পবিত্র কুরআনে মানবজীবনের জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছুর পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা থাকায় সাকিব সাহেবের প্রতি গোফরান সাহেবের উক্তিটিকে যথার্থ বলা যায় ।
পবিত্র কুরআন মহান আল্লাহর বাণী। এটি আল্লাহ প্রদত্ত সর্বশেষ আসমানি কিতাব, সার্বজনীন জীবন বিধান। এটি বিভিন্ন দিক বিবেচনায় সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ।
উদ্দীপকে জনাব সাকিবের প্রতি জনাব গোফরান কুরআন নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন তা সমর্থনযোগ্য। বিশ্বমানবতার সর্বদিক জ্ঞান- বিজ্ঞানের উৎস হিসেবে আল-কুরআনের মাহাত্ম্য অনস্বীকার্য। সৃষ্টি রহস্য, স্রষ্টা ও সৃষ্টির সম্পর্ক, সৃষ্টিকূলের প্রয়োজনে ভূতত্ত্ব, রসায়ন, পদার্থ, জীববিজ্ঞান ইত্যাদি সকল জ্ঞানবিজ্ঞানের সমৃদ্ধ সমাহার হচ্ছে আল-কুরআন । এ মর্মে পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন-
وَلَقَدْ صَرَفْنَا لِلنَّاسِ فِي هَذَا الْقُرْآنِ مِنْ كُلِّ مَثَلٍ.
অর্থ : “নিশ্চয়ই আমি এ মহাগ্রন্থ আল-কুরআনে মানবজাতির কল্যাণের জন্য প্রতিটি বিষয়ই বিশদভাবে বর্ণনা করে দিয়েছি।” (সূরা বনি ইসরাইল : ৮৯) মহাগ্রন্থ আল-কুরআন বিশ্বমানব মণ্ডলীর যাবতীয় যুগজিজ্ঞাসার সমাধানের অফুরন্ত ভাণ্ডার । আল্লাহ বলেছেন—
وَنُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْآنِ مَا هُوَ شِفَاء
অর্থ : “কুরআন অবতীর্ণ করেছি, যাতে মুমিনদের জন্য রয়েছে সকল সমস্যার সমাধান।” (সূরা বনি ইসরাইল : ৮২)
পরিশেষে বলা যায়, পৃথিবীর সকল বিষয় সম্পর্কে সম্যক ইঙ্গিত যা দিকনির্দেশনা রয়েছে আল-কুরআনে। ফলে কুরআন গ্রন্থে পৃথিবীর সকল জ্ঞান বিজ্ঞানের উৎস। তাই কুরআন সম্পর্কে সাকিব সাহেবের প্রতি গোফরান সাহেবের বক্তব্যটি সম্পূর্ণ সঠিক ও যথার্থ হয়েছে।