শেয়ারFacebookWhatsApp

উদ্দীপকের আলোকে রাষ্ট্রীয় আয়ের উৎসগুলো লেখো।

উত্তর: ইসলামি রাষ্ট্রীয় আয়ের মাধ্যমে এটি রাষ্ট্র পরিচালিত হয়। ইসলামি রাষ্ট্র একটি জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান। এজন্য এর অর্থব্যবস্থাও জনকল্যাণের জন্য নিবেদিত। ইসলামি অর্থব্যবস্থায় সব বিধিবিধান মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তিকে অগ্রাধিকার দিয়ে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে রচিত । এ অর্থব্যবস্থায় রাষ্ট্রীয় আয়ের উৎসসমূহ মূলত জাকাত, উশর, খারাজ, সাদাকাত, খুমুস, জিজিয়া, গনিমত ইত্যাদি। উদ্দীপকে উশরের বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। উদ্দীপকে এক ছাত্র তার কৃষক বাবাকে বলে, ফল ও ফসল সংগ্রহের সময় তার নির্দিষ্ট একটি অংশ দরিদ্রদের দিতে হয়। যা উশরকে নির্দেশ করে। ইসলামি রাষ্ট্র রাষ্ট্রীয় আয়ের মাধ্যমে গঠিত ও পরিচালিত হয়। কেননা কোনো রাষ্ট্রই অর্থসম্পদ ছাড়া চলতে পারে না। রাষ্ট্রের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রতিরক্ষা, ব্যক্তিগত ভাতা, প্রশাসনিক ব্যয়, আপদকালীন ব্যয় ইত্যাদি খাতে অনেক অর্থ ব্যয় করা হয়। এসব অর্থের সংকুলানের জন্য ইসলামি অর্থব্যবস্থায় রাষ্ট্রীয় আয়ের উৎস থেকে সংগ্রহ করে। সুতরাং মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তিতে রাষ্ট্রীয় আয়ের ভূমিকা অপরিসীম।

HSC Islamic Studies 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic Studies 1st Paper · সৃজনশীল

উদ্দীপকের আলোকে রাষ্ট্রীয় আয়ের উৎসগুলো লেখো।

উদ্দীপক

জনাব ফয়সাল একজন' কলেজ শিক্ষক। একদিন তিনি ক্লাসে কুরআন- হাদিসের আলোকে সম্পদের সর্বাধিক উৎপাদন, সুষ্ঠু বণ্টন ও ন্যায়সঙ্গত ভোগ বিশ্লেষণ, রাষ্ট্রীয় আয়ের উৎস সম্পর্কে আলোচনা করেন। কয়েকদিন তার আলোচনা শুনে এক ছাত্র তার কৃষক বাবাকে বলে যে, ফল ও ফসল সংগ্রহের সময় তার নির্দিষ্ট একটা অংশ দরিদ্রদের দিয়ে দিতে হয়। এরপর থেকে তার বাবা তাই করতেন।

সরকারি আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া · 2024

উত্তর

ইসলামি রাষ্ট্রে ইসলামি আইনের অনুকূলে স্থায়ীভাবে বসবাসরত অমুসলিমদের জনপ্রতি বাৎসরিক ধার্যকৃত করকে জিজিয়া বলে।

উত্তর

ইসলামি অর্থব্যবস্থা হলো কুরআন-সুন্নাহে বর্ণিত মানুষের সম্পদ উপার্জন, বণ্টন ও ব্যয়ের নির্দেশনা। অর্থসম্পদ সম্পৰ্কীয় সবক্ষেত্রে এর আদর্শিক চেতনা ও অর্থব্যবস্থাকে মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত রাখে। ইসলামি অর্থব্যবস্থার মূল লক্ষ্য কেবল পৃথিবীর অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধান নয় বরং এ ব্যবস্থা মানুষের পরকালের মুক্তিও নিশ্চিত করে।

উত্তর

ইসলামি রাষ্ট্রীয় আয়ের মাধ্যমে এটি রাষ্ট্র পরিচালিত হয়। ইসলামি রাষ্ট্র একটি জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান। এজন্য এর অর্থব্যবস্থাও জনকল্যাণের জন্য নিবেদিত। ইসলামি অর্থব্যবস্থায় সব বিধিবিধান মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তিকে অগ্রাধিকার দিয়ে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে রচিত । এ অর্থব্যবস্থায় রাষ্ট্রীয় আয়ের উৎসসমূহ মূলত জাকাত, উশর, খারাজ, সাদাকাত, খুমুস, জিজিয়া, গনিমত ইত্যাদি। উদ্দীপকে উশরের বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। উদ্দীপকে এক ছাত্র তার কৃষক বাবাকে বলে, ফল ও ফসল সংগ্রহের সময় তার নির্দিষ্ট একটি অংশ দরিদ্রদের দিতে হয়। যা উশরকে নির্দেশ করে। ইসলামি রাষ্ট্র রাষ্ট্রীয় আয়ের মাধ্যমে গঠিত ও পরিচালিত হয়। কেননা কোনো রাষ্ট্রই অর্থসম্পদ ছাড়া চলতে পারে না। রাষ্ট্রের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রতিরক্ষা, ব্যক্তিগত ভাতা, প্রশাসনিক ব্যয়, আপদকালীন ব্যয় ইত্যাদি খাতে অনেক অর্থ ব্যয় করা হয়। এসব অর্থের সংকুলানের জন্য ইসলামি অর্থব্যবস্থায় রাষ্ট্রীয় আয়ের উৎস থেকে সংগ্রহ করে। সুতরাং মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তিতে রাষ্ট্রীয় আয়ের ভূমিকা অপরিসীম।

