ড. নাজমুলের কর্মকাণ্ড ইসলামের লিখিত সংবিধান মদিনা সনদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
মহানবি (সা.) ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে মদিনায় হিজরত করে সেখানে বসবাসরত গোত্রের সাথে মিলিত হয়ে একটি লিখিত চুক্তি সম্পাদন করেন। যা মদিনা সনদ নামে খ্যাত। এটিই পৃথিবীর প্রথম লিখিত সংবিধান। এতে ৪৭টি ধারা রয়েছে। মদিনা সনদে মদিনাকে নিরাপদ নগরী হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং প্রত্যেককে স্ব-স্ব ধর্ম পালনের পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়। বর্তমানে মদিনা সনদের উপযোগিতা অবশ্যই রয়েছে। বর্তমান বিশ্বে দাঙ্গা-হাঙ্গামা, যুদ্ধ লেগেই আছে। যার কারণে অকালে ঝড়ে যাচ্ছে বহু প্রাণ। শক্তিধর ও ক্ষমতাধর রাষ্ট্রগুলো তাদের আধিপত্য বজায় রাখতে নানা ধরনের মারণাস্ত্র উৎপাদন ও বিপণন করছে। ফলে বিশ্বের সর্বত্র অশান্তি ও নৈরাজ্য বিরাজ করছে। এ অবস্থা হতে উত্তরণের জন্য মদিনা সনদের আদর্শ অনুসরণ করা যায়। এজন্য অনেকে মনে করেন বর্তমান জাতিসংঘ মদিনা সনদেরই বাস্তব উদাহরণ।
উদ্দীপকেও অনুরূপ অবস্থা পরিলক্ষিত হয়। তা হলো— ড. নাজমুল দীর্ঘদিন ধরে চলমান রাজনৈতিক ও সামাজিক দাঙ্গা নিরসনে এলাকার মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলের নেতাদের নিয়ে একটি চুক্তি করেন। যেখানে ভিন্ন ধর্মের ও ভিন্ন রাজনৈতিক দলের অনুসারীর ওপর আক্রমণ না করার এবং স্ব-স্ব ধর্ম পালনের সুযোগদানের অঙ্গীকার করেন। এ চুক্তির মাধ্যমে সামাজিক শান্তি ও রাজনৈতিক সহনশীলতা বৃদ্ধি পায়।
সুতরাং বলা যায়, বর্তমানে অবশ্যই মদিনা সনদের উপযোগিতা রয়েছে। যদি একে যথাস্থানে যথাযথভাবে কার্যকর করা যায় তাহলে অবশ্যই সেখানে শান্তি ও স্বস্তি নেমে আসবে। যেমনিভাবে, ড. নাজমুলের কর্মকাণ্ড মদিনা সনদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।