ইসলামে বন্ধু নির্বাচনের ক্ষেত্রে অনেকগুলো বিষয় লক্ষ করতে বলেছে।
বন্ধু নির্বাচন করা ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কেননা বন্ধুর প্রভাবে প্রভাবিত হওয়া, বন্ধুর সংস্পর্শে তার কর্মপদ্ধতি ও আদর্শের প্রতি আগ্রহী হওয়া মানুষের সাধারণ স্বভাব। এজন্য বন্ধু নির্বাচনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সাবধান ও সতর্ক হতে হয়। রাসুল (স) উপমা দিতে গিয়ে বলেছেন, “কোনো ব্যক্তি আতরওয়ালার কাছে গেলে সুঘ্রাণ পাবে আর কেউ কামারের কাছে গেলে দুর্গন্ধ পাবে” । এমনিভাবে, বন্ধু- যদি পাপাচারী ও খারাপ স্বভাবের হয়, তার বন্ধুও পাপাচারিতায় লিপ্ত হয়ে পড়ে। সেজন্য বন্ধু নির্বাচনের আগে অবশ্যই সম্ভাব্য ব্যক্তি সম্পর্কে প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান করা কর্তব্য।
আলোচ্য উদ্দীপকে বন্ধু নির্বাচন সম্পর্কে সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। রাসুল (স) বলেছেন, “মানুষ তার বন্ধুর দীন বা জীবনাদর্শ দ্বারা প্রভাবিত হয়। কাজেই তোমাদের প্রত্যেকেই যেন যাচাই করে নেয় কার সাথে সে বন্ধুত্ব করছে”। এজন্য ধর্মপ্রাণ, সৎ ও আল্লাহভীরু ব্যক্তিরা বন্ধু নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য। আর শত্রুস্থানীয় মুশরিক, ইহুদি, খ্রিস্টান এবং এমন মুসলিম যারা অত্যধিক পাপের কাজে লিপ্ত তারা পরিত্যাজ্য। সুতরাং, হাদিস-০২ এ বর্ণিত বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যা আমাদের বন্ধু নির্বাচনে সচেতনতার বিষয়টি মনে করিয়ে দেয়।
পরিশেষে বলা যায়, যেহেতু বন্ধুর প্রভাবে মানুষ প্রভাবিত হয়, তাই আমাদের বন্ধু নির্বাচনে সচেতন হতে হবে।