উদ্দীপকে হারুন মির্জা কর্তৃক তাকওয়ার পরিপন্থি কাজ দেখে আহসান মির্জা অসন্তুষ্ট হন।তাকওয়ার মূল অর্থ- আত্মরক্ষা করা, সংযত ও সতর্ক হওয়া, যাবতীয় খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকা। শরিয়তের পরিভাষায় আল্লাহর সন্তুষ্টি ও ভালোবাসা হারানোর ভয়ে যাবতীয় খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকাকে তাকওয়া বলে।তাকওয়া মূলত আল্লাহর সন্তুষ্টি এবং আত্মশুদ্ধির পথপরিক্রমা। এর বিভিন্ন স্তর রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো সন্দেহযুক্ত হালাল বর্জন। এ স্তরে যে সকল বিষয়ের হালাল হওয়া সম্পূর্ণ সন্দেহমুক্ত, তবে জীবনের জন্য অপরিহার্য নয়- সেগুলো বর্জনের কথা বলা হয়। যেমন- অতিরিক্ত সুস্বাদু ও দামি খাবার বা পোশাক বর্জন করা। এ স্তরের তাকওয়া অনুশীলনকারীকে বলা হয় 'আতকীয়া'।ব্যবসায় সাফল্যের পর হারুন মির্জা খুশিতে আত্মহারা হয়ে তার স্ত্রী পুত্র নিয়ে পার্কে বেড়াতে যায়, হোটেলে চাইনিজ খায়। বাড়িতে পার্টি দেয়। সেখানে দামী খাবারের আয়োজন করে। সকলে দামী পোশাক পরে আসে। এতে তার ধার্মিক পিতা জনাব আহসান মির্জা খুবই অসন্তুষ্ট। তার পিতার অসন্তুষ্ট হওয়ার কারণ মূলত আল্লাহ ভীতি বা তাকওয়া। তিনি মুত্তাকি হওয়ায় ছেলের তাকওয়া পরিপন্থি কাজ দেখে সন্তুষ্ট হতে পারেননি।