মানুষ সামাজিক জীবন, আত্মীয়-অনাত্মীয়, মুসলিম-অমুসলিম, পাড়া-প্রতিবেশী নিয়ে পারস্পরিক নির্ভরশীলতার ভিত্তিতে তাকে সামাজিক জীবনযাপন করতে হয়। অবিচার, জুলুম, অধিকার আত্মসাৎ, হত্যা, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, ব্যভিচার ও নানারকম খারাপ আচরণ মানুষের সামাজিক জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে। এ অবস্থা নিরসনে কুরআন ন্যায়বিচার, সদাচার ও প্রয়োজনীয় দণ্ড বিধানের ঘোষণা দিয়েছে । সহানুভূতি, সদাচার ও ন্যায়নীতির ভিত্তিতে কুরআন মাজিদ মানুষের সামাজিক জীবনকে সমস্যামুক্ত ও শান্তিপূর্ণ করার সামগ্রিক বিধান দিয়েছে।
একটি সুন্দর, সুস্থ ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে কুরআনের ভূমিকা অপরিসীম। সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে। لَا تُفْسِدُوا فِي الْأَرْضِ অর্থ : “তোমরা পৃথিবীর বুকে দাঙ্গা- হাঙ্গামা সৃষ্টি কর না।” (সূরা বাকারা : ১১) অপর আয়াতে আল্লাহ বলেন- وَيُفْسِدُونَ فِي الْأَرْضِ أَوْلَئِكَ هُمُ الْخَسِرُونَ অর্থ : “আর যারা পৃথিবীর বুকে অশান্তি সৃষ্টি করে তারাই ক্ষতিগ্রস্ত।” (সূরা বাকারা : ২৭)
অতএব বলা যায়, কুরআনের শিক্ষা সমাজজীবনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ।