"কুরআনের মতো হাদিসও আল্লাহর ওহি"।আলিম সাহেবের এ উক্তিটি সঠিক। শরিয়তের দৃষ্টিতে কুরআনের পরই হাদিসের স্থান। সুতরাং শরিয়তের দ্বিতীয় উৎস হিসেবে হাদিসের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। আর হিদায়েতের উৎস মহাগ্রন্থ আল-কুরআনের নির্যাস হলো হাদিস। কারণ হাদিস হলো মহান আল্লাহর পরোক্ষ বাণী। এ মর্মে এরশাদ হচ্ছে, “রাসুল (সা.) নিজে প্রবৃত্তি থেকে কোনো কথা বলেন না, বরং তাঁর নিকট প্রেরিত ওহি ছাড়া আর কিছুই নয়।" (সূরা নজম: ৩-৪)কুরআন মজিদ মহান আল্লাহর বাণীসমূহের সংকলন। আল্লাহর বাণীসমূহের ব্যাখ্যা ও তাৎপর্য সকলের পক্ষে, বোঝা সম্ভব নয়। এর ব্যাখ্যা জানার জন্য হাদিসের শরণাপন্ন হওয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন, "আর তোমার প্রতি আমি কুরআন নাযিল করেছি, যাতে লোকদের জন্য যে শিক্ষা অবতীর্ণ করা হয়েছে তা তুমি তাদের কাছে সুস্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করতে পার এবং যাতে তারা চিন্তা-গবেষণা করে।” (সূরা নাহল : ৪৪)রাসুল (সা.) আল-কুরআনের যে ব্যবহারিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ পেশ করতেন তাই হাদিস। সেই বিশ্লেষণ দ্বারাই কুরআনের সারমর্ম বক্তব্যের ব্যাপক আমলের কথা বোঝা যায়।উপরিউক্ত আলোচনায় আলিম সাহেবের উক্তির যথার্থতা প্রমাণিত হয়।