শেয়ারFacebookWhatsApp

ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর সাথে কি তুমি সহমত পোষণ কর? তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তর: উদ্দীপকে বর্ণিত ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর মতের সাথে আমি একমত। আমরা যদি ধর্মীয় শিক্ষায় পাঁচ বছর তার চেয়ে বেশি বয়সী জনগোষ্ঠীর সম্পৃক্তার কারণ বিশ্লেষণ করি তাহলে দেখব যে, গ্রামগঞ্জে যেমন নিম্ন আয়ের মানুষের বসবাস রয়েছে তেমনি শহরাঞ্চলেও রয়েছে। বর্তমানে সাধারণ শিক্ষায় যে পরিমাণ খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে তাতে একজন অভিভাবকের জন্য তার সন্তানকে বিদ্যালয়ের খরচ, প্রাইভেট, টিউশনসহ আনুষঙ্গিক যে খরচ মেটাতে হয় তা অনেক অভিভাবক দ্বারাই বহন করা সম্ভব হয় না। তাছাড়া মাদরাসা বা ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাচ্চা পড়াশোনা করলে খুব অল্প খরচেই শিক্ষার্থীর আবাসন ও পড়াশোনার পরিবেশ সৃষ্টি হয় কারণ ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন উৎস থেকে সহায়তা পেতে পারে। সুতরাং তারা খুব অল্প খরচেই শিক্ষার্থীদের আবাসিক ব্যবস্থা ও পড়াশোনার খরচ বহন করতে পারে। মাদরাসা বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষকদের কড়া নজরদারি থাকে চাইলে শিক্ষার্থী তার মতো করে পড়াশোনা ফাঁকি দিতে পারে না। এ কারণেও অনেক অভিভাবক মাদরাসায় তার সন্তানকে ভর্তি করেন। তবে সবচেয়ে বড় যে কারণ শিক্ষার্থী বেড়ে যাওয়ার সেটি হলো অভিভাবকরা চান যে, তাদের সন্তান প্রথমে ইসলামের মৌলিক বিষয়ে শিক্ষা লাভ করুক তারপরে সাধারণ শিক্ষায় প্রবেশ করুক। সে কারণে তারা সন্তানদের মাদরাসায় ভর্তি করান । যার ফলে ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর হার বেড়েছে। উদ্দীপকে ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী মনে করেন তা হলো— সাধারণ শিক্ষায় খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং নানাসময়ে শিক্ষায় বিভিন্ন সংস্কার সাধিত হয়েছে। এজন্য অভিভাবকগণ সাধারণ শিক্ষার প্রতি বিভ্রান্তিতে পড়ে অনীহা তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, ধর্মীয় শিক্ষায় খরচ কম এবং বড় কোনো পরিবর্তনও আসেনি, ফলে ধর্মীয় শিক্ষায় মানুষ ঝুঁকছে। তাই আমি ও ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর সাথে একমত পোষণ করছি।

HSC Islamic Studies 1st Paper CQ — Prosthuti প্রশ্নব্যাংক

HSC · Islamic Studies 1st Paper · সৃজনশীল

ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর সাথে কি তুমি সহমত পোষণ কর? তোমার মতের পক্ষ…

