নৈতিক ও মানবিক জীবন গঠনে প্রখা এবং পরিবারের ভূমিকা অপরিসীম। সমাজে সুখে-শান্তিতে সুশৃঙ্খল জীবনযাপনের জন্য
পরিবার এবং পারিবারিক বন্ধন এবং সামাজিক প্রথা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পারিবারিক জীবন মানুষের কুপ্রবৃত্তি, পশুবৃত্তি, উচ্ছৃঙ্খলতা, সীমা লঙ্ঘন, অধিকার হরণ প্রভৃতি পশু চরিত্র থেকে মুক্ত ও পবিত্র করে। মানুষকে সুনিয়ন্ত্রিত, সুশৃঙ্খল, কল্যাণকর ও পরিত্র গুণবৈশিষ্ট্যে প্রতিষ্ঠিত করে। ইসলামি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে প্রেমপ্রীতি, স্নেহমমতা, সমঝোতা, সহানুভূতি, শ্রদ্ধা-ভালোবাসা, মানমর্যাদা, তাহজিব-তামাদ্দুন, আদব-কায়দা, সাহায্য সহযোগিতা এবং পারস্পরিক দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধ সৃষ্টি হয়। যা বৃহত্তর সমাজ ও জাতিগঠনে এবং বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নৈতিক ও মানবিক জীবন গঠনে পরিবারের কতিপয় ভূমিকা নিচে উপস্থাপন করা হলো-
১. পারিবারিক দাম্পত্য জীবনযাপনে নারীপুরুষকে কুপ্রবৃত্তি, পশুবৃত্তি, উচ্ছৃঙ্খলতা, অশ্লীলতা, ব্যভিচার ও পাশবিক জীবনযাপন থেকে রক্ষা করে।
২. ইসলামি পরিবারব্যবস্থা মানবিক গুণাবলির লালনভূমি। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তায়ালা বলেন, "তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পবিত্র, পরিচ্ছন্ন, স্বচ্ছ ও সুন্দর কথা বলার এবং দেখানো হয়েছে পরম প্রশংসাভাজন মহান আল্লাহর পথ।" (সূরা হজ: ২৪)
৩. পারিবারিক পরিমণ্ডলে মানুষ আপনজনদের সাথে একত্রে মিলেমিশে বসবাস করে। এর ফলে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে গড়ে ওঠে গভীর ও নিবিড় সম্পর্ক এবং ভালোবাসা।