উত্তর

জনাব ফয়সাল ইসলামি অর্থব্যবস্থা সম্পর্কে আলোচনা করেছিলেন। যা চালু থাকলে সমাজে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে বলে আমি মনে করি। ইসলামি অর্থব্যবস্থা একটি আদর্শিক এবং ইসলামি শরিয়াহভিত্তিক অর্থব্যবস্থা। অর্থাৎ ইসলামি অর্থব্যবস্থা হলো কুরআন-সুন্নাহে বর্ণিত মানুষের সম্পদ উপার্জন, বণ্টন ও ব্যয়ের নির্দেশনা। উদ্দীপকে জনাব ফয়সালের আলোচনা এদিকেই ইঙ্গিত করেছে। উদ্দীপকে উল্লেখিত জনাব ফয়সাল একদিন ক্লাসে কুরআন-হাদিসের আলোকে সম্পদের সর্বাধিক উৎপাদন, সুষ্ঠু বণ্টন ও ন্যায়সঙ্গত ভোগ বিশ্লেষণ সম্পর্কে আলোচনা করেন। তার আলোচনা ইসলামি অর্থব্যবস্থার দিকেই ইঙ্গিত করে। কেননা কুরআন হাদিসের আলোকে সম্পদের সর্বাধিক উৎপাদন, সুষ্ঠু বণ্টন ও ন্যায়সঙ্গত ভোগ বিশ্লেষণই হলো ইসলামি অর্থব্যবস্থা। ইসলামি অর্থব্যবস্থা সমাজে সব পর্যায়ে মানুষের মৌল মানবিক অধিকারের নিশ্চয়তা বিধান করে। এ ব্যবস্থায় এমনভাবে অর্থ উপার্জন ও ব্যয়ের নীতি নির্ধারণ করা হয়েছে যাতে সমাজের কোনো পর্যায়ের মানুষকেই খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা ও বিনোদন নিয়ে ভাবতে হবে না। ইসলামি অর্থব্যবস্থা অর্থসম্পর্কীয় কার্যক্রমের সাথে ন্যায়নিষ্ঠা ও সুবিচার এবং ইহসান বা সদাচার সম্পৃক্ত হবে। মহানবি (স) বলেন- 'ঘাম শুকাবার আগে শ্রমিকের পাওনা মিটিয়ে দাও' (সুনানে নাসাঈ)। এ অর্থব্যবস্থায় সমাজে অর্থনৈতিক সাম্য প্রতিষ্ঠিত হবে। সমাজে কোনোরূপ বৈষম্য থাকবে না। আবার এ অর্থব্যবস্থার অন্যতম উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো— জাকাতভিত্তিক অর্থব্যবস্থা। সুদমুক্ত এ জাকাতভিত্তিক অর্থব্যবস্থায় ধনীদের সম্পদ হতে জাকাত আদায় করে দরিদ্রদের সহায়তার মাধ্যমে দারিদ্র্য মোচন করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হয়। ফলে এ অর্থব্যবস্থায় সমাজে দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব হবে। পরিশেষে বলা যায় যে, ইসলামি অর্থব্যবস্থার মাধ্যমেই সমাজে শান্তি- শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।
HSCIslamic Studies 1st Paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — ব্যাখ্যা লকড

