উদ্দীপকে বর্ণিত মিথ্যাচার নিন্দনীয় গুণটি জাহান্নামের পথ নির্দেশ করে।
মিথ্যা মানুষকে অপকর্মের প্রতি আকৃষ্ট করে থাকে। ফলে সে জঘন্য পাপাচারে লিপ্ত থেকে তার অন্তরকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করে তোলে। পরিণামে মিথ্যার দরুন কেউই তাকে বিশ্বাস করে না। আর পরকালে সে দোযখের অধিবাসী হবে এবং অনন্তকাল তথায় চরম শাস্তি ভোগ করতে থাকবে ।
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ পাক এরশাদ করেছেন— “এবং আপনি বলুন, সত্যের আগমন ঘটেছে আর অসত্য বিলুপ্ত হয়েছে। নিশ্চয়ই অসত্য বিলুপ্ত হতে বাধ্য।”
মিথ্যা এমন গুরুতর পাপ যে, মানুষ যখন একটি মিথ্যা কথা মুখে উচ্চারণ করে, তখন তার স্কন্ধের ফেরেশতাদ্বয় তার নিকট হতে দূরে সরে যায়। মিথ্যার ভয়াবহতা সম্বন্ধে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আমার নাম করে কোনো মিথ্যা কথা বানিয়ে বলে, সে যেন তার অবস্থান জাহান্নামে অনুসন্ধান করে।” মিথ্যাবাদী যখন মিথ্যা বলতে অভ্যস্ত হয়ে যায় এবং সর্বদা মিথ্যা বলতে থাকে, তখন তার ওপর আল্লাহ পাক অসন্তুষ্ট থাকেন। আর সে আল্লাহর নিকট মিথ্যাবাদী বলে চিহ্নিত হয়ে যায় । আর এটাই হলো তার কুকর্মের যোগ্যতম পুরস্কার। পক্ষান্তরে, সত্যের গুণ বর্ণনাতীত ।
এই জন্য রাসুল (সা.) বুখারি ও মুসলিমের হাদিসে বলেন, “আর অবশ্যই তোমরা মিথ্যা কথা হতে দূরে থাকবে। কেননা মিথ্যা কথা অবশ্যই অপকর্মের দিকে পরিচালিত করে এবং নিশ্চয়ই অপকর্ম জাহান্নামের দিকে পরিচালিত করে।” (বুখারি ও মুসলিম)