উদ্দীপকে বর্ণিত মাহমুদুল করিমের কর্মকান্ড সদকায়ে জারিয়ার অন্তর্ভুক্ত। বৃক্ষরোপণের সাথে সংগতিপূর্ণ হাদিসটি হলো- “কোনো মুসলমান যদি বৃক্ষ রোপণ করে কিংবা কোনো ফসল আবাদ করে, এরপর তা থেকে কোনো পাখি, মানুষ বা চতুষ্পদ জন্তু কিছু ভক্ষণ করে তা তার জন্য সদকা হিসেবে গণ্য হবে। (বুখারি মুসলিম)
উদ্দীপকে দেখা যায়, মাহমুদুল করিম সরকারি রাস্তার ধারে নানা জাতের গাছ লাগিয়ে প্রতিদিন পানি দেন। কিন্তু কোনোদিন নিজে ফল খেতে না পারায় তার প্রতিবেশী নাজিম বললেন, 'এটি নিছক পণ্ডশ্রম।' হাদিস অনুসারে তাই বলা যায়, মাহমুদল করিমের কর্মকান্ড মোটেই নিছক পণ্ডশ্রম নয়। কেননা সে নিজে কোনো ফল খেতে না পারলে কোনো পাখি, মানুষ বা চতুষ্পদ জন্তু তা ভক্ষণ করলে মাহমুদুল করিম এর জন্য সদকার সাওয়াব পাবে না। এছাড়াও বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অবদান রাখার কারণে এর সওয়াব তার আমলনামায় লেখা হবে। বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশে অক্সিজেন সরবরাহ বৃদ্ধি ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ কমানো যায়। যা প্রাণিকূলের বেঁচে থাকার জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। অতএব বলা যায়, মাহমুদল করিমের কর্মকাণ্ড হাদিস অনুসারে সদকা হিসেবে গণ্য হবে।