জনাব আবদুস সালামের গবেষণার সাথে মুসলিম বিজ্ঞানী জাবির ইবনে হাইয়ানের গবেষণা তথা রাসায়নিক গবেষণার তুলনা করা যায়। রসায়নশাস্ত্রের জনক জাবির ইবন হাইয়ান। তার বড় কৃতিত্ব হলো তিনি রাসায়নিক সূত্র ও পদ্ধতির ব্যাবহারিক রূপ দেন। তিনি ধাতুর মানগত উন্নতি বিধান, স্টিল ও লোহা তৈরি, মারকাসাইট থেকে স্থায়ী লেখার কালি, চামড়া ও কাপড় রং করা, লোহা সংরক্ষণের জন্য বার্নিস ব্যবহার করা, ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইড থেকে কাচ তৈরি করা, এসিডের ঘনত্বের জন্য অম্লরস, চোলাই করার পদ্ধতির সফল প্রয়োগ করেন। সাইট্রিক এসিড, সিলভার নাইট্রেড, কিউরিক ক্লোরাইড, এন্টিমনি, আর্সেনিক প্রভৃতি ব্যবহারের বিষয়েও তার প্রয়োজনীয় জ্ঞান ছিল। তিনি লবণ তৈরির একটি সফল ব্যাবহারিক পদ্ধতিরও উদ্ভাবন করেন।উদ্দীপকের জনাব আবদুস সালাম ফলমূল ও সবুজ শাক-সবজিতে ফরমালিনের ব্যবহার ও এর ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে একটি গ্রন্থ প্রণয়ন করেন। এগুলি মূলত রাসায়নিক গবেষণার সাথে সম্পর্কিত।উপর্যুক্ত আলোচনায় সুস্পষ্ট যে, জাবির ইবনে হাইয়ান যেমন বিভিন্ন রাসায়নিক গবেষণা করেছেন ঠিক তেমনি উদ্দীপকের জনাব আব্দুস সালামও রাসায়নিক গবেষণা বিষয়ক গ্রন্থ প্রণয়ন করেছেন।