উদ্দীপকে বর্ণিত শেষবাক্যে জাহিলিয়াতের যুগে নারীদের অবস্থা বর্ণনা করা হয়েছে।ইসলামে নারীদের প্রভূত সম্মান দেওয়া হয়েছে। আমাদের প্রিয় নবি (সা.)-এর আবির্ভাবের পূর্বে বিশ্বজগৎ বিশেষ করে আরব সমাজ অজ্ঞতা ও বর্বরতার অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল। সে সময় নারীদের কোনো মান মর্যাদা ছিল না। তাদের কোনোরূপ অধিকার স্বীকৃত ছিল না। সে সময় নারীদের দ্রব্যসামগ্রী মনে করা হতো, তাদের ক্রীতদাসী হিসেবে বাজারে কেনাবেচা করা হতো। তারা ছিল ভোগ্যপণ্য, প্রেমদায়িনী, সকল নরকের দরজা, অনিবার্য পাপ ইত্যাদি নামে খ্যাত, এমনকি কোনো কোনো সভ্যতায় তাদের বিষধর সাপের সাথে তুলনা করা হতো। অনেক সময় নারীদের মানুষ হিসেবে গণ্য করা হতো না। তৎকালীন আরবের লোকেরা কন্যা সন্তানের জন্মকে অপমানজনক মনে করত ও কন্যা শিশুকে জীবন্ত কবর দিত। আল কুরআনে আল্লাহ তায়ালা তাদের এ হীন কাজের কথা উল্লেখ করেছেন।ইসলাম নারীদের এহেন অবমাননাকর অবস্থা থেকে মুক্তি দান করেছে। ইসলামই সর্বপ্রথম নারীদের অধিকার ও মর্যাদার ঘোষণা দান করেছে। তাই বলা যায়, জাহিলিয়াতের যুগে তাদের কোনো মর্যাদা ছিল না। উদ্দীপকে উল্লিখিত শেষ বাক্যটিতে জাহিলিয়াতের যুগে নারীদের অবস্থা বর্ণনা করা হয়েছে।