নুমানের উক্তিটিতে হালাল উপার্জনের গুরুত্ব ফুটে ওঠেছে।
হালাল উপার্জন করা অন্যান্য ফরজ ইবাদতের মতো একটি অত্যাবশ্যকীয় কাজ। হালাল উপার্জন বলতে শরিয়ত অনুযায়ী বৈধ, আইনানুগ বা কুরআন- হাদিস অনুমোদিত পন্থায় উপার্জন করাকে বোঝায়। এটি ইবাদত কবুল হওয়ার প্রধান শর্ত। মানুষ যদি হালাল উপার্জন ও হালাল জীবিকা গ্ৰহণ না করে, তাহলে তার ইবাদত আল্লাহর কাছে কবুল হবে না। হালাল উপার্জনের গুরুত্ব সম্পর্কে রাসুল (স) বলেন, 'হালাল জীবিকা উপার্জন করা ফরজের পরে একটি ফরজ' (সহিহ বুখারি)।
উদ্দীপকে নুমান তার বন্ধু আব্দুল হালিমের সাথে কথা প্রসঙ্গে বলেন, 'এজন্য আমাদেরকে বৈধ উপায়ে উপার্জন করতে হবে, কেননা সেটা ফরজের পরে ফরজ।' ইসলামে হালাল উপার্জনের গুরুত্ব অপরিসীম। এটি ইবাদত কবুল হওয়ার পূর্বশর্ত। ইবাদতগুলো কবুল হওয়া বা না হওয়া নির্ভর করে ব্যক্তির উপার্জনের ধরনের ওপর। ব্যক্তির উপার্জন যদি হালাল হয়, তাহলে তার ইবাদত কবুলযোগ্য হবে। অবৈধ উপার্জনকারীর ইবাদত কবুল হয় না। যে জন্য হালাল উপার্জন করা অন্যান্য ফরজের মতো শুধু ফরজ মাত্র নয়, বরং এটি ফরজের চেয়েও বেশি কিছু। হালাল উপায়ে জীবিকা উপার্জনের ফলে সমাজ ব্যবস্থায় ধনী-দরিদ্রের মাঝে ভারসাম্য থাকে। হালাল উপার্জনের মাধ্যমে আল্লাহর নির্দেশ পালন করার পাশাপাশি আত্মিক প্রশান্তি লাভ করা যায়। সর্বোপরি হালাল উপার্জন ব্যক্তি ও সমাজের জন্য সামগ্রিক কল্যাণ বয়ে আনে।
পরিশেষে বলা যায়, চূড়ান্ত সফলতা জান্নাতের জন্য আমাদের হলাল উপার্জন করতে হবে।