উদ্দীপকে ড. 'ফ'-এর বক্তব্যের সাথে আমি একমত। কেননা তার বক্তব্যে ইসলামি গুরুত্বের বিষয়টি ফুটে উঠেছে।
ইসলামি রাষ্ট্র মানুষের জীবনের, সম্ভ্রমের ও সম্পদের নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইসলামি রাষ্ট্র একটি অসাধারণ মানবকল্যাণ সংস্থা। এ রাষ্ট্র ব্যবস্থা, তার নাগরিকদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। এতে অন্যায় হত্যাকাণ্ড বিশৃঙ্খলা, সন্ত্রাস ও অরাজকতা সৃষ্টির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠিন শাস্তি প্রয়োগের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আল্লাহ বলেন— وَلَا تَقْتُلُوا النَّفْسَ الَّتِي حَرَّمَ اللَّهُ إِلَّا بِالْحَقِّ অর্থ : “আর আল্লাহ যাকে হত্যা করা হারাম করেছেন তোমরা তাকে হত্যা কর না, ন্যায়সংগত হত্যা ব্যতীত। (সূরা আল-আনআম : ১০১ ) ইসলামি রাষ্ট্র ব্যবস্থায় মানুষের মান-সম্মান, সম্ভ্রম ও ইজ্জতে পরিপূর্ণ নিরাপত্ত নিশ্চিত করা হয়েছে। কেউ কারো গিবত করতে পারবে না। কারো বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিতে পারবে না। অশালীন ও অশ্লীল কাজ হারাম বা নিষিদ্ধ হয়েছে। ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থায় তার নাগরিকের সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে। চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, অর্থ আত্মসাৎ, অধিকার হরণ, হারাম উপার্জন প্রভৃতি হারাম ঘোষণা করে এবং এসবের বিরুদ্ধে কঠিন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়ে ইসলামি রাষ্ট্র সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। আল্লাহ বলেন, “হে মুমিনগণ! তোমরা একে অপরের ধনসম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করো না, তোমাদের পারস্পরিক সম্মতিতে ব্যবসায়ের মাধ্যমে হলে সেটা স্বতন্ত্র কথা।” (সূরা আন-নিসা : ২৯)
উদ্দীপকে বর্ণিত হয়েছে, প্রফেসর ড. 'ফ' বলেন যে, এ সংগঠনটি অর্থাৎ, ইসলামি রাষ্ট্র মানুষের জীবনের, সম্ভ্রমের ও সম্পদের নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
উপরের আলোচনা থেকে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায়, যে, ড. 'ফ'-এর বক্তব্য সঠিক এবং যুক্তিযুক্ত।