কর এবং আনুগত্য কর তোমাদের মধ্য হতে (নির্বাচিত) অমির বা নেতার।" (সূরা আন-নিসা: ৫৯) রাষ্ট্রপ্রধান ও মজলিস-ই-শূরার সদস্যগণকে অবশ্যই পুরুষ হতে হবে। কোনো মহিলা ইসলামি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান বা মজলিস-উশ-শূরার সদস্য হতে পারবে না। মহানবি (সা.) বলেন, "যে জাতি কোনো মহিলাকে তাদের নেতৃত্বে বরণ করে, সে জাতি সফলতা অর্জন করতে পারে না।" (বুখারি, হাদিস: ৪৪২৫) উক্ত পদের জন্য অবশ্যই প্রাপ্ত বয়স্ক হতে হবে। অপ্রাপ্তবয়স্ক কেউ রাষ্ট্রপ্রধান বা মজলিস-ই-শূরার সদস্য হতে পারবে না। আল্লাহ তায়ালা বলেন, "আল্লাহ-তাআলা যে ধনসম্পদকে তোমাদের অস্তিত্ব রক্ষার উপায় বানিয়েছেন, তা তোমরা অধম অযোগ্য মূর্খদের হাতে তুলে দিও না।" (সূরা আন-নিসা: ৫) ইসলামি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান এবং শূরার সদস্য হতে হলে অবশ্যই রাষ্ট্রের স্থায়ী নাগরিক হতে হবে। নাগরিকত্বহীন ব্যক্তি এ পদের উপযুক্ত নন। ইসলামি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান ও শূরার সদস্য হতে হলে আইনগত গুণাবলির সাথে কতিপয় নৈতিক ও চারিত্রিক গুণ বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হতে হবে। তা হলো- রাষ্ট্র পরিচালনার মতো গুরুত্বপূর্ণ পদের জন্য অবশ্যই সর্বোত্তম তাকওয়ার অধিকারী, আল্লাহ ভীরু ও পরহেযগার লোক হতে হবে।তা হলো- রাষ্ট্র পরিচালনার মতো গুরুত্বপূর্ণ পদের জন্য অবশ্যই সর্বোত্তম তাকওয়ার অধিকারী, আল্লাহ ভীরু ও পরহেযগার লোক হতে হবে। আল্লাহ বলেন, "তোমাদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা পরহেজগার ব্যক্তিই আল্লাহর নিকট সম্মানিত।" (সূরা আল-হুজুরাত ১৩) রাষ্ট্রপ্রধান ও শূরার সদস্যপদ লাভের অধিকারী তারাই, যারা সততার অধিকারী, আমানতদার ও জনগণের আস্থাভাজন হন। আল্লাহর বাণী, "নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছেন আমানতসমূহ তাদের প্রাপকদের কাছে পৌঁছে দিতে।" (সূরা আন-নিসা: ৫৮) ইসলামি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান বা শূরার সদস্যবৃন্দ যেহেতু সমাজের শ্রেষ্ঠ নৈতিক আদর্শের অধিকারী বলে জনগণ কর্তৃক নির্বাচিত হবেন, তাই কেউ এখানে পদপ্রার্থী বা পদলোভী হতে পারবে না। তাদের খোলাফায়ে রাশেদিনের মতো আদর্শ চরিত্র ও গুণাবলির অধিকারী হতে হবে।

উত্তর

রাষ্ট্রপ্রধানের প্রধান দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো আল্লাহর সার্বভৌমত্বের সংরক্ষণ করা। আল্লাহর খেলাফতের মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে- দ্বীন ইসলামকে সুদৃঢ় ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত করা, দ্বীনকে পূর্ণমাত্রায় বাস্তবায়িত করা, দ্বীনের মর্যাদা, ঐতিহ্য-আদর্শ এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা। আর এ কাজের জন্য প্রধান দায়িত্বশীল হচ্ছেন খলিফা। রাষ্ট্রপ্রধানের আর একটি কর্তব্য হচ্ছে বিবাদমান পক্ষসমূহের ওপর আল্লাহর আইন কার্যকর করা। ঝগড়া-বিবাদ ও যাবতীয় সমস্যার সমাধান ও ফয়সালায় ইসলামি আইন অনুসরণ করা। ইসলামি রাষ্ট্রে বসবাসকারী নাগরিকদের জীবনকে সকল প্রকারের ভয়ভীতি ও বিপদ-আশঙ্কা থেকে সম্পূর্ণরূপে মুক্ত করে স্বাধীন-নির্বিঘ্নে জীবনযাপনের নির্ভরযোগ্য সুযোগ দেওয়া খেলাফত ব্যবস্থার অন্যতম দায়িত্ব ও কর্তব্য। আল্লাহ কর্তৃক ঘোষিত হারাম ও অবৈধ কাজ যাতে কেউ করতে না পারে, কোনো নাগরিকই যেন স্বীয় ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত