উদ্দীপকে আরাফ সর্বাধিক পবিত্র মর্যাদাপূর্ণ ঐশীগ্রন্থ 'আল-কুরআন' তিলাওয়াত করেছে। আর আল-কুরআন মাজিদ তিলাওয়াতের গুরুত্ব ও ফজিলত অফুরন্ত।ইহকালীন মুক্তি ও শান্তির পাশাপাশি পরকালীন মুক্তির জন্য ফরজ ইবাদতগুলোর পাশাপাশি অনেক নফল ইবাদত রয়েছে। নফল ইবাদতের মধ্যে কুরআন তিলাওয়াত করা সর্বোত্তম ইবাদত। রসুলে পাক (সা.)-এরশাদ করেছেন- "নফল ইবাদতের মধ্যে কুরআন তিলাওয়াতই শ্রেষ্ঠ ইবাদত,” (বায়হাকি) কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে বান্দা অল্প সময়ে, অল্প পরিশ্রমে অধিক সওয়াব লাভ করতে পারে। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন- “যে ব্যক্তি কুরআন মাজিদের একটি অক্ষর পাঠ করে, সে একটি নেকি পায় এবং এর প্রত্যেকটি নেকি দশটি নেকির সমান। (তিরমিযি)কুরআন তিলাওয়াতের ব্যাপারে মহান আল্লাহর অনেক নির্দেশনা রয়েছে। মহান আল্লাহ বলেন, "তোমার প্রতি কিতাবের যা ওহি হয়েছে তা তিলাওয়াত কর।” (সূরা আল আনকাবুত : ৪৫) অন্যত্র তিনি বলেন, "আর তুমি সুবিন্যস্ত ও স্পষ্টভাবে কুরআন তিলাওয়াত কর।' (সূরা মুযযাম্মিল : ০৪)পাপ বা গুনাহ করতে করতে মানুষের অন্তরে মরিচা পড়ে যায়, মরিচাপূর্ণ অন্তর সত্য গ্রহণে ক্রমান্বয়ে অযোগ্য হয়ে পড়ে। কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অন্তরের মরিচা দূর হয়ে যায়। তাছাড়া এর মাধ্যমে মানসিক উৎকর্ষ সাধন করা যায়। কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শয়তানের কুমন্ত্রণা হতে মুক্তি পাওয়া যায়।তাই বলা যায়, মানবজীবনে কুরআন তিলাওয়াতের গুরুত্ব অপরিসীম।