ফেরদৌসের আলোচনায় পবিত্র কুরআনের মাদানি সূরার বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে।
অবতীর্ণের দিক থেকে পবিত্র কুরআনের ১১৪টি সূরাকে দুভাগে ভাগ করা হয়েছে। তাহলো মাক্কী সূরা ও মাদানি সূরা। হিজরতের পরে অবতীর্ণ সূরাগুলোকে মাদানি সূরা বলা হয়। উদ্দীপকে প্রদত্ত বৈশিষ্ট্য মাদানি সূরার সাথে সামঞ্জস্যশীল। মাদানি সূরার মধ্যে আরও যেসব বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান তাহলো-
১. মাদানি সূরাসমূহে আহলে কিতাব তথা ইহুদি ও খ্রিস্টানদের প্রতি ইসলামের আহ্বান জানানো হয়েছে ।
২. এতে আহলে কিতাবের পথভ্রষ্টতা ও তাদের কিতাব বিকৃতির কথা বর্ণনা করা হয়েছে।
৩. এ সূরাসমূহে নিফাকের পরিচয় ও মুনাফিকদের ষড়যন্ত্রের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
৪. ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক, জাতীয়, আন্তর্জাতিক, শিক্ষা, সাংস্কৃতিক নীতিমালা বর্ণিত হয়েছে।
৫. পারস্পরিক লেনদেন, উত্তরাধিকার আইন, ব্যবসায় বাণিজ্য, ক্রয়- বিক্রয়সহ যাবতীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিধান বর্ণিত হয়েছে। ৬. বিচার ব্যবস্থা, দণ্ডবিধি, জিহাদ, পররাষ্ট্রনীতি ইত্যাদি বিষয় আলোচিত হয়েছে।
৭. ইবাদাতের রীতিনীতি, সালাত, যাকাত, হজ, সাওম ইত্যাদি বিষয় বিবৃত হয়েছে।
৮. শরিয়তের বিধিবিধান, ফরজ, ওয়াজিব, হালাল-হারাম ইত্যাদির সুস্পষ্ট বর্ণনা রয়েছে।
৯. সূরাগুলো ও এর আয়াতসমূহ তুলনামূলকভাবে দীর্ঘ।