স্ত্রীর প্রতি রায়হানের মতো সদাচরণ শান্তি ও সৌহার্দপূর্ণ পরিবার গঠনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
ইসলামি, পরিবারব্যবস্থায় স্বামী-স্ত্রী হলো প্রধান নিয়ামক। পরিবারের অস্তিত্ব সংরক্ষণ ও কার্যকারিতা নিশ্চিতকরণের জন্য ইসলামে পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের জন্য একে অপরের প্রতি কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্যের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এসব দায়িত্ব ও কর্তব্য সুষ্ঠুভাবে পালনের ওপর পরিবারের সুখ, সমৃদ্ধি ও স্থায়িত্ব নির্ভর করে। রায়হানের স্ত্রীর প্রতি সদাচরণ এবং স্ত্রীর সন্তুষ্টি তারই প্রমাণ।
উদ্দীপকের রায়হান একজন ব্যাংক কর্মকর্তা। তিনি সারাদিন কর্মব্যস্ত থাকার পরও বাসায় ফিরে স্ত্রী আফিফার সাথে উত্তম আচরণ করেন। তার শরীরের খোঁজ-খবর নেন এবং তার ভুলগুলো ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখেন। রায়হানের এরূপ সৌহার্দপূর্ণ আচরণ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। কারণ ইসলামি পরিবারে কেউ কারো প্রতিযোগী বা শত্রু নয় বরং একে অন্যের সহযোগী । স্বামী-স্ত্রীর উত্তম আচরণে পরিবারে যেমন সুখ ও শান্তি বিরাজ করে, তেমনি সুখী, আদর্শ পরিবার থেকেই শিশুরা স্নেহ, মমতা, সহানুভূতিসহ সব ধরনের মানবিক গুণের প্রশিক্ষণ লাভ করে। আর এভাবেই পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের মাঝে দয়া, ভালোবাসা ও সহানুভূতি সৃষ্টি হওয়ার মধ্যে একটি শান্তি ও সৌহার্দপূর্ণ পরিবার গঠিত হয়।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের প্রতি সদাচরণের মাধ্যমে সুখী পরিবার গড়ে তোলা যায়। তাই স্ত্রীর প্রতি রায়হানের আচরণ শান্তি ও সৌহার্দপূর্ণ পরিবার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ এবং ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।