উদ্দীপকে উল্লিখিত মানবজাতির সফলতার শিহরে পৌঁছার গাইড হলো আল কুরআন। এর পরিচয় ও সফলতা অর্জনে এর ভূমিকা নিম্নরূপ- কুরআন শব্দটির অর্থ একত্র করা সংগ্রহ করা, পাঠ বা আবৃত্তি করা। ইসলামি পরিভাষায় মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে হযরত জিব্রাইল (আ.)-এর মাধ্যমে মহানবি (সা.)-এর ওপর অবতীর্ণ সর্বশেষ আসমানি গ্রহন্থকে আল-কুরআন বলা হয়।
মহাবিশ্বের মহাবিস্ময় মহান আল্লাহর সর্বশেষ ঐশিগ্রন্থ আল কুরআন। এটি মানবতার মুক্তির দূত রাসুল (সা.)-এর উপর সুদীর্ঘ ২৩ বছরব্যাপী অবতীর্ণ হয়েছে। এতে বিশ্ব মানবের পার্থিব ও পরকালীন জীবনের প্রয়োজনীয় বিষয়বস্তুর মৌলধারা আলোচিত হয়েছে।
পবিত্র কুরআনের মূল আলোচ্য বিষয় মানবজাতি। মানুষের দুনিয়া ও আখিরাতের সার্বিক কল্যাণ ও সফলতার নির্দেশনা মহান আল্লাহ এ কুরআনের মাধ্যমে আমাদের জানিয়ে দিয়েছেন। মহান আল্লাহ বলেন, কুরআন হচ্ছে মানুষের সৎপথের দিশারি, সুস্পষ্ট পথনির্দেশক ও সত্য-মিথ্যার পার্থক্য বিধানকারী।” (সূরা বাকারা : ১৮৫) “এ তো বিশ্বজগতের জন্য উপদেশ ব্যতীত অন্য কিছু নয়।” (সূরা তাকভির : ২৭) পবিত্র কুরআন মানবজাতির কল্যাণ ও সফলতা অর্জনের পথ মহান আল্লাহ বলেন, “নিশ্চয়ই আমি এ মহানগ্রন্থ আল-কুরআনে মানজাতির কল্যাণের জন্য প্রতিটি বিষয়ই বিশদভাবে বর্ণনা করে দিয়েছি।” (সূরা বনি ইসরাইল : ৮৯) তাই বলা যায়, সফলতা অর্জনে কুরআনের ভূমিকা অপরিসীম।