উদ্দীপকের শেষে ইসলামি সংস্কৃতির কথা বলা হয়েছে।
ইসলাম অনুমোদিত ও শরিয়ত নির্দেশিত মুসলিম জাতির জীবন পদ্ধতিই হচ্ছে ইসলামি সংস্কৃতি। উদ্দীপকে বলা হয় যে, এমন একটি সংস্কৃতি রয়েছে, যা অসামঞ্জস্যপূর্ণ, অশালীন বিষয়াদি পরিহার করে এবং ইমানভিত্তিক, মার্জিত, পরিশীলিত, উন্নত, পুতপবিত্র ও পরিচ্ছন্ন সংস্কৃতিতে উৎসাহিত করে, যা ইসলামি সংস্কৃতিরই নামান্তর। ইসলামি সংস্কৃতিতে ইসলামি মূল্যবোধসমূহ সক্রিয় থাকবে তথা সাহিত্য, সংগীত, চলচ্চিত্র, চিত্রকলা, মহাকাব্য ইত্যাদি ইসলামি ভাবধারার পরিচায়ক হবে।
ইসলামি সংস্কৃতি যেমন ব্যাপক, তেমনি তা আদর্শভিত্তিক ও সার্বজনীন। কাজেই ইসলামি সংস্কৃতি বলতে আমরা যা বুঝি তার মধ্যে প্রথম হলো তাওহিদবাদ তথা মানবজীবনে আল্লাহর একত্ববাদ প্রতিষ্ঠা, মানুষের সামাজিক জীবনে সার্বজনীন ভ্রাতৃত্ব ও সার্বজনীন- নীতির প্রবর্তন, আইনকানুন, নীতি, প্রথা, আচার-আচরণ যেগুলো কুরআন সুন্নাহ অনুমোদিত তাই ইসলামি সংস্কৃতির অন্তর্ভুক্ত। উদ্দীপকের শেষাংশেও উপরিউল্লিখিত বিষয় পরিলক্ষিত।