উদ্দীপকে জনাব 'ছ' তার কর্মকান্ডে হালাল উপার্জনের প্রতি লক্ষ্য রেখে চলেন।জনাব 'ছ' একজন ব্যবসায়ী, তিনি ওজনে কম দেন না এবং কর্মচারীদের বেতন যথাসময়ে প্রদান করেন। ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে শরিয়তের বিধান লঙ্ঘন করেন না, তাই জনাব 'ছ'-কে একজন সৎ ব্যবসায়ী বলা যায়, আর সৎ উপায়ে ব্যবসায় উপার্জিত জীবিকা হালাল, তাই বলা যায়, জনাব 'ছ' হালাল উপার্জনের প্রতি লক্ষ্য রেখে চলেন।
হালাল উপার্জন দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করা ইসলামি জীবনব্যবস্থায় খুবই গরুত্বপূর্ণ বিষয় মুসলিম হিসেবে হালাল উপার্জন আমাদের ইমানের দাবি। ইবাদত করা যেমন ফরয, তেমনি হালাল উপার্জন বা হালাল রুজি অন্বেষণ করাও ফরয, মহানবি (সা,) বলেন, “হালাল রুজি অন্বেষণ করা ফরজের পরেও একটি ফরজ।” (বায়হাকি) ইবাদসমূহ কবুল হওয়ার জন্য পূর্বশর্ত হলো হালাল রুজি। যার রুজি হালাল নয়, তার যাবতীয় ইবাদত সালাত, সাওম, হজ, যাকাত কিছুই কবুল হবে না। কাজেই বোঝা যায়, ইমানের পরে হালাল রুজি উপার্জন করে হালাল অনুযায়ী জীবনযাপন করা ফরজ।পরিশেষে বলা যায়, শ্রমের দ্বারা হালাল উপায়ে অর্জিত খাদ্যই সর্বোত্তম খাদ্য।