জনাব 'প'-এর বক্তব্যের সাথে আমি একমত।আল-কুরআন আদর্শ ব্যক্তিজীবন গঠনের পদ্ধতি সুস্পষ্টভাবে পেশ করেছে। শিরক, বিদায়াত, কুফর, কপটতা, নিজ নিজ প্রবৃত্তির অনুসরণ পরিহার করে একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর গোলামি করার প্রতি কুরআন দিকনির্দেশনা দিয়েছে। যাবতীয় অন্যায়, পাপ পরিহার করে পূতপবিত্র ও নিষ্কলুষ জীবনাচারের' প্রতি কুরআন মাজিদ ব্যক্তিকে আহ্বান জানায়। কারণ পূতপবিত্র জীবনযাপনের মাধ্যমেই ব্যক্তির চরিত্র সম্পূর্ণ সঠিকভাবে চলতে পারে এবং জাতির কল্যাণ হতে পারে। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ বলেন, "যে হিদায়েতের পথে চলবে, তা হবে তার নিজের জন্য কল্যাণকর। আর যে ভ্রান্ত পথে চলবে, তার গোমরাহির জন্য সে নিজেই দায়ী। কোনো বোঝা বহনকারী অন্যের বোঝা বহন করবে না," (সূরা বনি ইসরাইল: ১৫)
বিশ্ববাসীর নিকট চিরকাঙ্ক্ষিত আদর্শ রাষ্ট্রব্যবস্থার রূপরেখা আল-কুরআনে সুস্পষ্টভাবে বিধৃত হয়েছে। তার আলোকেই সুখশান্তিময় ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠন করতে হবে। নবি-রাসুলগণও আল্লাহর বিধানের 'আলোকেই রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েম করে গেছেন। বর্তমান দুনিয়ায় অশান্তির মূল কারণ হলো মানুষের 'মনগড়া আইন ও দুর্নীতিপরায়ণ লোকদের শাসনব্যবস্থা। রাজনীতি ও প্রশাসনের কোথাও সততা নেই। অথচ একটি রাষ্ট্রের মূল চালিকাশক্তি হলো সৎ ও সঠিক রাজনীতি এবং স্বচ্ছ প্রশাসন ব্যবস্থা। অতএব রাষ্ট্রে কুরআনের আদর্শ বাস্তবায়ন করতে পারলেই একটি সফল এবং আদর্শ রাষ্ট্র গঠিত হবে।উদ্দীপকে জনাব 'প' এর মতে একটি আদর্শ রাষ্ট্র গঠনে এবং আদর্শ ব্যক্তি গঠনে আল-কুরআন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 'প'-এর উক্ত মতের যথার্থতা উপরিউক্ত আলোচনায় প্রতীয়মান হয়। তাই তার বক্তব্যের সাথে আমি একমত।