জনাব 'স' তার সন্তানদের নৈতিক শিক্ষার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা বুঝিয়ে এর আলোকে জীবন গঠন করার উপদেশ দিয়েছেন।
ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা, তাই ইসলামে শিক্ষার মধ্যে নৈতিক শিক্ষা নিহিত রয়েছে। যে শিক্ষায় মানুষের অর্জনীয় সকল গুণাবলি যেমন— তাকওয়া, সততা, ওয়াদা পালন ইত্যাদির প্রতি উদ্বুদ্ধ করা হয় এবং বর্জনীয় সকল অভ্যাস পরিত্যাগ করতে উৎসাহিত করা হয় তাকে নৈতিক শিক্ষা বলে ।
ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা পাঠের গুরুত্ব অপরিসীম। মানুষের অসৎ চরিত্র ও কুপ্রবৃত্তিকে দমন করে সচ্চরিত্র ও সুপ্রবৃত্তির বিকাশে ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা মহৌষধ হিসেবে কাজ করে, আদিকাল হতে পৃথিবীতে যত অন্যায়, জুলুম, নির্যাতন ও অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, তার কারণ হলো নৈতিকতা ও ইসলামের বিধান পালন না করা। আধুনিক সভ্য যুগেও এর ভয়াবহ বিস্তার লক্ষ করা যায়, এ থেকে মুক্তি পেতে দরকার সচ্চরিত্র।
সচ্চরিত্র নামের ও মহামূল্যবান সম্পদটি অর্জন করা সম্ভব ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে। রাসুল (সা.) দেড় হাজার বছর আগে এসে বর্বর আরবদেরকে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে ইসলাম শিক্ষার মাধ্যমে চারিত্রিকভাবে নীতিবান মানুষ হিসেবে গড়ে তোলেন। তিনি তাদের মাঝে এসে ঘোষণা করলেন- “আমি উত্তম চরিত্রের পূর্ণতা সাধনের জন্যই প্রেরিত হয়েছি।” (বুখারি)
অন্যত্র তিনি ঘোষণা করলেন, “নিশ্চয়ই আমি শিক্ষকরূপে প্রেরিত হয়েছি।” (ইবনে মাজাহ)
উদ্দীপকে জনাব 'স' তার সন্তানদের নৈতিক শিক্ষার আলোকে জীবন গঠন করার উপদেশ দিয়েছেন। এজন্য ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা পাঠ করা সকলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ।