উদ্দীপকে বর্ণিত হাদিসটি কন্যাসন্তানকে পুত্রসন্তানের ওপর অগ্রাধিকার প্রদান সম্পর্কে।
বিশ্বমানবতার কল্যাণের জন্য জীবনব্যবস্থা হলো ইসলাম, নারী ও পুরুষসহ কোনো সৃষ্টির অধিকার ও স্বাধীনতা ইসলাম খর্ব করেনি । ইসলাম আগমনের আগে জাহেলিয়াতের যুগে নারীরা ছিল চরম অবহেলিত, ঘৃণিত, তখন তাদের বেঁচে থাকার অধিকারটুকু পর্যন্ত হরণ করা হতো, কন্যা সন্তানকে জীবন্ত পুঁতে ফেলার মতো ঘটনাও ঘটেছিল সে সময়। ইসলাম এসে এই বর্বরতা রুখে দিয়েছে। ইসলাম সম্মান নিয়ে তাদের বেঁচে থাকার অধিকার দিয়েছে।
সন্তান লালন-পালনের ক্ষেত্রে ইসলাম পুত্রসন্তানকে কন্যাসন্তানের ওপর প্রাধান্য দিতে নিষেধ করেছে। বরং ইসলাম সক্ষমতা বিধান করার আদেশ দিয়েছে। এমনকি কিছু কিছু ক্ষেত্রে ইসলাম কন্যা সন্তানের মর্যাদাকে বাড়িয়ে দিয়েছে। হাদিসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি পুত্রসন্তানকে কন্যাসন্তানের ওপর প্রাধান্য দেয় না সে জান্নাতবাসী হবে।” (আবু দাউদ)
নবি করিম (সা.) বলেছেন, “যে লোকের কোনো কন্যাসন্তান রয়েছে এবং সে তাকে জীবন্ত প্রোথিত করেনি এবং ঘৃণার চোখেও দেখেনি, তার ওপর নিজের পুত্রসন্তানকে অগ্রাধিকার দেয়নি, তাকে আল্লাহ পাক জান্নাত দান করবেন।” (আবু দাউদ)
ইসলাম নারীদের সম্মান নিয়ে বেঁচে থাকার অধিকার দিয়েছে, ইসলাম পুত্রসন্তান ও কন্যাসন্তানের মাঝে লালন-পালনে বৈষম্য নিষেধ করেছে। রাসুল সা.) বলেন, “ছেলে সন্তানের পূর্বে মেয়ে সন্তানকে উপহার দেবে।” (তারগীব)