উদ্দীপক

সর্বশেষ জনশুমারি ও গৃহগণনার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে দেখা যায় যে, ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রমশই শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশে গত চার দশকে সাধারণ শিক্ষায় পাঁচ বছর বা তার চেয়ে বেশি বয়সি জনগোষ্ঠীর হার কমেছে। অন্যদিকে, বেড়েছে ধৰ্মীয় শিক্ষায়। গতবছর আদম শুমারির প্রতিবেদনে এমন চিত্রই পাওয়া গেছে। ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী মনে করেন খরচ বৃদ্ধি ও নানা সময়ে সংস্কারের ফলে বিভ্রান্তির কারণে অভিভাবকদের মধ্যে মূলধারার শিক্ষার প্রতি কিছুটা হলেও অনীহা তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, ধর্মীয় শিক্ষায় খরচ কম এবং বড় কোনো পরিবর্তনও আসেনি, ফলে ধর্মীয় শিক্ষায় ঝুঁকতে হচ্ছে তাদের। অন্যদিকে, ওবায়দুর রহমান খান নদভী মনে করেন, আকাশ সংস্কৃতির প্রভাবে নতুন প্রজন্মের নৈতিক অবনমন ও চারিত্রিক অধঃপতনের কারণে পিতামাতা ধর্মীয় শিক্ষার প্রতি ঝুঁকছেন। সেখানে নৈতিক শিক্ষা দেওয়া হয় এবং শিক্ষার্থীরা তাদের জীবনের চাহিদা ছোট রাখে এবং সেই সন্তুষ্টি নিয়েই চলে।

আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা · 2024

উত্তর

মকতব বলতে কুরআন শিক্ষার স্থানকে বোঝায়। সাধারণভাবে মুসলিম বালক-বালিকাদের প্রাথমিক শিক্ষায়তনকে মকতব বলে।

উত্তর

ইসলামি শিক্ষা একটি সার্বজনীন শিক্ষা। এ শিক্ষা কোনো নির্দিষ্ট দেশ, জাতি, অঞ্চল, ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা বিশেষ কোনো বর্ণের লোকদের জন্য নয়। মহানবি (সা.) বলেন, “সকল বিশ্ববাসী মানুষের জন্য বিদ্যার্জন অত্যাবশ্যক।" (সুনানে ইবনে মাজাহ) তিনি আরও বলেন, “তোমরা যাবতীয় জ্ঞান-বিজ্ঞান শিক্ষা কর এবং তা মানুষকে শিক্ষা দাও।” (দায়েমি)

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর মতের সাথে আমি একমত। আমরা যদি ধর্মীয় শিক্ষায় পাঁচ বছর তার চেয়ে বেশি বয়সী জনগোষ্ঠীর সম্পৃক্তার কারণ বিশ্লেষণ করি তাহলে দেখব যে, গ্রামগঞ্জে যেমন নিম্ন আয়ের মানুষের বসবাস রয়েছে তেমনি শহরাঞ্চলেও রয়েছে। বর্তমানে সাধারণ শিক্ষায় যে পরিমাণ খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে তাতে একজন অভিভাবকের জন্য তার সন্তানকে বিদ্যালয়ের খরচ, প্রাইভেট, টিউশনসহ আনুষঙ্গিক যে খরচ মেটাতে হয় তা অনেক অভিভাবক দ্বারাই বহন করা সম্ভব হয় না। তাছাড়া মাদরাসা বা ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাচ্চা পড়াশোনা করলে খুব অল্প খরচেই শিক্ষার্থীর আবাসন ও পড়াশোনার পরিবেশ সৃষ্টি হয় কারণ ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন উৎস থেকে সহায়তা পেতে পারে। সুতরাং তারা খুব অল্প খরচেই শিক্ষার্থীদের আবাসিক ব্যবস্থা ও পড়াশোনার খরচ বহন করতে পারে। মাদরাসা বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষকদের কড়া নজরদারি থাকে চাইলে শিক্ষার্থী তার মতো করে পড়াশোনা ফাঁকি দিতে পারে না। এ কারণেও অনেক অভিভাবক মাদরাসায় তার সন্তানকে ভর্তি করেন। তবে সবচেয়ে বড় যে কারণ শিক্ষার্থী বেড়ে যাওয়ার সেটি হলো অভিভাবকরা চান যে, তাদের সন্তান প্রথমে ইসলামের মৌলিক বিষয়ে শিক্ষা লাভ করুক তারপরে সাধারণ শিক্ষায় প্রবেশ করুক। সে কারণে তারা সন্তানদের মাদরাসায় ভর্তি করান । যার ফলে ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর হার বেড়েছে। উদ্দীপকে ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী মনে করেন তা হলো— সাধারণ শিক্ষায় খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং নানাসময়ে শিক্ষায় বিভিন্ন সংস্কার সাধিত হয়েছে। এজন্য অভিভাবকগণ সাধারণ শিক্ষার প্রতি বিভ্রান্তিতে পড়ে অনীহা তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, ধর্মীয় শিক্ষায় খরচ কম এবং বড় কোনো পরিবর্তনও আসেনি, ফলে ধর্মীয় শিক্ষায় মানুষ ঝুঁকছে। তাই আমি ও ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর সাথে একমত পোষণ করছি।