না হয়। বৈদেশিক ও বিজাতীয় আক্রমণ ও আগ্রাসন থেকে দেশকে, দেশের জনগণকে এবং তাদের জীবন-সম্পদ, মান-ইজ্জত রক্ষা করা এবং এজন্য প্রয়োজনীয় শক্তি অর্জন ও সামর্থ্য সংগ্রহ করা রাষ্ট্রপ্রধানের অন্যতম কর্তব্য। সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক রাষ্ট্রের কর, খাজনা ও অন্যান্য সরকারি পাওনা সঠিকরূপে নির্ধারণ করা ও তা আদায় করার ব্যবস্থা করাও রাষ্ট্রপ্রধানের অন্যতম দায়িত্ব। রাষ্ট্রের বাইতুল মাল সংরক্ষণ করা রাষ্ট্রপ্রধানের আর একটি দায়িত্ব। বাইতুল মাল থেকে যাকে যা দেওয়া হবে তার পরিমাণ নির্ধারণ এবং যথাযথভাবে তা দেওয়ার ব্যবস্থা করা, অপচয় না করা ইত্যাদি খেলাফত প্রশাসনের অন্যতম দায়িত্ব। দায়িত্বশীল নির্বাহী কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ, তাদের কাজে সুযোগ সৃষ্টি করা, তাদের নিকট থেকে কাজ বুঝে নেওয়া, তাদের মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা করা খলিফার দায়িত্ব ও কর্তব্য। পথভ্রষ্ট ও বিপদগামীদেরকে ইসলামের সুমহান পথে ফিরে আনার পদক্ষেপ গ্রহণও খলিফার দায়িত্ব। অর্থাৎ দ্বীনের প্রচার ও প্রসারের পুরো দায়-দায়িত্বটাই খেলাফত ব্যবস্থার ওপর ন্যস্ত। সমস্ত জাতীয় ও সামষ্টিক ব্যাপারে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত হওয়া, পরিস্থিতির অধ্যয়ন, পর্যবেক্ষণ ও তদনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ, যেন সার্বিকভাবে গোটা উম্মাহ রক্ষা পায় এবং মিল্লাত সংরক্ষিত থাকে। উদ্দীপকেও বর্ণিত হয়েছে যে, ইসলামি খেলাফতের স্বর্ণযুগ ছিল খোলাফায়ে রাশেদিনের যুগ। তাঁরা তাঁদের দায়িত্ব সম্পর্কে ছিলেন সদা সচেতন। বস্তুত ইসলামি রাষ্ট্রের সামগ্রিক সংরক্ষণ, নাগরিকদের অধিকার নিশ্চিতকরণ, রাষ্ট্রের কল্যাণ, স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা, প্রশাসনিক কর্মকান্ড পরিচালনা সর্বোপরি আল্লাহর বিধান জারি ও সংরক্ষণ করাই রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব ও কর্তব্য।
HSCIslamic Studies 1st Paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর ইয়াকুব হোসেন ইসলামি শিক্ষার ক্লাসে আলোচনার এক পর্যায়ে বলেন, মানুষ পরস্পর ভাই-ভাই, তাদের আদি উৎস আদম ও হাওয়া (আ)। তাইতো আল্লাহপাক বলেন, 'মানুষ একই উম্মাহর অন্তর্ভুক্ত'।Q. একজন দাঈর বৈশিষ্ট্য হলো-
i. বয়ঃবৃদ্ধ হওয়া
ii. আমলদার হওয়া
iii. উপস্থিত বুদ্ধি থাকানিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর ইয়াকুব হোসেন ইসলামি শিক্ষার ক্লাসে আলোচনার এক পর্যায়ে বলেন, মানুষ পরস্পর ভাই-ভাই, তাদের আদি উৎস আদম ও হাওয়া (আ)। তাইতো আল্লাহপাক বলেন, 'মানুষ একই উম্মাহর অন্তর্ভুক্ত'।Q. উদ্দীপকে প্রফেসর ইয়াকুব কীসের প্রতি ইঙ্গিত করেন?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর মিজানুর রহমান বিখ্যাত গ্রিক পণ্ডিত এরিস্টটলের অনুকরণে একটি গ্রন্থ রচনা করেন। উক্ত গ্রন্থে তিনি জগৎ ও প্রকৃতির সাথে মানুষের সম্পর্ক ও বস্তুর চিরন্তনতা বিষয়ে আলোচনা করেন। তবে তিনি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন একাদশ-দ্বাদশ শতাব্দীর সেইসব মুসলিম বিজ্ঞানীদের যারা বস্তুর আয়তন, পরিধি ও সমীকরণ বিষয়ে ব্যাপক গবেষণা করেন ও এ ক্ষেত্রে নতুন নতুন শাখা উদ্ভাবন করেন।Q. উদ্দীপকে উল্লিখিত একাদশ-দ্বাদশ শতাব্দীর গবেষণার ফলে-
i. দর্শনে ব্যাপক উন্নতি হয়
ii. জ্যামিতি শাস্ত্রে ব্যাপক উন্নতি হয়
