অধ্যাপক ইবরাহিম সাহেবের ১ম বক্তব্যে মুত্তাকিদেরকে চিহ্নিত করা হয়েছে।
মুত্তাকি হলো তারা যাদের মধ্যে তাকওয়া তথা পরহেযগারিতা রয়েছে। মুত্তাকিরা গায়েবে বা অদৃশ্যে ইমান রাখে। পরকাল তথা মৃত্যুর পরের জবাবদিহি, বেহেশত, দোজখ, হাশর, পুলসিরাত প্রভৃতি বিষয়ের ওপর পূর্ণাঙ্গ আস্থা রাখে এবং পাপাচার থেকে বিরত থাকে, যা ইবরাহিম সাহেবের বক্তব্যের প্রথমাংশে ফুটে উঠেছে।
উদ্দীপকে অধ্যাপক ইবরাহিম পবিত্র কুরআনের সুরা বাকারার দুটি আয়াতের মধ্যে প্রথম আয়াতে মুত্তাকিদের চিহ্নিত করা হয়েছে। মুত্তাকিরা সর্বদা আল্লাহকে ভয় করে এবং পাপকাজ থেকে বিরত থাকে। তারা গায়েবে ইমান পোষণ করে তথা আল্লাহর অস্তিত্ব ও ক্ষমতায় বিশ্বাসের পাশাপাশি ফেরেশতা, বেহেশত-দোজখ, হাশর, পুলসিরাত, আরশ, কুরসি, তাকদির, হিসাব-নিকাশ প্রভৃতি অদৃশ্য বিষয়ের সত্যতায় বিশ্বাস পোষণ করে । পরকালে জবাবদিহির ভয়ে মুত্তাকিরা পাপাচার থেকে সর্বদা বিরত থাকে এবং সৎকর্ম করে। আল্লাহ তাদেরকে যে রিজিক দিয়েছেন তা থেকে তারা মানুষের কল্যাণে আল্লাহর নির্দেশিত পথে ব্যয় করে। উদ্দীপকে ইবরাহিম সাহেবের বক্তব্যের প্রথম আয়াতে পাপাচার থেকে আত্মরক্ষা ও পরকালে মুক্তির গুণসম্পন্ন ব্যক্তি তথা মুত্তাকিদের বৈশিষ্ট্যসমূহ চিহ্নিত করা হয়েছে।