উত্তর

উদ্দীপকে বর্ণিত ওবায়দুর রহমান খান নদভীর মনোভাবে ধর্মীয় শিক্ষার যে বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে তা হলো— ধর্মীয় শিক্ষা বা ইসলামি শিক্ষা একটি সমন্বিত শিক্ষাব্যবস্থা এখানে মানবজাতির কল্যাণের জন্য পার্থিব ও বৈষয়িক প্রয়োজন পূরণ করার জন্য ইসলামি মূল্যবোধের আলোকে পরিবেশিত হয়। ইসলামি শিক্ষায় ইহ-পরকালীন কল্যাণের শিক্ষা দেওয়া হয়। ইসলামি শিক্ষা নৈতিকতাভিত্তিক। নৈতিক শিক্ষায় উজ্জীবিত করার জন্য ইসলামি শিক্ষা অপরিহার্য। ইসলামি শিক্ষার মাধ্যমে মানবতার বিকাশ সাধন হয়। মানুষ প্রকৃত অর্থেই মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে। মানবিক গুণাবলি উৎকর্ষিত ও বিকশিত হয়। ইসলামি শিক্ষা কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক হওয়ায় এ শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আল্লাহ ও রাসূলের প্রদত্ত বিধান অনুযায়ী তাদের জীবন পরিচালনা করে। ফলে তারা সকল প্রকার অন্যায়মূলক ও অপরাধমূলক কাজকর্ম থেকে বিরত থাকে এবং মানুষের কাছে প্রশংসনীয় ও আল্লাহ ও রাসুল (সা.) প্রদর্শিত গুণাবলি অর্জন করে সুন্দর ও আদর্শ মানুষে পরিণত হয় । ইসলামি শিক্ষায় শিক্ষিত ব্যক্তি তাদের জীবনের চাহিদা ছোট রেখে আল্লাহ যেভাবে রাখেন তাতেই সন্তুষ্টি নিয়ে জীবন পরিচালনা করে। তারা অতি মাত্রায় লোভী হয় না । তাদের চাহিদা ছোট হওয়ার কারণে তারা অন্যায়ভাবে সম্পদ উপার্জন ও ভোগ করার ক্ষেত্রে কোনো আগ্রহ পায় না। তাদের কাছে হালাল উপার্জন ও হারাম বর্জন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পার্থিব ভোগ বিলাস, বিনোদনের চেয়ে নৈতিক চরিত্রের সংরক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এককথায় নৈতিক, আদর্শিক, দায়িত্বশীল, কর্মঠ মানুষ গঠনে ধর্মীয় শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই । তাই বর্তমান সময়ের অভিভাবকগণ এ বাস্তবতা উপলব্ধি করে তাদের সন্তানদের ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্য উদ্বুদ্ধ হচ্ছে। এর মাধ্যমে তারা তাদের সন্তানদের আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে চায়। বৰ্তমান আকাশ সংস্কৃতির প্রভাব থেকে সন্তানদের মুক্ত রাখার জন্য ধর্মীয় শিক্ষা ঢাল বা বর্ম হিসেবে কাজ করে।
HSCIslamic Studies 1st Paper
12টি সম্পর্কিত প্রশ্ন — উত্তর ও ব্যাখ্যা লকড

