আদর্শ পরিবার গঠন এবং আদর্শ সমাজ গঠনে কুরআন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জনাব 'প'-এর এ বক্তব্যের সাথে আমি একমত।
মাতা-পিতা, সন্তান-সন্তুতি, স্বামী-স্ত্রী, ভাই-বোন সবাইকে নিয়ে মুসলিম পরিবার গড়ে ওঠে। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, বিশ্বাস, ভালোবাসা, সহানুভূতি, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি এবং সর্বাত্মক সহযোগী মনোভাব প্রতিষ্ঠাই এ সংস্থার মূল লক্ষ্য। পরিবার তথা স্বজনদের দায়িত্ব পালন বিষয়ে আল্লাহ তায়ালা বলেন, “আর নিকটাত্মীয়কে তার হক দিয়ে দাও।” (সূরা বনি-ইসরাইিল: ২৬) এভাবে পরিবারের সবার হক আদায়ের মাধ্যমে একে অপরের প্রতি আস্থা, বিশ্বাস গড়ে ওঠে। যার ফলে আদর্শ পরিবার গঠিত হয়।
মানুষ সামাজিক জীব। আত্মীয়-অনাত্মীয়, মুসলিম-অমুসলিম, পাড়া-প্রতিবেশী নিয়ে পারস্পরিক নির্ভরশীলতার ভিত্তিতে তাকে সামাজিক জীবননির্বাহ করতে হয়। অবিচার-জুলুম, অধিকার আত্মসাৎ, হত্যা, চুরি-ডাকাতি-ছিনতাই, ব্যভিচার ও নানারকম খারাপ আচরণ সামাজিক জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে। আল-কুরআনে এ সমস্যাগুলোর নিরসনে আল্লাহ্ তায়ালা বলেন, “তোমরা ন্যায়বিচার করো। তা তাকওয়ার সর্বাধিক নিকটবর্তী।” (সুরা আল- মায়েদা : ৮) এব্যাপারে হাদিসেও বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে।
এভাবেই সহানুভূতি, সদাচার ও ন্যায়নীতির ভিত্তিতে কুরআন মাজিদ আদর্শ পরিবার ও আদর্শ সমাজ গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।