উদ্দীপকে উল্লিখিত আকমল আলীর কর্মে নেশাগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি ফুটে উঠেছে। মাদকাসক্ত ব্যক্তি সমাজের জন্য অত্যন্ত ভয়ংকর যেভাবে তার নিজের ক্ষতি করছে সেভাবে সমাজেরও ক্ষতি সাধন করছে।
যেসব দ্রব্যসামগ্রী পান বা ব্যবহার করলে নেশা সৃষ্টি হয় তা গ্রহণ করাকে মাদকাসক্তি বলে। এ প্রসঙ্গে রাসুল (স.) বলেন- "নেশাজাতীয় যেকোনো দ্রব্য মদ, আর যাবতীয় মদই হারাম।" (মুসলিম)
মাদকাসত্তির কুফল সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেন, "শয়তান চায়, মাদকাসক্তির মাধ্যমে তোমাদেরকে আল্লাহর স্বরণ ও সালাত থেকে বিরত রাখতে। তবুও কি তোমরা ফিরে থাকবে না।" (সূরা মায়িদা: ১২) রাসুল (স.) বলেন, "যে উপকার করে খোটা দেয়, আর যে মাতাপিতার অবাধ্য হয় এবং যে সর্বদা শরাব পান করে, এরা জান্নাতে প্রবেশ করবে না।” (নাসায়ি)
নবি (স.) আরও বলেন, "নিজেও ক্ষতি স্বীকার করবে না, অন্যকেও ক্ষতিগ্রস্ত করবে না।" (আহমাদ, ইবনে মাজাহ)
আকমল আলী নিজের নেশাগ্রস্ত নেশার দ্রব্যসামগ্রী কিনতে তার উপার্জনের সিংহভাগ খরচ করে সে পরিবারের অধিকার নষ্ট করে নিজেকে সহ তার পরিবারকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে আবার সন্তানের প্রতি তার দায়িত্ব অবহেলা করে জঘন্যতম অপরাধে সে লিপ্ত। তওবা না করে ফিরে আসা পর্যন্ত আল্লাহ তা ক্ষমা করবেন না। তার কাজটি সম্পূর্ণ ইসলাম বহির্ভূত কাজ যা আল্লাহ ও রাসুল (স.) এর আদর্শের বিপরীত।