iii. ক্যালকুলাস ব্যাপক সমৃদ্ধ হয়নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর মিজানুর রহমান বিখ্যাত গ্রিক পণ্ডিত এরিস্টটলের অনুকরণে একটি গ্রন্থ রচনা করেন। উক্ত গ্রন্থে তিনি জগৎ ও প্রকৃতির সাথে মানুষের সম্পর্ক ও বস্তুর চিরন্তনতা বিষয়ে আলোচনা করেন। তবে তিনি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন একাদশ-দ্বাদশ শতাব্দীর সেইসব মুসলিম বিজ্ঞানীদের যারা বস্তুর আয়তন, পরিধি ও সমীকরণ বিষয়ে ব্যাপক গবেষণা করেন ও এ ক্ষেত্রে নতুন নতুন শাখা উদ্ভাবন করেন।Q. উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রফেসর মিজানুর রহমানের গ্রন্থের সাথে নিচের কোন গ্রন্থের মিল রয়েছে?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.মদিনা সনদের স্বাক্ষরকারী পক্ষগুলো হলো-

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.নিচের কোনটিতে এক পঞ্চমাংশ কর দিতে হয়?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.প্রকৃতপক্ষে যা নয় তা প্রকাশ করাকে কী বলে?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: 'ক' নামক শহরে নগর জীবনের ব্যস্ততা ভুলে সর্বশ্রেণির মানুষ পারস্পরিক সহযোগিতা ও উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণ করে। তারা নগরের সমাজবিরোধী কাজ প্রতিরোধ করে, নামাজ, রোজা ও ঈদ উৎসব পালন করে। এক ঈদের খুতবায় খতিব সাহেব বললেন, নগরের টেকসই শান্তির জন্য মসজিদকে কার্যকর করা কর্তব্য।Q . খতিব সাহেবের নির্দেশনা কার্যকর হলে নগরে-
i. সামাজিক অপরাধ হ্রাস পাবে
ii. মসজিদের সংখ্যা বেড়ে যাবে
iii. ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় হবেনিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: 'ক' নামক শহরে নগর জীবনের ব্যস্ততা ভুলে সর্বশ্রেণির মানুষ পারস্পরিক সহযোগিতা ও উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণ করে। তারা নগরের সমাজবিরোধী কাজ প্রতিরোধ করে, নামাজ, রোজা ও ঈদ উৎসব পালন করে। এক ঈদের খুতবায় খতিব সাহেব বললেন, নগরের টেকসই শান্তির জন্য মসজিদকে কার্যকর করা কর্তব্য।Q . 'ক' নামক শহরে কীসের প্রতিফলন লক্ষণীয়?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.মুসলিম বিজ্ঞানীদের ভূগোল চর্চার ফলে-

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.হযরত খানজাহান আলী (রহ.) ইসলাম প্রচার করেন কোন অঞ্চলে?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.খিদমতে খালক অর্থ কী?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর ইয়াকুব হোসেন ইসলামি শিক্ষার ক্লনিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর ইয়াকুব হোসেন ইসলামি শিক্ষার ক্লনিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর মিজানুর রহমান বিখ্যাত গ্রিক পণ্নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর মিজানুর রহমান বিখ্যাত গ্রিক পণ্মদিনা সনদের স্বাক্ষরকারী পক্ষগুলো হলো-নিচের কোনটিতে এক পঞ্চমাংশ কর দিতে হয়?প্রকৃতপক্ষে যা নয় তা প্রকাশ করাকে কী বলে?নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: 'ক' নামক শহরে নগর জীবনের ব্যস্ততা ভুলেনিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: 'ক' নামক শহরে নগর জীবনের ব্যস্ততা ভুলেমুসলিম বিজ্ঞানীদের ভূগোল চর্চার ফলে-হযরত খানজাহান আলী (রহ.) ইসলাম প্রচার করেন কোন অঞ্চলে?খিদমতে খালক অর্থ কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।