1.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর ইয়াকুব হোসেন ইসলামি শিক্ষার ক্লাসে আলোচনার এক পর্যায়ে বলেন, মানুষ পরস্পর ভাই-ভাই, তাদের আদি উৎস আদম ও হাওয়া (আ)। তাইতো আল্লাহপাক বলেন, 'মানুষ একই উম্মাহর অন্তর্ভুক্ত'।Q. একজন দাঈর বৈশিষ্ট্য হলো-
i. বয়ঃবৃদ্ধ হওয়া
ii. আমলদার হওয়া
iii. উপস্থিত বুদ্ধি থাকানিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর ইয়াকুব হোসেন ইসলামি শিক্ষার ক্লাসে আলোচনার এক পর্যায়ে বলেন, মানুষ পরস্পর ভাই-ভাই, তাদের আদি উৎস আদম ও হাওয়া (আ)। তাইতো আল্লাহপাক বলেন, 'মানুষ একই উম্মাহর অন্তর্ভুক্ত'।Q. উদ্দীপকে প্রফেসর ইয়াকুব কীসের প্রতি ইঙ্গিত করেন?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর মিজানুর রহমান বিখ্যাত গ্রিক পণ্ডিত এরিস্টটলের অনুকরণে একটি গ্রন্থ রচনা করেন। উক্ত গ্রন্থে তিনি জগৎ ও প্রকৃতির সাথে মানুষের সম্পর্ক ও বস্তুর চিরন্তনতা বিষয়ে আলোচনা করেন। তবে তিনি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন একাদশ-দ্বাদশ শতাব্দীর সেইসব মুসলিম বিজ্ঞানীদের যারা বস্তুর আয়তন, পরিধি ও সমীকরণ বিষয়ে ব্যাপক গবেষণা করেন ও এ ক্ষেত্রে নতুন নতুন শাখা উদ্ভাবন করেন।Q. উদ্দীপকে উল্লিখিত একাদশ-দ্বাদশ শতাব্দীর গবেষণার ফলে-
i. দর্শনে ব্যাপক উন্নতি হয়
ii. জ্যামিতি শাস্ত্রে ব্যাপক উন্নতি হয়
iii. ক্যালকুলাস ব্যাপক সমৃদ্ধ হয়নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর মিজানুর রহমান বিখ্যাত গ্রিক পণ্ডিত এরিস্টটলের অনুকরণে একটি গ্রন্থ রচনা করেন। উক্ত গ্রন্থে তিনি জগৎ ও প্রকৃতির সাথে মানুষের সম্পর্ক ও বস্তুর চিরন্তনতা বিষয়ে আলোচনা করেন। তবে তিনি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন একাদশ-দ্বাদশ শতাব্দীর সেইসব মুসলিম বিজ্ঞানীদের যারা বস্তুর আয়তন, পরিধি ও সমীকরণ বিষয়ে ব্যাপক গবেষণা করেন ও এ ক্ষেত্রে নতুন নতুন শাখা উদ্ভাবন করেন।Q. উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রফেসর মিজানুর রহমানের গ্রন্থের সাথে নিচের কোন গ্রন্থের মিল রয়েছে?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.মদিনা সনদের স্বাক্ষরকারী পক্ষগুলো হলো-

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.নিচের কোনটিতে এক পঞ্চমাংশ কর দিতে হয়?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.প্রকৃতপক্ষে যা নয় তা প্রকাশ করাকে কী বলে?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: 'ক' নামক শহরে নগর জীবনের ব্যস্ততা ভুলে সর্বশ্রেণির মানুষ পারস্পরিক সহযোগিতা ও উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণ করে। তারা নগরের সমাজবিরোধী কাজ প্রতিরোধ করে, নামাজ, রোজা ও ঈদ উৎসব পালন করে। এক ঈদের খুতবায় খতিব সাহেব বললেন, নগরের টেকসই শান্তির জন্য মসজিদকে কার্যকর করা কর্তব্য।Q . খতিব সাহেবের নির্দেশনা কার্যকর হলে নগরে-
i. সামাজিক অপরাধ হ্রাস পাবে
ii. মসজিদের সংখ্যা বেড়ে যাবে
iii. ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় হবেনিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: 'ক' নামক শহরে নগর জীবনের ব্যস্ততা ভুলে সর্বশ্রেণির মানুষ পারস্পরিক সহযোগিতা ও উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণ করে। তারা নগরের সমাজবিরোধী কাজ প্রতিরোধ করে, নামাজ, রোজা ও ঈদ উৎসব পালন করে। এক ঈদের খুতবায় খতিব সাহেব বললেন, নগরের টেকসই শান্তির জন্য মসজিদকে কার্যকর করা কর্তব্য।Q . 'ক' নামক শহরে কীসের প্রতিফলন লক্ষণীয়?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.মুসলিম বিজ্ঞানীদের ভূগোল চর্চার ফলে-

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.হযরত খানজাহান আলী (রহ.) ইসলাম প্রচার করেন কোন অঞ্চলে?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.খিদমতে খালক অর্থ কী?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর ইয়াকুব হোসেন ইসলামি শিক্ষার ক্লনিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর ইয়াকুব হোসেন ইসলামি শিক্ষার ক্লনিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর মিজানুর রহমান বিখ্যাত গ্রিক পণ্নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর মিজানুর রহমান বিখ্যাত গ্রিক পণ্মদিনা সনদের স্বাক্ষরকারী পক্ষগুলো হলো-নিচের কোনটিতে এক পঞ্চমাংশ কর দিতে হয়?প্রকৃতপক্ষে যা নয় তা প্রকাশ করাকে কী বলে?নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: 'ক' নামক শহরে নগর জীবনের ব্যস্ততা ভুলেনিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: 'ক' নামক শহরে নগর জীবনের ব্যস্ততা ভুলেমুসলিম বিজ্ঞানীদের ভূগোল চর্চার ফলে-হযরত খানজাহান আলী (রহ.) ইসলাম প্রচার করেন কোন অঞ্চলে?খিদমতে খালক অর্থ কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।