1.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর ইয়াকুব হোসেন ইসলামি শিক্ষার ক্লাসে আলোচনার এক পর্যায়ে বলেন, মানুষ পরস্পর ভাই-ভাই, তাদের আদি উৎস আদম ও হাওয়া (আ)। তাইতো আল্লাহপাক বলেন, 'মানুষ একই উম্মাহর অন্তর্ভুক্ত'।Q. একজন দাঈর বৈশিষ্ট্য হলো-
i. বয়ঃবৃদ্ধ হওয়া
ii. আমলদার হওয়া
iii. উপস্থিত বুদ্ধি থাকানিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

2.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর ইয়াকুব হোসেন ইসলামি শিক্ষার ক্লাসে আলোচনার এক পর্যায়ে বলেন, মানুষ পরস্পর ভাই-ভাই, তাদের আদি উৎস আদম ও হাওয়া (আ)। তাইতো আল্লাহপাক বলেন, 'মানুষ একই উম্মাহর অন্তর্ভুক্ত'।Q. উদ্দীপকে প্রফেসর ইয়াকুব কীসের প্রতি ইঙ্গিত করেন?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • মানবাধিকার
  • ইসলামি ভ্রাতৃত্ব
  • আদর্শিক ভ্রাতৃত্ব
  • বিশ্বভ্রাতৃত্ব

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

3.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর মিজানুর রহমান বিখ্যাত গ্রিক পণ্ডিত এরিস্টটলের অনুকরণে একটি গ্রন্থ রচনা করেন। উক্ত গ্রন্থে তিনি জগৎ ও প্রকৃতির সাথে মানুষের সম্পর্ক ও বস্তুর চিরন্তনতা বিষয়ে আলোচনা করেন। তবে তিনি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন একাদশ-দ্বাদশ শতাব্দীর সেইসব মুসলিম বিজ্ঞানীদের যারা বস্তুর আয়তন, পরিধি ও সমীকরণ বিষয়ে ব্যাপক গবেষণা করেন ও এ ক্ষেত্রে নতুন নতুন শাখা উদ্ভাবন করেন।Q. উদ্দীপকে উল্লিখিত একাদশ-দ্বাদশ শতাব্দীর গবেষণার ফলে-
i. দর্শনে ব্যাপক উন্নতি হয়
ii. জ্যামিতি শাস্ত্রে ব্যাপক উন্নতি হয়
iii. ক্যালকুলাস ব্যাপক সমৃদ্ধ হয়নিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

4.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর মিজানুর রহমান বিখ্যাত গ্রিক পণ্ডিত এরিস্টটলের অনুকরণে একটি গ্রন্থ রচনা করেন। উক্ত গ্রন্থে তিনি জগৎ ও প্রকৃতির সাথে মানুষের সম্পর্ক ও বস্তুর চিরন্তনতা বিষয়ে আলোচনা করেন। তবে তিনি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন একাদশ-দ্বাদশ শতাব্দীর সেইসব মুসলিম বিজ্ঞানীদের যারা বস্তুর আয়তন, পরিধি ও সমীকরণ বিষয়ে ব্যাপক গবেষণা করেন ও এ ক্ষেত্রে নতুন নতুন শাখা উদ্ভাবন করেন।Q. উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রফেসর মিজানুর রহমানের গ্রন্থের সাথে নিচের কোন গ্রন্থের মিল রয়েছে?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • কিতাব আশ-শিফা
  • কানুন ফিত তিব্ব
  • সুরাতুল আরদ
  • শাহনামা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

5.মদিনা সনদের স্বাক্ষরকারী পক্ষগুলো হলো-

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • আউস ও খাজরাজ
  • মুসলিম ও কুরাইশ
  • মুসলিম ও মদিনার বিভিন্ন গোত্র
  • কুরাইশ, ইয়াহুদী ও খ্রিষ্টান

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

6.নিচের কোনটিতে এক পঞ্চমাংশ কর দিতে হয়?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • খনিজ সম্পদে
  • উশরি জমির ফসলে
  • খারাজি জমির ফসলে
  • পশুর জাকাতে

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

7.প্রকৃতপক্ষে যা নয় তা প্রকাশ করাকে কী বলে?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • সততা
  • শঠতা
  • মিথ্যা
  • অবাস্তব

