শিক্ষার্থী রিফাদের চরিত্রে হাদিসের আলোকে উত্তম।শরিয়তের নিরিখে মহানবি (সা.)-এর আদেশ-নিষেধ, যাবতীয় কর্মকান্ড, কথাবার্তা সবই মুসলিম উম্মাহর নৈতিক জীবন গঠনের জন্য একান্ত অনুসরণীয় এক মহান আদর্শ। এ আদর্শ আমাদেরকে পুরাপুরি মেনে চলতে হবে। এ মর্মে আল্লাহ তায়ালা বলেন, "রাসুলের জীবনে রয়েছে তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ।” (সূরা আহযাব: ২১)খাল্লাহ তায়ালা আরও বলেন, "আপনি অবশ্যই মহান চরিত্রে অধিষ্ঠিত।” (সূরা আল-কালাম: ৪) অপরদিকে, ইমানের প্রতিবন্ধক দোষাবলি সম্পর্কে মহানবি (সা.) বলেন, মুমিন ব্যক্তি পরনিন্দুক ও দোষান্বেষক হবে না। সে অভিমাপকারী নয়। সে নয় অশালীন আর না সে নির্লজ্জ। এ হাদিসে মহানবি (সা.) চারটি মন্দ পুণের উল্লেখ করে চরিত্রে এগুলোর পরিত্যাগকে মুমিনের বৈশিষ্ট্য বলে মন্তব্য করেছেন।উদ্দীপকে যেমনটি রিফাতের চরিত্রে প্রকাশ পেয়েছে।তাছাড়া রিফাদ শিক্ষকদের শ্রদ্ধা করে, সহপাঠীদের সাথে ভালো ব্যবহার করে। সর্বোপরি সে জীবনের সকল ক্ষেত্রে মহানবি (সা.)-এর আদর্শ মেনে চলে। তাই বলা যায়, ইমানের প্রতিবন্ধক দোষাবলি সম্পর্কিত হাদিসটির আলোকে রিফাদের চরিত্রটি উত্তম। কেননা সে উত্তম চরিত্রের অধিকারী এবং ইমানের প্রতিবন্ধক দোষগুলো থেকে মুক্ত।