রহিমের ব্যবহৃত পরিভাষাগুলো ইসলামি সংস্কৃতি নির্দেশ করে।রহিম কাজের শুরুতে আল্লাহর নাম নেয়, যা ইসলামি সংস্কৃতির অঙ্গ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, "প্রতিটি ভালো কাজের শুরুতে যদি আল্লাহর নাম নেওয়া না হয় তাহলে তা হয় অসম্পূর্ণ অথবা নিম্নমানের। (দারু কুতনি, সুনানে আবু দাউদ ও সুনানে ইবনে মাজাহ)দ্বিতীয়ত, খাবারের শুরুতে 'বিসমিল্লাহি ওয়া আলা বারকাতুল্লাহ এব খাওয়া শেষ হলে 'আলহামদু লিল্লাহিল্লাযি আতআমানা ওয়া সাকানা ওয়া জাআলানা মিনাল মুসলিমিন' বলাও ইসলামি সংস্কৃতির অন্যতম দিক। শেষে অবশ্য শুধু 'আলহামদুলিল্লাহ' বললেও চলবে।মুসলিমগণ পারস্পরিক সাক্ষাতে প্রথমেই সালাম বিনিময় করবেন। সালামের পর কুশল জিজ্ঞাসা, মুসাফাহা ও মুআনাকা করা যেতে পারে।উদ্দীপকে রহিম কাজের শুরুতে, খাদ্য গ্রহণে এবং মানুষের সাথে সাক্ষাতে উপরে উল্লিখিত পরিভাষাগুলো ব্যবহার করে। যা ইসলামি সংস্কৃতির অংশ। আমাদের ব্যবহারিক জীবনে ইসলামি সংস্কৃতির গুরুত্ব অপরিসীম। এ ব্যাপারে নিচে আলোচনা করা হলো-
১. ইমান আকিদার সংরক্ষক: ইসলামি সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও লালন ছাড়া মুসলমানদের ইমান, অস্তিত্ব ও স্বকীয়তা রক্ষা করা দুষ্কর।২. ইমানের পূর্ণতা দান: ইমানের পূর্ণতা দানের জন্য এবং ইসলামে পুরাপুরি প্রবেশের জন্য ইসলামি সংস্কৃতি রক্ষা করা একান্ত প্রয়োজন।৩ . অস্তিত্বের রক্ষাকাবচ: সংস্কৃতি একটি জাতির অস্তিত্বের রক্ষাকারচ, সংস্কৃতি অত্যন্ত শক্তিশালী একটি অস্ত্র। তাই আমাদের ধর্মীয় ও সামাজিক আকিদা-বিশ্বাস, আমল, অনুভূতি উজ্জীবিত করার জন্য ইসলামি সংস্কৃতির অনুসরণ করা অপরিহার্য।
৪. ইহ-পরকালীন সফলতা লাভ: ইসলামি সংস্কৃতির মূল লক্ষ্য হলো মানুষকে চূড়ান্ত সাফল্যের তথা আখিরাতের সাফল্যের জন্য প্রস্তুত করা। আর মুসলমানদের জন্য আখিরাতের সাফল্যই চূড়ান্ত সাফল্য।তাই আমরা সকল ক্ষেত্রে ইসলামি সংস্কৃতি অনুসরণ করে জীবন পরিচালনা করব।