আবদুল আলি সাহেবের বক্তব্যে যে ইবাদতের উল্লেখ আছে তার সামাজিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: আবদুল আলি সাহেবের বক্তব্যে আর্থিক ইবাদত হিসেবে জাকাতের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে, যার সামাজিক গুরুত্ব অপরিসীম। নিসাব পরিমাণ সম্পদ যদি কোনো মুসলিম ব্যক্তির মালিকানায় পূর্ণ এক বছর থাকে এবং তা যদি তার প্রয়োজনের অতিরিক্ত হয়, তাহলে শরিয়তের বিধান অনুযায়ী সে সম্পদ থেকে ২.৫% হারে নির্দিষ্ট আটটি খাতে কিংবা কোনো এক বা একাধিক খাতে ব্যয় করার পদ্ধতি হলো জাকাত। জাকাত মূলত একটি আর্থিক ইবাদত। এটি ধনীদের সম্পদে দরিদ্রদের অধিকার। যা আবদুল আলি সাহেবের বক্তব্যেও ফুটে উঠেছে। উদ্দীপকে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশি অর্থনীতিবিদ ড. আবদুল আলি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ একটি দেশে চাকরি করতে গিয়ে দেখেন, তার কয়েকজন বন্ধু প্রচুর ধন-সম্পদের মালিক হওয়া সত্ত্বেও দরিদ্রদের কোনো অর্থ দেন না। তাই একদিন তিনি তার এক বন্ধুকে বললেন, 'শারীরিক ইবাদতের মতো আর্থিক একটি ইবাদত তোমার ওপর ফরজ'। তিনি এখানে আর্থিক ইবাদত বলতে জাকাতের প্রতিই ইঙ্গিত করেছেন। জাকাতের সামাজিক গুরুত্ব অপরিসীম। সঠিকভাবে জাকাত প্রদানের মাধ্যমে মুসলিম জনগোষ্ঠীর মধ্যে ভাতৃত্ববোধের উন্মেষ ঘটে। এছাড়া জাকাত মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেয় এবং সমাজ থেকে অভাব দূর করতে সহায়তা করে। সমাজ থেকে দারিদ্রদ্র্য দূরীকরণে জাকাতের ভূমিকা অপরিসীম। গরিবদের প্রয়োজন পূরণের পর জাকাতের অর্থ উদ্বৃত্ত থাকলে ব্যয়ে সে অর্থে সমাজের বিভিন্ন কল্যাণমূলক কাজ সম্পাদন করা যায়।উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, আর্থিক ইবাদত হলেও জাকাতের সামাজিক গুরুত্ব অপরিসীম। এটি ধনী-গরিবের মধ্যে সম্পর্কের উন্নয়ন, বৈষম্য ও অপরাধ হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
HSC Islamic Studies 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক
HSC · Islamic Studies 1st Paper · সৃজনশীল
আবদুল আলি সাহেবের বক্তব্যে যে ইবাদতের উল্লেখ আছে তার সামাজিক গুরুত্…
উদ্দীপক
Rajshahi · 2018
উত্তর
উত্তর
উত্তর
উত্তর