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

8.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: 'ক' নামক শহরে নগর জীবনের ব্যস্ততা ভুলে সর্বশ্রেণির মানুষ পারস্পরিক সহযোগিতা ও উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণ করে। তারা নগরের সমাজবিরোধী কাজ প্রতিরোধ করে, নামাজ, রোজা ও ঈদ উৎসব পালন করে। এক ঈদের খুতবায় খতিব সাহেব বললেন, নগরের টেকসই শান্তির জন্য মসজিদকে কার্যকর করা কর্তব্য।Q . খতিব সাহেবের নির্দেশনা কার্যকর হলে নগরে-
i. সামাজিক অপরাধ হ্রাস পাবে
ii. মসজিদের সংখ্যা বেড়ে যাবে
iii. ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় হবেনিচের কোনটি সঠিক?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • i ও ii
  • i ও iii
  • ii ও iii
  • i, ii ও iii

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

9.নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: 'ক' নামক শহরে নগর জীবনের ব্যস্ততা ভুলে সর্বশ্রেণির মানুষ পারস্পরিক সহযোগিতা ও উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণ করে। তারা নগরের সমাজবিরোধী কাজ প্রতিরোধ করে, নামাজ, রোজা ও ঈদ উৎসব পালন করে। এক ঈদের খুতবায় খতিব সাহেব বললেন, নগরের টেকসই শান্তির জন্য মসজিদকে কার্যকর করা কর্তব্য।Q . 'ক' নামক শহরে কীসের প্রতিফলন লক্ষণীয়?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • ইসলামি সমাজব্যবস্থা
  • বিশ্ব ভাতৃত্ববোধ
  • নাগরিক অধিকার
  • ইমামের কর্তব্যবোধ

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

10.মুসলিম বিজ্ঞানীদের ভূগোল চর্চার ফলে-

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • পৃথিবী বাসযোগ্য হয়
  • জীব বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পায়
  • কিবলা নির্ধারণ সহজ হয়
  • জ্যোতিঃশাস্ত্র উন্নত হয়

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

11.হযরত খানজাহান আলী (রহ.) ইসলাম প্রচার করেন কোন অঞ্চলে?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • চট্টগ্রাম
  • সিলেট
  • বরিশাল
  • খুলনা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

12.খিদমতে খালক অর্থ কী?

Dhaka, rajshahi, dinajpur, chittagong · 2017

  • আল্লাহর সাহায্য
  • সৃষ্টির অধিকার
  • সৃষ্টির প্রতি দয়া
  • সৃষ্টির সেবা

উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো

ফ্রি শুরু করো

আরো প্রশ্ন দেখো

নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর ইয়াকুব হোসেন ইসলামি শিক্ষার ক্লনিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর ইয়াকুব হোসেন ইসলামি শিক্ষার ক্লনিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর মিজানুর রহমান বিখ্যাত গ্রিক পণ্নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও:প্রফেসর মিজানুর রহমান বিখ্যাত গ্রিক পণ্মদিনা সনদের স্বাক্ষরকারী পক্ষগুলো হলো-নিচের কোনটিতে এক পঞ্চমাংশ কর দিতে হয়?প্রকৃতপক্ষে যা নয় তা প্রকাশ করাকে কী বলে?নিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: 'ক' নামক শহরে নগর জীবনের ব্যস্ততা ভুলেনিচের উদ্দীপকের আলোকে প্রশ্নের উত্তর দাও: 'ক' নামক শহরে নগর জীবনের ব্যস্ততা ভুলেমুসলিম বিজ্ঞানীদের ভূগোল চর্চার ফলে-হযরত খানজাহান আলী (রহ.) ইসলাম প্রচার করেন কোন অঞ্চলে?খিদমতে খালক অর্থ কী?

আরো হাজারো প্রশ্ন + মডেল টেস্ট

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করো — ফেভারিট, AI টিউটর, লিডারবোর্ড ও অ্যানালিটিক্স আনলক করো।