জনাব নাসিম পণ্যের দোষত্রুটি গোপন করে পণ্য বিক্রি করে বেশি আয়-উপার্জন করেন। যা প্রতারণার শামিল। এরূপ প্রতারণার মাধ্যমে উপার্জনকে হারাম উপার্জন বলে।
যেসব কাজ বা বস্তু কুরআন ও সুন্নাহর স্পষ্ট নির্দেশে অবশ্য পরিত্যাজ্য, বর্জনীয় তাকে হারাম উপার্জন বলা হয়। ন্যায়-নীতিহীন, মানবতাবর্জিত, মানুষের জন্য ক্ষতিকর পন্থায় আয়-উপার্জনকে হারাম উপার্জন বলে। প্রতারণা, ছলচাতুরি, দ্রব্যে ভেজাল দেওয়া, ওজনে কমবেশি করা, চুরি-ডাকাতি, ছিনতাই, সুদ, ঘুষের মাধ্যমে উপার্জন সবই হারাম।ইবাদতসমূহ কবুল হওয়ার জন্য পূর্বশর্ত হলো- হালাল রুজি, তাই যার রুজি হারাম, তার যাবতীয় ইবাদত-সালাত, সাওম, হজ, জাকাত, কিছুই কবুল হবে না, রসুল (সা.) বলেন, "হারাম উপার্জনের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করলে তার ইবাদত কবুল হয় না।” (বায়হাকি)হারাম উপার্জনকারীর পরিণাম জাহান্নাম, মহানবি (সা.) বলেছেন, "হারাম খাদ্যে পরিপুষ্ট যে দেহ, নরকাগ্নিই তার জন্য উপযুক্ত,” (আহমাদ ও বায়হাকি)উপরিউক্ত আলোচনায় প্রতীয়মান হয়, জনাব নাসিম প্রতারণার মাধ্যমে উপার্জন করেন। যা হারাম উপার্জন, তাই তার ইবাদত কবুল হবে না। কেননা মহান আল্লাহর কাছে ইবাদত কবুলের পূর্বশর্ত হলো হালাল উপার্জন।