উদ্দীপকের বর্ণিত মুদি দোকানদার রফিকের কর্মকাণ্ডটি প্রতারণার শামিল। তাই তাকে মুনাফিক হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।
প্রতারণা মিথ্যারই এক বিশেষ রূপ। এর অর্থ ঠকানো, ফাঁকি দেওয়া, ধোঁকা দেওয়া, বিশ্বাস ভঙ্গ করা ইত্যাদি। ইসলামি পরিভাষায়, প্ৰকৃত অবস্থা গোপন রেখে ফাঁকি বা ধোঁকার ওপর ভিত্তি করে নিজ স্বার্থ হাসিল করাকে প্রতারণা বলা হয়। প্রতারণা নানাভাবে হতে পারে। যথা— ওজনে কম দেওয়া, জাল মুদ্রা চালিয়ে দেওয়া, পণ্য দ্রব্যের দোষ গোপন করা, ভেজাল মেশানো, ফলে ও মাছে রাসায়নিক দ্রব্য দেওয়া ইত্যাদি ।
উদ্দীপকে দেখা যায়, মুদি দোকানদার রফিক মালে ভেজাল দিয়ে বিক্রি করে। ওজনে কম দেয়, পণ্যদ্রব্যের দোষ ত্রুটি গোপন রাখে। ভালো- মালের সাথে মন্দ মাল মিশিয়ে বিক্রি করে। বিক্রির সময় মিথ্যা বলে, ধোঁকাবাজির মাধ্যমে গ্রাহকদেরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অর্থাৎ তিনি প্রতারণার মাধ্যমে অধিক অর্থ উপার্জন করেন। প্রতারণার কারণে দোকানদার রফিকরে পরকালে কঠিন শাস্তি পেতে হবে। কেননা প্রতারণা অত্যন্ত গর্হিত ও ঘৃণিত কাজ। যে প্রতারণা করে সে প্রকৃত মুমিন নয়। প্রতারণাকারী দুনিয়াতেও ঘৃণিত, লজ্জিত ও অপদস্থ হয়। আর আখিরাতে তার জন্য রয়েছে দুর্ভোগ ও ধ্বংস। আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, 'ধ্বংস তাদের জন্য যারা মাপে কম দেয়'। (সুরা: মুতাফফিফীন)