ইমাম সাহেবের উদ্যোগে ইমামের দায়িত্ব ও কর্তব্যের প্রতিফলন লক্ষণীয়।ইসলামি সমাজ ও সংস্কৃতিতে একজন ইমামের দায়িত্ব হচ্ছে- শিশু ও বয়স্কদের হাতেকলমে শিক্ষা দেওয়া, পারস্পরিক দায়িত্ববোধ শিখানো, এলাকার জনহিতকর কার্যাবলিতে মসজিদকে সম্পৃক্ত করা, গণশিক্ষা বিস্তার ও নৈশবিদ্যালয় পরিচালনা করা। এছাড়া জুয়া, সুদ, ঘুষ, চুরি, ডাকাতি, ব্যভিচার, যৌতুক, নারী নির্যাতন প্রভৃতি ভয়ংকর সামাজিক সমস্যা। হারাম ঘোষণা করে এগুলোর ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে লোকজনদের সচেতন করা ইমামের অন্যতম দায়িত্ব। তিনি এলাকার অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও সামাজিক জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের দিক নির্দেশনাও দেবেন। এ লক্ষ্যে তিনি মসজিদ তহবিলের মাধ্যমে জাকাত সংগ্রহ করে দুঃস্থ ও নিঃস্ব লোকদের মধ্যে টাকা ব্যয় করবেন। যেহেতু ইমাম একজন ধর্মীয় নেতা সেহেতু তিনি মানুষকে নির্ধারিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের প্রশিক্ষণ দিবেন।মসজিদের ইমাম মুসল্লিদের নিয়ে কমিটি গঠনের মাধ্যমে শিক্ষাবিস্তার ও জনহিতকর কার্যে মসজিদকে সম্পৃক্ত করে ব্যাপক সামাজিক উন্নয়ন সংঘটনের লক্ষ্য স্থির করেছেন। তার এ কাজের মাধ্যমে মূলত ইমামতের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের বিষয়টি সুস্পষ্ট হয়ে উঠেছে।